Bangla uponnas Book PDF

[PDF] ইন্দুবালা ভাতের হোটেল পিডিএফ ডাউনলোড PDF Download | Indubala Vater Hotel book pdf free download

আজকে আমরা আপনাদের কে ইন্দুবালা ভাতের হোটেল পিডিএফ ডাউনলোড PDF Download | Indubala Vater Hotel book pdf free download লিংক দিবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

বইঃ ইন্দুবালা ভাতের হোটেল পিডিএফ ডাউনলোড PDF Download | Indubala Vater Hotel book pdf free download

টাইপঃ উপন্যাস বই

সাইজঃ ১০এম্বি

বইঃ ইন্দুবালা ভাতের হোটেল
লেখকঃ কল্লোল লাহিড়ী
প্রকাশকঃ সুপ্রকাশ
প্রকাশকালঃ জুলাই, ২০২০
ঘরানাঃ সমকালীন উপন্যাস
প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণঃ মেখলা ভট্টাচার্য
পৃষ্ঠাঃ ১৫৭
মুদ্রিত মূল্যঃ ৪০০ রুপি
ফরম্যাটঃ হার্ডকভার

কাহিনি সংক্ষেপঃ খুলনার কলাপোতা গ্রামের ইন্দুবালা যখন বিয়ে হয়ে কলকাতার ছেনু মিত্তির লেনের শ্বশুরবাড়িতে এলো, তখন সে কিশোরী। দোজবরে স্বামী মাস্টার রতনলাল মল্লিক একজন মদ্যপ ও জুয়াড়ি মানুষ। ইন্দুবালার শাশুড়ি মানুষটাও খুব একটা সুবিধার নন। উঠতে বসতে নিজের ‘বাঙ্গাল’ বউমাকে কথা শোনাতেন তিনি।

স্ত্রীর গয়না বেচে মদ আর জুয়ার খরচ চালানো স্বামী ইন্দুবালাকে দুটো ছেলে আর একটা মেয়ে ছাড়া জীবনে কিছুই দিতে পারেনি। এরপর লোকটা চোখ বুঁজলো। শাশুড়িও নেই। তিনটা ছোট ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে সদ্যবিধবা হওয়া ইন্দুবালাকে নেমে পড়তে হলো জীবনসংগ্রামে।

ছেনু মিত্তির লেনের দোতলা বাড়িটার নিচতলাতেই ইন্দুবালা খুলে বসলেন রান্নাঘর। রান্নাঘরটা যেন সবার খাবার জোগান দেয়ার জন্য খোদ অন্নপূর্ণার আশীর্বাদে প্রতিষ্ঠিত হলো। কিভাবে কিভাবে তাঁর বাড়ির বাইরের দেয়ালে ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ সাইনবোর্ড উঠলো, তা তিনি নিজেও ভাবতে পারলেন না।

ইন্দুবালা’র রান্নার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লো সর্বত্র। আশেপাশের মেসবাড়িতে থাকা ছাত্র-ছাত্রীরা, কালেক্টর অফিসের বড়বাবু ও কর্মচারীরা, বাজারের লোকজন এবং পথচারীদের পদচারণাও সারাটা দিন মুখরিত হয়ে থাকতে লাগলো ইন্দুবালা ভাতের হোটেল।
আজ জীবনসায়াহ্নে এসে বৃদ্ধা ইন্দুবালা বড় একা।

তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী উড়ে বামুন ধনঞ্জয় ছাড়া এই বাড়িটাতে তাঁর সাথে থাকে না আর কেউ। তিন ছেলে-মেয়েকেই মানুষ করেছেন, বিয়ে দিয়েছেন ইন্দুবালা। যে যার মতো হয়েছে প্রতিষ্ঠিত। জীবনের এই পর্যায়ে এসে নিজের মনেই ইন্দুবালা স্মৃতিচারণ করেন তাঁর ফেলে আসা জীবনকে নিয়ে।

তাঁর বাপের বাড়ি খুলনার কলাপোতা গ্রাম, গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কপোতাক্ষ নদ, ঠাম্মার হাতে বানানো নানা আচার ও পিঠাপুলি, ছোট ভাইয়ের সাথে করা ডানপিটেপনা, পাড়ার দুর্গাপূজা, বোসদের পুকুর, নকশী কাঁথার মাঠ আর জীবনের একমাত্র প্রেম মনিরুলের স্মৃতি ক্ষণে ক্ষণে ভেসে ওঠে বৃদ্ধা ইন্দুবালা’র মানসপটে।
উনুনে নানা পদের রান্না তুলে দিয়ে তিনি ভাবতে বসেন নকশালপন্থী বিপ্লবী অলোকের কথা।

See also  (All) Krishnendu Mukhopadhyay books PDF Download | কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় PDF Download

বিপ্লবের চেতনা বুকে বয়ে নিয়ে চলা কয়েকজন স্বপ্নবাজ ছেলেমেয়ের ভাত খাওয়ার দৃশ্য বারবার ভেসে ওঠে তাঁর দুই চোখে। তিনি ভাবেন সারাজীবনের জন্য ছেড়ে আসা নিজ গ্রামের কথা, যেটা ১৯৭১ সালে পুড়িয়ে দিয়েছিলো পাকবাহিনী। এসব ভাবতে ভাবতেই বেলা বয়ে যায় ইন্দুবালা’র। বৃষ্টি হয় দুটো দেশেই, কিন্তু মুছে যায় না মানচিত্রের নির্মম সীমারেখা।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ অসাধারণ এক মন কেমন করা গল্প নিয়ে উপন্যাস ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’। কল্লোল লাহিড়ীর সাড়া জাগানো এই উপন্যাসে দেখানো হয়েছে জীবনসায়াহ্নে উপস্থিত এক বৃদ্ধার স্মৃতিকাতরতা ও বাঙ্গালীর রান্নাঘরের প্রায় ভুলতে বসা এক ইতিহাসকে। দুই বাংলায় ব্যাপকভাবে আলোচিত এই উপন্যাসটা আমার পড়ার আগ্রহ ছিলো অনেক আগে থেকেই। অবশেষে সুযোগ হলো।

দেশভাগ, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম ও এসবের মাঝেই কলকাতার এক অখ্যাত এলাকায় জীবনসংগ্রামে রত এক মানবীর উপাখ্যান এই ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’।
পুরো উপন্যাসটাই আবর্তিত হয়েছে বৃদ্ধা ইন্দুবালা’র স্মৃতিকাতরতা নিয়ে। তাঁর শৈশব-কৈশোর, বিয়ে, মাতৃত্ব, বিধবা হওয়া ও শক্ত হাতে নিজের ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করার এক অসামান্য গল্প উঠে এসে বইটার পাতায় পাতায়।

ইন্দুবালা যেভাবে বারবার নিজের যাপিত জীবনের স্মৃতিতে হারিয়ে যাচ্ছিলেন, তেমনি আমি নিজেও যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম সবকিছু। মন খারাপ করা এক বিষন্নতা যেন ধোঁয়ার মতো পাক খাচ্ছিলো আমার চারপাশে। নিঃসন্দেহে বেশ হৃদয়ছোঁয়া একটা উপন্যাস ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’।

উপন্যাসের শেষটা যেন একদম হঠাৎ করেই সামনে এসেছে। আর শেষটা যেন আমার ভেতরে আরো কিছুটা কষ্টের প্রলেপ রেখে গেছে। কল্লোল লাহিড়ী’র গল্প বলার ধরণ চমৎকার লেগেছে আমার কাছে। তিনি প্রত্যেকটা অধ্যায়ের নাম রেখেছেন কোন না কোন বাঙ্গালী খাবারের নামে।

এই ব্যাপারটাও ভালো লেগেছে। বাংলার ঐতিহ্যবাহী রান্নাবান্না সম্পর্কেও বেশ ভালো একটা ধারণা লাভ করেছি ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ পড়তে গিয়ে৷ কয়েক জায়গায় তো আমার নিজের জিভেই জল এসে যাচ্ছিলো এমন একটা অবস্থা। যাই হোক, মনে রাখার মতো একটা উপন্যাস পড়লাম।
মেখলা ভট্টাচার্য’র করা প্রচ্ছদ আর বইয়ের ভেতরের অলঙ্করণ ভালোই লেগেছে। আগ্রহীরা চাইলে পড়ে ফেলতে পারেন বইটা।
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪/৫
গুডরিডস রেটিংঃ ৪.৩৭/৫

See also  লাল সন্ত্রাস মহিউদ্দিন আহমেদ pdf download | lal sontrash pdf download

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল পিডিএফ ডাউনলোড PDF Download | Indubala Vater Hotel book pdf free download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page