পাঞ্জেরী লেকচার অনুপম গাইড PDF Downloadসকল শ্রেণীর লেকচার গাইড PDF Download

[PDF] অক্ষরপত্র প্রকাশনী গাইড বই pdf download | Akkharpatra Books PDF download

আজকে আমরা আপনাদের কে অক্ষরপত্র প্রকাশনী গাইড বই pdf download | Akkharpatra Books PDF download লিংক দিবো। তাহলে চলুন শুরু করি।

বইঃ অক্ষরপত্র প্রকাশনী গাইড বই pdf download | Akkharpatra Books PDF download

টাইপঃ গাইড বই

সাইজঃ ১০০এম্বি

বই : অসূয়া
লেখক : জাভেদ রাসিন
প্রকাশক : বাতিঘর প্রকাশনী
প্রকাশকাল : বইমেলা, ২০১৭
ঘরানা : পজেশন মিস্ট্রি/সুপারন্যাচারাল থ্রিলার/হরর
পৃষ্ঠা : ১১০
প্রচ্ছদ : জাভেদ রাসিন
মুদ্রিত মূল্য : ১৪০ টাকা
ধনী ব্যবসায়ী তৌহিদ এলাহি ও আফসানা এলাহির একমাত্র শিশুকন্যা আফসারা এক অদ্ভুত সমস্যায় পতিত হয়েছে।

প্রায়শই মাঝরাতে ভয়াবহ এক দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে উঠছে মেয়েটা। স্বপ্নে তাকে তাড়া করে ফিরছে ভয়ঙ্কর এক অশরীরী সত্ত্বা। প্রায় প্রতিটা রাতেই ছোট্ট আফসারাকে সেই অশরীরী সত্ত্বা তার নিজের সৃষ্ট অন্ধকার ভুবনে বন্দি করে ফেলছে। এই ভয়াবহ ব্যাপারটা আরো বেশিদূর এগোনোর আগেই তৌহিদ এলাহি পরহেজগার যুবক ইরফান আহমাদের শরণাপন্ন হলেন।

বিখ্যাত রাকি (যাঁরা জ্বিন দ্বারা পজেসড রোগীদের চিকিৎসা করেন) আল হাসনাইনের শিষ্য ও সহকারী ইরফান আহমাদ তার এবারের রোগী আফসারার চিকিৎসা করতে এসে অদ্ভুত কিছু জিনিসের আলামত পেলো। ভয়াবহ রকমের শক্তিশালী কোন কালো জাদু করা হয়েছে বাচ্চা মেয়েটাকে।

এবং তার চেয়ে বড় আশঙ্কার কথা হলো, এমন কেস এর আগে কখনোই আসেনি ইরফান আহমাদের কাছে। তারপরো আশায় বুক বেঁধে আফসারা ও তার পরিবারকে রক্ষা করার অনিশ্চিত এক মিশনে নামলো ইরফান। আর কাজটা করতে গিয়েই টের পেলো, প্রতিপক্ষও কম শক্তিশালী না।

ব্ল্যাক ম্যাজিক, খারাপ জ্বিনকে কাজে লাগিয়ে মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা, বহুকাল আগের কোন পাপ আর সর্বোপরি প্রতিশোধের আগুনে পোড়া ভয়াবহ জিঘাংসা একের পর এক আসতে লাগলো সামনে। যা এই সাধারণ পজেশনের কেসটাকে আর সাধারণের পর্যায়ে রাখলোনা।

অসমসাহসী যুবক ইরফান আহমাদ দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালিয়ে যেতে লাগলো অজানা এক অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে। শেষমেষ এই লড়াইয়ে কার জয় হলো, জানতে হলে পাঠককে পড়ে যেতে হবে ‘অসূয়া’-এর শেষ পাতা পর্যন্ত।
ব্যক্তিগত মতামত : তরুণ লেখক জাভেদ রাসিনের ‘অসূয়া’ নভেলাটা প্রকাশিত হওয়ার প্রায় এক বছর পর পড়লাম আমি।

স্বীকার করছি যে দেরি হয়ে গেলো। আফসোসও আছে সামান্য। আফসোসটা এজন্যই যে, এই নভেলাটা আরো আগেই পড়ে ফেলা উচিৎ ছিলো আমার। ‘অসূয়া’-এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একরকম মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়েছি আমি। এর আগে লেখকের প্রথম ইরফান কাহিনি ‘তমিস্রা’-ও ভালো লেগেছিলো। সেই ভালো লাগাটা আরো বাড়লো ‘অসূয়া’-য় এসে।

See also  Lecture guide for class 7 pdf free download | লেকচার গাইড ৭ম শ্রেণী pdf download

সাবলীল বর্ণনাভঙ্গি ও চমৎকার লেখনীতে লেখক জাভেদ রাসিন নিজেই যেন নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ‘অসূয়া’-এর প্লটটাও চমৎকার ছিলো। ২০১৮ এর বইমেলায় লেখকের আরো একটা ইরফান কাহিনি আসছে যতোদূর জানি। এখন সেটা পড়ার অপেক্ষা।

একটা ব্যাপারে আমি সামান্য বিভ্রান্ত। সেটা হলো লেখকের নামের বানান। কভারে লেখা ‘জাভেদ রাসিন’ আর ভেতরে তিন জায়গায় লেখা ‘জাবেদ রাসিন’। লেখক কোনটা ব্যবহার করেন, জানিনা। ভবিষ্যতে রাকি ইরফান আহমাদকে নিয়ে নভেলা না, আস্ত একটা নভেল আশা করি।

‘অসূয়া’-এর প্রচ্ছদ লেখক নিজেই করেছেন। মোটামুটি ভালোই করেছেন।
রেটিং : ৪.৫/৫

বই- রক্তবীজ।
লেখক- পিটার ট্রিমেন।
অনুবাদ- খসরু চৌধুরী।
ধরন- হরর।
প্রকাশনী- প্রজাপতি।
একটি মেয়েলী ঝামেলায় পড়ে ইতালি ছাড়তে হয় মার্সিয়াকে। তবে গন্তব্যও খুজে পেতে দেরী হয়না তার। যখন তার ইতালি ছাড়ার প্রয়োজন তখনই তার পূর্বপুরুষের সাম্রাজ্য ওয়ালাচিয়া থেকে তার দুই ভাই ভ্ল্যাদ ও মিহাইলের চিঠি আসে।

চিঠিতে জানা যায় তাদের বাবা ওয়ালাচিয়ার প্রিন্স ড্রাকুলা মারা গেছেন। ভাইদের অনুরোধ মার্সিয়া যেনো এসে বিষয় সম্পত্তির ভাগ বুঝে নেয়। চিঠি মোতাবেক ওয়ালাচিয়া রওনা হয় মার্সিয়া। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পূর্বেই কিছু অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় সে।

স্থানীয় লোকজন তার উদ্দেশ্য জেনে তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করে। তাদের প্রশ্ন করে পরিষ্কার ভাবে কিছুই জানতে পারেনা মার্সিয়া। শুধু এতোটুকু ধারনা হয় ওয়ালাচিয়ার প্রাসাদে অশুভ কিছু আছে। এক অদ্ভুত গাড়োয়ান তাকে প্রাসাদে নিয়ে যায়। গাড়োয়ানকে দেখে মানুষের চেয়ে শয়তানই মনে হয় বেশী। তবে ভাইদের প্রতি আত্মিক টানের কারনে এতোকিছু নিয়ে ভাবনায় বসে না মার্সিয়া। প্রাসাদে যেয়ে ভাইদের সাথে সাক্ষাৎ হয় মার্সিয়ার। তবে শুধু রাতেই তাদের দেখা পায় মার্সিয়া।

দিনের বেলা ভাইরা কোথায় থাকে তা জানা যায় না। অদ্ভুত এই বাড়িতে কোনো কাজের মানুষেরও দেখা পায় না সে। রাতে কাজের এক মেয়ে আসে তার সাথে দেখা করতে। সে নিজেকে গাড়োয়ানের মেয়ে বলে পরিচয় দেয় এবং মার্সিয়াকে যতো দ্রুত সম্ভব প্রাসাদ ছেড়ে চলে যেতে বলে।

ঠিক পরের রাতেই এই মেয়েই কেমন বদলে গিয়ে মার্সিয়ার কাছে নিজেকে সপেঁ দিতে আসে। ধীরে ধীরে এক ভয়ঙ্কর সত্য জানতে পারে মার্সিয়া। তার বাবা কাউন্ট ড্রাকুলা যে নিজেকে ড্রাগন বা শয়তানের পূত্র বলে মনে করে সে নিজেই এক ভয়ানক শয়তানি শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই অশুভ শক্তির কুদৃষ্টিতে পড়ে কাউন্টেস আইরিন ব্যাথোরির ওপর। একা মার্সিয়ার ক্ষমতা নেই বাবার অশুভ শক্তিকে মোকাবেলা করার। সে পাশে পায় বন্ধু জনকে।

See also  [PDF] অক্ষরপত্র প্রকাশনী ICT বই PDF Download | Akkharpatra ICT book pdf download

দুজনে মিলে কাউন্টেস আইরিনকে অনেক কষ্টে উদ্ধার করেন আনে এবং ব্যাপারটা শেষ করার জন্য হানা দেয় ক্যাসল অব ড্রাকুলায়। কিন্তু ভ্যাম্পায়ার বাবা ও ভাইদের বিরুদ্ধে কিভাবে লড়বে মার্সিয়া? ওকেও তো ভ্যাম্পায়ার বানানোর জন্যই নিয়ে আসা হয়েছে ক্যাসল অব ড্রাকুলায়।
এই বইয়ের পটভূমি ড্রাকুলা পূর্ববতী সময়ের।

ব্রাম ষ্টোকারের বইতে তার ক্ষতিকর ব্যাপার স্যাপার এলেও সে কিভাবে ভ্যাম্পায়ারে পরিণত হয় তা সেখানে উল্লেখ্য নেই। এ বইতে সেই ব্যাপার এসেছে। কিভাবে সে মানুষ থেকে আনডেড ভ্যাম্পায়ারে পরিণত হলো তার বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। ড্রাকুলার পূর্বপুরুষ, তাদের ইতিহাস, সাম্রাজ্য ইত্যাদি সমগ্র ব্যাপার উল্লেখ্য করা হয়েছে।

উল্লেখ্য ড্রাকুলার বেশকিছু ব্যাপার নেওয়া হয়েছে ইতিহাস থেকে। ওসমানী শাসনাধীন সময়ে ভ্ল্যাড দ্য ইমপালার নামে সত্যিই একজন কাউন্ট ছিলেন রোমানিয়ার কার্পেথিয়ান অঞ্চলে। তিনি ওসমানীদের অনুগত ছিলেন তবে সুযোগ পেলে বিদ্রোহও করে বসতেন। সেখান থেকেই এসেছে এই কাউন্ট ড্রাকুলা মিথ।

বাস্তব ড্রাকুলা ছিলেন খুব অত্যাচারী। অন্তত তাই জানা যায় তার সর্ম্পকে। বইতেও তার সেই নেগেটিভ চরিত্রই ফুটে উঠেছে। তবে একটু অলৌকিকভাবে। আশা করি সবার ভালো লাগবে। কেনোনা এই হরর ইতিহাসের সাথে সংযুক্ত।
রেটিং- ৪.৪০/৫.০০

অক্ষরপত্র প্রকাশনী গাইড বই pdf download | Akkharpatra Books PDF download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page