অশ্লীল ১৮+ এডাল্ট বই PDF Download

(PDF) সুশ্রুত সংহিতা pdf download | Sushruta Samhita in Bengali PDF Download

আজকে আমরা আপনাদের কে সুশ্রুত সংহিতা pdf download | Sushruta Samhita in Bengali PDF Download লিংক দিবো।

বইঃ সুশ্রুত সংহিতা pdf download | Sushruta Samhita in Bengali PDF Download

টাইপঃ হিন্দু

সাইজঃ ৫ এম্বি

~জোছনা ও জননীর গল্প
~হুমায়ূন আহমেদ
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে বেশ ভালো পরিমাণ লেখালেখি হয়েছে। কবিতা, নাটক থেকে শুরু করে ছোট গল্প, উপন্যাস সবকিছু নিয়েই লেখালেখি হয়েছে। এর মাঝে মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমদিকেই থাকবে হুমায়ূন আহমেদের “জোছনা ও জননীর গল্প”। এমনকি হুমায়ূন আহমেদের সেরা সৃষ্টিগুলোর মধ্যেও এটি প্রথম সারিতেই অবস্থান করবে। উপন্যাসে ঐতিহাসিক ঘটনা যেমন বর্ণিত হয়েছে তেমনি সাধারণ জনজীবনেরও কিছু চরিত্রও উঠে এসেছে। ইতিহাস যদি এই উপন্যাসের দেহগঠন করে থাকে তাহলে শাহেদ-আসমানী-ইরতাজউদ্দিন, মরিয়ম-নাইমুলরা তাতে দিয়েছে প্রাণ। ঐতিহাসিক চরিত্র ও সাধারণ জনজীবনের কিছু চরিত্রের এক অভাবনীয় মিশেলে গড়ে উঠেছে মহান মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য এক চিত্র।
গল্পের শুরুটা হয় ইরতাজউদ্দিন-শাহেদ-আসমানীকে নিয়ে। পারিবারিক কলহ-ভালোবাসা, রাগ-অভিমান ফুটে উঠেছে গভীরভাবে। একটা যুদ্ধ একেকটা পরিবারের জন্য কতটা ভয়াবহ তার কিছুটা হলেও এ থেকে আঁচ করা যায়। একটু খাবারের জন্য সংগ্রাম, একটু রোদের জন্য সংগ্রাম, একটু আকাশের জন্য সংগ্রাম। এ এক বেঁচে থাকার সংগ্রাম।
“অপারেশন সার্চলাইটের” আলোতে ঝলসাতে থাকে পুরো ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা। বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় হত্যাযজ্ঞ। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে হত্যার যে নৃশংস বর্ণনা দেয়া আছে তা পড়ার শিউরে উঠতে হয়, গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করেছে পাক হানাদাররা। পুরো ঢাকা শহর একটা কবরখানায় পরিণত হয়ে যায়। দেশজুড়ে কারফিউ। সেই ভোরেই ঘোষনা আসে স্বাধীনতার। কারফিউতে আটকা পরে যায় শাহেদ। হারিয়ে ফেলে আসমানীকে।
ঘোষনার পর থেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে নাইমুল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় একজন ছাত্র, সামনে উজ্জল ভবিষ্যৎ। ঘরে তার নতুন বিবাবিহ স্ত্রী। কিন্তু তারপরও এসব পিছুটান তাকে টেনে রাখতে পারেনি। সবকিছু ছাপিয়ে দেশের জন্যই নিজেকে বিলিয়ে দিতে থাকে নাইমুলের মতো হাজারো নাইমুলরা।
আর নিজের স্বার্থসিদ্ধি পূরণে গিরগিটির মতো রং বদলাতে থাকে কলিমুল্লার মতো কিছু সুবিধাবাদীরা। যখন যেখানে যা দরকার তখন সেখানে তা-ই করছে। ক্ষণে ক্ষণে তাদের রুপ পাল্টাতে থাকে। পাকিস্তানের সাথে হাত মিলিয়ে যেমন বাঙালীদের রক্তে হাত রাঙিয়েছে ঠিক তেমনি বিজয়ের মুহুর্তে সে-ই বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছে।
পাকিস্তানিদের লোমহর্ষক নানা নির্যাতন তুলে এনেছেন যা পড়ার পর নিস্তব্ধ হয়ে যেতে হয়। হাজার পাওয়ারের দুটো লাইট চোখের উপর রেখে দেয়া, হাতের আঙ্গুলের মাঝে পেরেক ঢুকিয়ে দেয়া, বেয়নেট দিয়ে চোখ উপড়িয়ে ফেলা থেকে শুরু করে এমন কোনো নির্যাতন নেই যা তারা করেনি। যেখানে গিয়েছে সেখানেই তারা ধ্বংসস্তূপ করে রেখে গেছে। নারীদের নির্যাতনের যে বর্ণনা বইয়ে দেয়া আছে তা কল্পনাতেও আনা যায়না।
প্রতিক্রিয়াঃ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মোটামুটি একটা ধারনা দিতে সক্ষম বইটি। পুরো ধারনা পেতে চাইলে আশাহত হতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মানুষের যে সংগ্রাম, বেঁচে থাকার জন্য লড়াই তার কিছুটা উঠে আসলেও বেশিরভাগই গল্পের আড়ালে থেকে গেছে।
শাহেদকে প্রথমদিকে অনেক ভালোভাবে গড়ে তোলার পরেও গল্পে শাহেদ তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। তাকে যেভাবে গড়ে তোলা হয় প্রথমদিকে, যতটা সময় তাকে দেয়া হয় সে অনুযায়ী তার কাছে থেকে আরও বেশি আশা ছিলো। অন্তত শেষে যেয়ে হলেও ভেবেছিলাম হয়তো কিছু একটা করবে। কিন্তু তেমন কিছু হয়নি।
আবার নাইমুলের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেও সে কি করে যুদ্ধে গেলো, লড়াই কি করে তার অনেকটাই অনুপস্থিত। একজন মুক্তিযোদ্ধার লড়াই, তার বিপদ, তার মানসিক অবস্থা, তার সাথীদের অবস্থা, জয়ের মুহুর্ত-এসব ঘটনাবলি মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসে যেভাবে প্রত্যাশা থাকে সেভাবে পাওয়া যায় ন।
তবে সবকিছু মিলিয়ে সার্বিকভাবে মুক্তিযুদ্ধকে চোখের সামনে তুলে আনতে সক্ষম বইটি। মনে হয় চোখের সামনেই ঘটনাগুলো হচ্ছে। রেফারেন্সসহ মুক্তিযুদ্ধের সর্বোপরি একটা ধারনা পেতে পড়ে ফেলুন “জোছনা ও জননীর গল্প”

পাক সার জমিন সাদ বাদ – অন্যায়, অবিচার ও অসুন্দরের বিরুদ্ধে এক উপাখ্যান।
হুমায়ুন আজাদ বাংলাদেশের প্রধান প্রথাবিরোধী লেখক। বহুমাত্রিক ও শক্তিশালী লেখক কলম ধরেছেন মৌলবাদের বিরুদ্ধে, লড়াই করেছেন স্বাধীনতা বিরোধীদের বিপক্ষে৷
হুমায়ুন আজাদের বহুল আলোচিত এক উপন্যাস ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’।
উক্ত উপন্যাসের প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিদের পুনরুত্থানের মধ্য দিয়ে৷ তাদের অন্ধকার শক্তরাশি বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগোতে দেয়নি, বরং স্বপ্নের স্বাধীন দেশকে নিয়ে চলছে মধ্যযুগের দিকে। বাংলাদেশকে তৈরী করছে তারা অপপাকিস্তান হিসেবে৷ তাদের হিস্রতার শিকার হচ্ছে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়।
৪৭’সালের পরে বাংলাদেশ যখন ছিল পাকিস্তানের উপনিবেশ তখন পাক জাতীয় সংগীতের প্রথম পঙক্তি ছিল ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’। সেই সংগীতের প্রথম পঙক্তি হতে বইটির নামকরণ করা হয়েছে ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’।
‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ উপন্যাসটি সর্বপ্রথম দৈনিক ইত্তেফাকের ঈদ সংখ্যা ২০০৩’এ প্রকাশিত হয়৷ প্রগতিশীলরা উপন্যাসটিকে সানন্দে গ্রহণ করলেও মৌলবাদীরা উপন্যাসটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়৷
স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীতে এসেও পাকিস্থানপন্থী স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন এখনও বাংলার মাটিতে সক্রিয় তার প্রমাণ আমরা সবশেষ ২০’সালে জাতির জনকের ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনে পেয়েছি৷ এখন সময় এসেছে হুমায়ুন আজাদের মত বর্তমান লেখকদেরও প্রতিবাদের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেওয়ার।
বইটির কাহিনী সম্পূর্ণভাবে যৌনতায় মোড়ানো তাই আঠেরো পেরোনোর আগে না পড়াই উত্তম৷
বইঃ পাক সার জমিন সাদ বাদ।
লেখকঃ হুমায়ুন আজাদ।
পৃষ্ঠাঃ ১১২ টি।
মূল্যঃ ২০০ টাকা৷

See also  চর্যাপদ বই pdf download | Charyapada pdf free download

সুশ্রুত সংহিতা pdf download | Sushruta Samhita in Bengali PDF Download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page