(All) মেডিকেল বই PDF Download

[PDF] হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা pdf download | Homeopathic Materia Medica in Bengali PDF book

আজকে আমরা আপনাদের কে হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা pdf download | Homeopathic Materia Medica in Bengali PDF book লিংক দিবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

বইঃ হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা pdf download | Homeopathic Materia Medica in Bengali PDF book

টাইপঃ মেডিকেল বই

সাইজঃ ১০এম্বি

অমাবস্যার ফুল আসো তোমায় চাঁদের গল্প বলি
লেখক-ইফতেখার হোছাইন নূর
ধরণ-উপন্যাস
প্রকাশনী-বায়ান্ন(‘৫২)
প্রচ্ছদ-রাজীব দত্ত
পৃষ্ঠা-২৪০
“মেঝেতে চিৎ করে বেঁধে ফেলে রাখা সদ্য যৌবনা প্রায় অনাথ মেয়েটির জন্ম হয়েছিলো পিতৃ-পরিচয়হীন অন্ধকার এক পৃথিবীতে। মায়ের মুখ তার মনেও নেই।
অবশেষে বাবাকে খুঁজে বের করার একটা সুযোগ আসলো তার।

দূর সম্পর্কের এক ফুপুর খোঁজ পাওয়া গেলো।ঠিকানা ঠিক থাকলে ফুপুকে পাওয়া যাবে।ফুপুকে পাওয়া গেলে বাবার খোঁজও পেয়ে যাওয়ার কথা। হিসেব সহজ।
এই সহজ হিসেব নিয়ে মেয়েটি সাভার থেকে বাসে চেপে বসলো।সন্ধ্যার ফার্স্ট ট্রিপের নাইট-কোচ।বাস যখন সুন্দরবনের কাছাকাছি এক জেলা শহরে এসে থামল – রাত তখন অনেক গভীর।

মেয়েটি তখনও জানতো না তার জন্য অপেক্ষা করে আছে দুঃস্বপ্নের মতো ভয়ঙ্কর কিছু। বাস থেকে নামার দশ মিনিটের মাথায় হাইওয়ে রোডের উপর থেকেই সে অপহরণের শিকার হলো। এবং মাত্র ষাট হাজার টাকার বেশ্যালয়ের যোগানদার এক খদ্দের তাকে কিনে নিলো সাতক্ষীরা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে।খদ্দেরটা ছিল মেয়েটিরই জন্মদাতা পিতা।
বাইরে প্রবল বৃষ্টি শুরু হলো।শীতের শুরুতে সাধারণত এমন ঝড়ো বৃষ্টি হয় না।

ঝড়ো-বৃষ্টি যা হওয়ার তা বড় জোর আশ্বিনে এসে ঠেকে যায়। এবার আর ঠেকেনি। আকাশ ভেঙে পড়ার অবস্থা। শুরু থেকেই ভাগ্যবিধাতা অদৃশ্যে বসে মুচকি হাসছিলেন। এবার তিনি অট্টহাসি দিলেন! অট্টহাসি দিয়ে তিনি এক মহা পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বসলেন। সেই মহাপরিকল্পনাময় অট্টহাসি অন্ধকারের ঝড় -বিক্ষুব্ধ পৃথিবীতে বজ্রের মতো ফেটে পড়তে শুরু করলো।”
উপরে উদ্ধৃত্য অংশটুকু এই উপন্যাস থেকে নেয়া।

কেউ আবার ভেবে নেবেন না সম্পূর্ণ উপন্যাস শুধু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে। প্রায় দুই দশক আগেকার পটভূমিতে বর্ণিত অস্থির সময়টা বইতে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনায় ভিন্ন চরিত্র এবং কাহিনীতে।
বইটা মৌলিক কোনো থ্রিলার বই না কিন্তু বইটা প্রচণ্ড থ্রিল দিয়ে শুরু হয়েছে।

বহুদিন পর একটা বই পড়লাম,বইটাকে কোন থ্রিলে ফেলব আমি বুঝতে পারিনি। বইটা প্রচণ্ড থ্রিল না হয়েও একটা সামাজিক থ্রিলার বলা যেতে পারে।
এবার আসি বইটাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনায়ঃ-
মুল মানবগোষ্ঠী থেকে প্রকৃতিগত ভাবে দুর্বল নারীগোষ্ঠীর অসহায়ত্ব এবং তার ভয়াবহ নির্মম নগ্ন রুপ এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

সমাজের একজন পতিতা থেকে শুরু করে প্রভাবশালীর কন্যা সেই নগ্নরূপের কাছে কীভাবে বলী হয় তার লোমহর্ষক বর্ণনা উপন্যাসটাতে পাওয়া যাবে।
যেমন, মজনুকে উদ্দেশ্য করে বিন্নি যখন বলে উঠে,”আপনারা লোক তো অনেক।আমি সব আপোষে শোনবো। তয় একটা অনুরোধ- একজন-একজন কইরে আসেন।এইটুকু দয়া করেন!”
অথবা যখন পতিতা জামিলা মুখভার করে মজনুকে বলেছিল, “পট্টির অবস্থা তো ভালা না,আমার একটা বাচ্চার বড় শখ। এই খানে তো সেই নিয়ম নাই।”
তখন তাকে মজনুর ধমকের সুরে শুনতে হয় “বাচ্চার শখ বন্ধ।

See also  [PDF] কেন্ট মেটেরিয়া মেডিকা PDF Download

বাচ্চা নিলি তোর শরীর ভাইঙ্গে যাইবে। কাঁচা হলুদির গা মাছের আঁইশটের মতো হয়ে যাইবে,এই চিন্তা বাদ।”
আবার প্রভাবশালী নশু চেয়ারম্যানের মেয়ে মুনিয়া তার আজন্ম বিশ্বাসটাকে গুড়িয়ে যেতে দেখে রাতের অন্ধকারে। অসহায় পাখির মতো ডানা ঝাপটায় কিন্তু তার জানা নেই মুক্তি আদৌ মিলবে কী না!

(এখানে এতোটুকু আপনাদের ভাবার জন্য রহস্য রেখে গেলাম। কী হয়েছিল মুনিয়ার?)
বইটা নিপাট কোনো প্রেমের রোমান্টিক উপন্যাস না অথচ চিরাচরিত নারী পুরুষের গভীরতম প্রেমের রস ঠিক ততটাই এটাকে রসালো করেছে যতটা আপনাকে আবেশে বন্দি করার জন্য যথেষ্ট।
যেমন- মুখমন্ডলে আচমকা হানিফ মাষ্টারের স্পর্শ পেয়ে বিন্নির সমগ্র অস্তীত্ব ঝনঝন করে উঠে।

সে ভাবে,কী অদ্ভূত মানব জীবনের বাঁক! ভয় যেখানে থাবা তুলে দাঁত বের করে হাসে প্রতিনিয়ত, সেখানেই আবার বুনো ফুলের গন্ধ ভেসে আসে।
এই গন্ধানুভূতি ভয় বোঝে না, পরাজয় বোঝে না,হিংসা বিদ্বেষ কিছু বোঝে না,এই প্রেমজ অনুভূতির জন্ম জটিলতা বিবর্জিত পৃথিবীতে।”
অথবা- দুলালের জন্য যখন তাকে ফিরিয়ে দেয়া স্ত্রী ফুলচাঁন গোপনে চোখের পানি ফেলে এবং সেই গোপন বেঁদনা দেখে হানিফ মাস্টারের মন কেঁদে ওঠে, “আহা রে ভালোবাসা!

কোন অপার্থিব ভুবন থেকে মাটির দুনিয়ার মানুষকে তুই মায়ায় ফেলতে আসিস!ধরতে গেলে বুকে ব্যথা দিস-আবার ছাড়তে গেলে কলিজার বোঁটা ধরে টান দিয়ে বসিস তুই।”
অথবা, প্রিয়তম স্বামী ক্ষীতিশের বুকে ঢলে পড়ে কল্যানী ঢঙ্গীর সুরে বলে,মেঘ পশুগনের বন্ধু,মন্ত্রী রাজার বন্ধু আর স্ত্রীর বন্ধু তার স্বামী। আমারে রাইখে স্বর্গেও তোমারে যাতি দেবনা সাধে তো আর মালা পরাইনি গলায়?”
প্রত্যুত্তরে স্বামী ক্ষীতিশ স্ত্রীর ভেজা চুলের আগায় তীরের মতো জল জল করতে থাকা জল বিন্দু নিজের মুখে ঘঁষে দিয়ে বলে,”আচ্ছা তোরে ছাইড়ে স্বর্গেও যাব না, হলো তো?”

অথবা’ লেখকের ভাষায় হানিফ বিন্নির না বলা কথাগুলো যখন বুকের মধ্যে খামচে ধরে রাতের অন্ধকারে বিদায় বেলায়। প্রেমিক পুরুষের যে স্পর্শ বিন্নি তার সমগ্র জীবনে পায়নি হানিফের কাছে তা চাইতে গিয়েও মুখ সরে না তার।
এবং হানিফ অন্ধকারে ছেয়ে থাকা রহস্যময় আকাশের দিকে মুখ উচু করে চেয়ে মনে মনে বলে, “তুমি চান্দের জয়া তিথি হয়ে আমারে জয় কইরলে আর আইজ পূর্ণার রাত্তিরি পূর্ণতার বদলে ঘোর আন্ধারে আমারে নিঃস্ব কইরে দিয়ে যাচ্ছো।

“(এখানে বইতে প্রুফ রিডারে ভুল ছিল যেটা আমার সন্দেহ হয়েছিল বলে লেখককে নক করায় তিনি সঠিকটা বলে দিয়েছিলেন)
কেউ কারো স্পর্শ পায় না।কারও মুখ থেকে প্রেম পূর্ণ কথা আসে না। তবু সেই চিরায়ত প্রেম নীরবতার মধ্যেও যে প্রেম চিৎকার করে ডাকতে পারে সেই অসংখ্য চিৎকারের সঙ্গে পাঠক এই বইটিতে দেখা পাবেন।
উপন্যাসটাতে গ্রাম্য রাজনীতির মোড়কে আমাদের দেশের সার্বিক রাজনীতির নোংরা মুখটা আঁকা হয়েছে।

যেমন,ধুরন্দর রক্ত খেকো নওশের আলী যখন ভাবেন, ভোটের বাজারে তার মূল্য বরাবরই বেশ চড়া, নির্বাচনের বাজারে জেতার জন্য তারমতো মানুষের সাথে বড় বড় এমপি মিনিষ্টাররাও গোপনে হাত মিলিয়ে থাকে। বিনিময়ে সে ঘরে বাইরে প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে বুক ফুলিয়ে দিনের পর দিন নৈরাজ্য কায়েম করে যায়।
আমাদের ধর্মকেন্দ্রিক পড়াশোনার ক্ষেত্রে লেখকের একটা নিজস্ব দর্শণ আমার ব্যক্তিগত ভাবে ভালো লেগেছে।

See also  [PDF] মেটেরিয়া মেডিকা PDF Download | Materia Medica in Bengali PDF free download

সেই কথাটি আমি লেখকের বই থেকে তুলে ধরছি। যখন হানিফ মাস্টার মাওলানা আব্দুস সামাদ হুজুরকে উদ্যেশ্য করে বলে,” হুজুর! যেই যুগ পড়িছে তাতে দ্বীনের শিক্ষা যেমন দরকার আছে, অন্য শিক্ষারও তেমন দরকার আছে। একপেশে ধর্মীয় শিক্ষা কেবল আরেকটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কিছু করে খাওয়া ছাড়া বাকি কর্মক্ষেত্র সীমাবদ্ধ কইরে দেয়।

এইটা কেন হবে? দ্বীনের শিক্ষা নিলি তো অন্য শিক্ষায় শিক্ষিত হতি বাধা নাই! তারাও বাংলা শিখবে, ইংরেজি শিখবে, গণিত শিখবে,কলা- বিজ্ঞান সবই শিখবে। কান্ধে কান্ধ মিলায়ে দেশের আর সবার মত কাজ করবে। শ্যামলগঞ্জের ফদু মিস্তিরির ছেলের মতো সারাবছর আশা নিয়ে বইসে থাকবে না- কবে রমজান মাসটা আসবে- আর আমি তারাবি পড়ানোর দাওয়াত পাবো। সে নিজে আমারে এই কথা বলিছে। এই ছেলেরে আমি নিজের সামান্য বাংলা শিক্ষা দিছি।

গঞ্জে কম্পিউটারে তার মতো স্পিডে ডাটা এন্ট্রির কাজ কেউ করতে পারে না। এখন সে তারাবিও পড়ায়,দ্বীনের খেদমত করে আবার এক এনজিওর ডাটা এন্ট্রির কাজও এখন করে। কারও হাদিয়া,দয়া-দাক্ষিণ্যের দিকে তাকায়া থাকতে হয় না। নিজির মধ্যি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খুব জরুরি বিষয়।

পরের পকেটের দিক তাকায়ে থাকলি দিনে দিনে মন সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। আমার তো খুব ইচ্ছা- আপনার মক্তবের ছাত্রদের হাফেজি পড়া শেষ হলি আমার স্কুলি ভর্তি করায়া দেবো। দুনিয়াও হলো-আখেরাতও হলো। ব্যাপারটা ভালো না?”
বইটির মধ্যে খুব মজার একটা চরিত্র হচ্ছে বক্কর পাগলা। যার পাগলামির মধ্যে পাঠক কখনো কখনো চোখ মুছতে মুছতেও আবার হেসে ফেলবেন।

লেখক তার লেখায় এই চরিত্রটাকে পাঠকের জন্য যেমন বিনোদনে মুড়ে দিয়েছে তেমন স্পর্শ কাতর করে পাঠকের হৃদয়ে গেঁথেও দিয়েছেন। তাকে নিয়ে লেখকের ভাষায় ছোট একটু অংশ যা বক্করের মা এবং বাবার কথোপকথনে প্রকাশ পায়…
” বক্করের মা মুখ ঝামটা দিয়ে বললেন ” আফনার ছুয়ালও ভালোবাসা করে।তয় মাত্রায় একটু বেশী হয়ে যায়।”
“মাত্রা বেশি হয়ে যায় মানে?”
“সে বউরে অতি ভালোবাসা দেখাতি যায়ে নারকেল-কোরানি বউয়ের মাথায় ছুঁয়ায়ে দাঁতে দাঁত কামড় দিয়ে বলে- আমার সুনা পাখিটারে এতো ভাল লাগতিছে ক্যান আইজকে!

See also  [PDF] বায়োকেমিক মেটেরিয়া মেডিকা PDF Download | Biochemic Materia Medica in bengali pdf

ওরে আমার ময়নাটারে মন চাচ্ছে কুরানি দিয়ে মাথায় একটা বাড়ি মারি!”
বইটাতে আমাদের, সামাজিক,রাষ্ট্রিয়,প্রশাসনিক,ধর্মীয় তথা আমাদের মানব জীবন ধারায় অসংখ্য সঙ্গতিক,অসঙ্গতিক গল্পের ভাজে ভাজে চোখে আঙুল দিয়ে লেখক আমাদের তার লেখার ভাজে দেখিয়ে দিয়েছেন। যার জন্য বইটি দিনশেষে শুধুমাত্র একটি উপন্যাসের বই নয় বরং একটি মলাট বাঁধানো দর্শণ।

বইটিকে আমি নব্যধারার সাহিত্যের মাঠে এগিয়ে রাখার কারণ এর সামগ্রীক দর্শণ মূল্যমানের জন্য,যা কেবল আমরা অতীতের শক্তিশালী সাহিত্যিকদের বইয়ের মধ্যে পেতাম।
এরকম আরও অসংখ্য ছোট বড় বিশ্লেষণ এসেছে যা পাঠককে নতুন করে ভাবাবে। এছাড়াও অসংখ্য চরিত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, ফুলচাঁন,দুলাল গাছি, সিকান্দার মাস্টার একটি গ্রাম্য স্কুলের কিছু চিত্র প্রশাসনের প্রভাবশালীদের পকেটে ঢুকে থাকা প্রশাসনের চিত্র এবং অসংখ্য অসঙ্গতির মধ্যে এই বইয়ের সবচেয়ে প্রতিবাদি বারুদের মতো একটি অস্তিত্ব যার নাম নিরঞ্জন। যাকে নিয়ে লিখলে দুই একটা রিভিউতে শেষ হবে না। সে অন্ধকারের মধ্যে থেকে আলোর মশাল হাতে নিয়ে হাঁটে।নির্বিচার সমাজে নিজের আদালতে বিচার করে,অসহায়ের গোঙ্গানীর পাশে মমতার হাত বাড়িয়ে দেয়।

যে ফিনিক্স পাখির মতো ছুটে চলে যার অস্তিত্ব সবাই টের পায় কিন্তু দেখা পায় না। সেই বিপ্লবীর স্পর্শ পেতে হলে বইটি অবশ্যই পাঠ্য।
আমার ধারণা লেখক এই চরিত্র নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করবেন। এমন একটি বিপ্লবী চরিত্র বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার। যেই চরিত্র আমরা সবাই বুকের কোটরে আগুনের মতো পুষে রাখি। তা আজ লেখকের বইয়ের মাধ্যমে প্রাণ পেলো।এই প্রাণ শতধারায়,শত দিকে বাংলা সাহিত্যে দাপিয়ে ঘুরে বেরাক।
পরিশিষ্ট,বইয়ের প্রচ্ছদ এবং বাইন্ডিং খুব ভালো লেগেছে তবে বইটাতে অনেক বানান এবং টাইপিং মিস্টেক রয়ে গেছে। আঞ্চলিক আর শুদ্ধ ভাষাকে কিছু জায়গায় মিশ্রিত করে ফেলা হয়েছে।

আমি আশা করব লেখক তার পরের মুদ্রনে এই বিষয়ে নজর রাখবেন।আমার সল্প সময়ের এই প্রচেষ্টার অর্থ ছিল বইটার প্রতি আমার বিশেষ টান।বইটার রিভিউ না লিখে পারছিলাম না। আশা করব বইটা যারা মন দিয়ে পড়বেন তাদেরও অবশ্যই অবশ্যই ভালো লাগবে। একটা বিষয় না বললেই নয়,উপন্যাসটা লিখতে গিয়ে লেখক একটা চরিত্র এবং বর্ণনা থেকে ভিন্নতর বর্ণনায় চলে গিয়ে আবার পুনঃরায় সে চরিত্র এবং বর্ণনায় ফিরে এসে নিজ স্থানে বসে গেছেন অবলীলায়। এই ধরণের বর্ণনায় কোথাও কোনো ছন্দপতন হয়নি।আমি পড়তে গিয়ে বারবার মুগ্ধ হয়েছি তার লেখার সাদৃশ্যে।
লেখককে মন থেকে জানাই অনেক অনেক শ্রদ্ধা এবং শুভ কামনা এমন একটি বই পাঠকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য।

হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা pdf download | Homeopathic Materia Medica in Bengali PDF book

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page