West Bengal Books PDF

(New) West Bengal Board class 9 Book PDF Download | WBBSE Class Nine PDF Download

Hello buddies. Today in this blog post we will share West Bengal Board class 9 Book PDF Download | WBBSE Class Nine PDF Download link. We hope you will love this.

West Bengal Board class 9 Book PDF Download | WBBSE Class Nine PDF Download

Bliss (ইংরেজি বই) Class IX (English Book for Class 9)

Professor Shankur Dairy (প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রি) Class IX Rapid Reader (First Language Rapid Reader For Class 9)

Ganit Prakash (গণিত প্রকাশ) Class IX (Mathematics Book For Class 9)

Sahitya Sanchayan (সাহিত্য সঞ্চয়ন) Class IX (First Language For Class 9)

বই: বাংলার ইতিহাস মুসলিম বিজয় থেকে সিপাহী বিপ্লব পর্যন্ত [১২০০-১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে]
লেখক : আবদুল করিম (সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)
পর্যালোচনা
আমাদের প্রতিদিনের গল্পই আগামী কালের ইতিহাস। এই গল্পে ব্যক্তিপর্যায়ে, গোষ্ঠীয়, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে হয়; হয় আমরা অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করছি বা অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। এই এক নিরন্তর অস্তিত্বের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে যার ইতিহাস জ্ঞান যতো বেশী তার টিকে থাকার সম্ভাবনাও ততো বেশী।কোনো এলাকার ইতিহাস জানলে ওই এলাকার সমাজের গতিপ্রকৃতি পরিবর্তনের ধারা জানা যায়।এই জন্যই বইটি পড়া।নিজ দেশের ইতিহাস , সমাজ ও সংস্কৃতি জানাটাও অতীব জরুরি।
বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক সীমান্ত বেষ্টিত দেশ, এর উত্তরে হিমালয় পর্বত মালা ,দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ,পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, খাসিয়া জয়ন্তিয়া এবং চট্টগ্রামে পাহাড়। উত্তর দক্ষিণ দিক থেকে বাংলাদেশ প্রকৃতিগতভাবে সুরক্ষিত ছিলো, আক্রমণের সম্ভাবনা শূন্য ছিলো। পূর্ব দিক হতে আক্রমণের ঘটনাবলী তেমন না।পূর্ব দক্ষিণে আরাকান থেকে মাঝেমধ্যে আক্রমণ করলেও তা উল্লেখযোগ্য ছিলো না।পশ্চিমে রাজমহলের পাহাড়, বীরভূমের সাঁওতাল পরগনা, ঝাড়খন্ড এবং ময়ুরভঞ্জের জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা, এই পশ্চিম দিক হইতে প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশ আক্রান্ত হইত।
বাঙ্গালা নামটি মুসলমান আমলে প্রচলিত হয়, ইতিপূর্বে এই জনপদের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল। উত্তরবঙ্গ প্রথমে পুণ্ড্র, পরে বরেন্দ্র ; পশ্চিম বঙ্গ প্রথমে সুস্ম, পরে রাঢ়, পূর্ব দক্ষিণ অঞ্চল বঙ্গ এবং মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকা সমতট নামে পরিচিত ছিল।
ভারতের এই পূর্ব জনপদের রাজধানী ছিল গৌড়, মুসলিম বিজয়ের সময় নাম ছিল লক্ষণাবতী ।মুসলিম বিজয়ের পরেও প্রায় দেড়শত বছর ধরে এই জনপদের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল।সুলতান শামস উদদীন ইলিয়াস শাহ সর্বপ্রথম সমগ্র জনপদ একক শাসনাধীনে আনয়ন করলে এর নাম হয় বাঙ্গালা।তারপর থেকে বাঙ্গালা নাম প্রচলিত হয়(সময়কাল ১৩০০ থেকে ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে)।
লেখক গত সহস্রাব্দের বাংলার ইতিহাসকে সংক্ষিপ্ত করে বইটিতে সন্নিবেশিত করেছেন। বইটিতে ২০ টি অধ্যায়ে বিভক্ত করে ৩৩৪ পৃষ্ঠায় ইতিহাসের অলিগলি আলোচনা করেছেন। বইটির ইতিহাস বাংলাদেশ সম্পর্কিত ঘটনাবলী উঠে এসেছে যদিও ঘটনার পারস্পরিক অন্য কিছু তথ্য এসেছে।
লেখক একেকটি অধ্যায় একেকটি বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেছেন ।শুরু করেছেন মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে বাংলাদেশ , বখতিয়ার খলজী থেকে ইওজ খলজী, বাংলাদেশে তুর্কি শাসন, বলবানী শাসন, শামস উদ্দিন ফীরজ ও তার বংশের শাসন, তুগরল শাসন এবং স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠা, ইলিয়াস শাহী শাসন, রাজা গণেশের বংশ ,হাবশী শাসন, হোসেন শাহী বংশ ,বাংলায় আফগান শাসন, সুলতানি আমলে সমাজ ও সভ্যতা, আকবরের রাজত্বকালে বাংলায় মোঘল অভিযান, ভাটির বার ভূঁঞা ,জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে বার ভূঁঞাদের দমন ও মোঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা, সম্রাট শাহজাহানের অধীনে বাংলাদেশ , আওরঙ্গজেবের শাসনামলে বাংলাদেশ , বাংলাদেশে নবাবি আমল, মোঘল আমলে শাসনব্যবস্থার সমাজ ও অর্থনীতি, কোম্পানির শাসন বিস্তার , কোম্পানির আমলে মুসলমানদের অবস্থা, হিন্দু সমাজে সংস্কার আন্দোলন, কোম্পানি আমলে মুসলিম শিক্ষা ও পাশ্চাত্য শিক্ষা, সিপাহী বিপ্লবে বাংলার ভূমিকা।
বইটিতে সংক্ষিপ্ত আকারে ইতিহাস তুলে ধরেছে তাই পড়তে বেশি সময় লাগে নাই ।তবে বইটি পড়ে যা বুঝছি গত সহস্রাব্দে বাংলাদেশীরা সাড়ে নয়শত বছরের উপরে বহিরাগত দ্বারা শাসিত হয়েছে।শুধু মাঝখানে বার ভূঁঞার শাসনামলে নিজ দেশের স্থানীয় শাসকরা শাসন করেছে। বহিরাগত শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন , সংগ্রাম ও বিদ্রোহ করেছে কিন্তু সফলতার মুখ দেখে নাই।সফলতার মুখ না দেখার কারণ বিবিধ।

See also  (New) West Bengal Board class 2 Book PDF Download | WBBSE Class 2 Books PDF Download

হিজাব শুধু একটা জামা না।এটা একটা জীবন পদ্ধতি। যে নারী এটা পড়বে, সে তার আদর্শিক পরিচয় মানুষের সামনে তুলে ধরবে। প্রত্যেক মুসলিম মেয়েদের চেনা যায় তার সমুজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব দিয়ে। লজ্জাশীলতা ও উত্তম চরিত্র দিয়ে ।
আর এসবের বহিঃপ্রকাশ ঘটে হিজাব এর মাধ্যমে। পদানশীল মেয়েরা এই বার্তা দিয়ে যায় যে, তারা অন্যদের থেকে আলাদা। চিন্তা চেতনা, চালচলন, রুচি ও মননে তারা অনেক উঁচু মাপের। সম্ভ্রান্ত তাদের জীবনযাত্রা মানুষের অনুসরণীয় ,অনুকরণীয়।
হিজাবকে পাঠানো হয়েছে আসমানের উপর থেকে। সে তোমার সর্বক্ষণিক সঙ্গী। তোমার ঈমানী সত্তার পরিচয় বহনকারী। এটা আদর্শিক পরিচয়। তুমি কোন জীবন দর্শন অনুসারে চলো তার পরিচয় বাহক। তুমি যে মুসলিম নারী, তার প্রকাশ ঘটে হিজাব এর মাধ্যমে। হিজাব তোমার পরিচয়।
হে নবী , আপনি আপনার স্ত্রীদের কেউ কন্যাদেরকে এবং মুমিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
সূরা আহযাব, ৩৩:৫৯

মুখবন্ধ
বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই আরবদেশের বিদ্যালয়গুলোর সিলেবাসভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট; কিন্তু পাক-ভারত উপমহাদেশের মাদরাসাগুলোতে এখন পর্যন্ত বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধ হয়ে ওঠেনি। এই বিষয়টিকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে মাদরাসার পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা এবং সে বিষয়ে গবেষণা ও গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখাজোখা প্রস্তুত করা এখন সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হয়ে দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তানের খ্যাতনামা বিদ্যালয় জামিয়াতুর রশিদ আহসানাবাদ করাচি এই শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসে। সেই উদ্যোগের অধীন এই বিষয়টিকে প্রথমে ‘শরিয়াহ অনুষদে’ এবং পরবর্তীতে ‘দাওয়াহ অনুষদে’ আবশ্যিক সাবজেক্ট হিসাবে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৪২৮ হিজরিতে (২০০৭ খ্রিষ্টাব্দ) যখন ‘বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই’ বিষয়টিকে আমার দায়িত্বে দেওয়া হয় তখনও আমার জানা ছিল না যে, কখনো এই বিষয়ে আমাকে কলম ধরতে হবে! কিন্তু কয়েকদিন লেকচার দেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের তরফ থেকে দাবি আসতে থাকে যে, এই বিষয়ে উরদু ভাষায় যেন আমি কিছু রচনা করি। এর কারণ হয়তোবা ছিল, সেই সময়ে এই বিষয়ে কোনো আরবি বইপত্র পাকিস্তানে ব্যাপকভাবে পাওয়া যেত না। আর বিশেষ আগ্রহী যারা, এই বিষয়ক বইপত্রের সন্ধানের জন্য তাদের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হতো। এমতাবস্থায় এই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা ছিল স্পষ্টতই অত্যন্ত পরিশ্রমের।
যেহেতু পাঠদান প্রস্তুতির জন্য এই বিষয়ে আমার অধ্যয়নের মূলভিত্তি ছিল ‘বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই’ বিষয়ে রচিত আরবি বইপত্র সে কারণে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উরদু কোনো রচনা আমার অনুসন্ধানেরই প্রয়োজন পড়ে না। তারপরও এই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনের কথা মনে করে যখন উরদু বইপত্রের সন্ধান আরম্ভ করলাম তখন দ্রুতই আমার সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, আমাদের মাতৃভাষায় মনস্তাত্ত্বিক আগ্রাসন নিয়ে, স্বতন্ত্রভাবে এই শাস্ত্রে, কোনো রচনাই এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি। এটা অস্বীকার করি না—ইতিহাস, পত্র-পত্রিকা এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে লিখিত বইপত্র থেকে এই বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল। কিন্তু সেগুলো এমন বিক্ষিপ্ত অবস্থায় আছে যে, সেগুলোকে একটি লড়িতে উঠিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইশাস্ত্রের ছাঁচে ঢেলে পরিবেশন করা কোনো সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য, যাদের মাথার উপর আরও কয়েকটি বিষয়ের বোঝা ইতোমধ্যে তুলে দেওয়া আছে; এই সম্পূর্ণ নতুন শাস্ত্রের জন্য, তৎসংশ্লিষ্ট বইপত্র অনুসন্ধানের জন্য এত সময় বের করা তাদের জন্য একপ্রকার অসম্ভবই। এই কারণেই শরিয়াহ অনুষদের প্রিন্সিপাল মাওলানা আলতাফুর রহমান, দাওয়াহ অনুষদের পরিচালক মাওলানা ফাইয়াজ আহমদ এবং আরও কতিপয় বন্ধু-স্বজন বারবার এই অধমকে উল্লিখিত প্রয়োজন পূরণে এগিয়ে আসার জন্য তাগাদা দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি নিজেও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনের বিষয়টি অনুধাবন করে আসছিলাম। অবশেষে আমি এই বিষয়ের বিরাট কলেবরের সব গ্রন্থ নিংড়ে একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা রচনা করি, যা ‘বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের পদ্ধতি’ নামে প্রকাশিত হয়। এবং বর্তমানে জামেয়াতুর রশিদের দাওয়াহ অনুষদে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই বিষয়ে মূল টেক্সট হিসাবে পঠিত হচ্ছে।
যাই হোক, এরপরও বন্ধুদের পক্ষ থেকে তাগিদ ও প্রত্যাশা অব্যাহত থাকে। তাদের দাবি-সেই সংক্ষিপ্ত পুস্তিকাটির বিস্তার, যা আমি আমার ক্লাসরুম লেকচারে করে থাকি, যেন গ্রন্থাকারে প্রকাশ করি। ইতোমধ্যে করাচির বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স করানোর সুযোগও আমার ঘটেছে। আর কতিপয় বন্ধু সেসব কোর্সের লেকচারগুলো রেকর্ড করে রেখেছে; কেউ আবার শ্রুতিলিখনও সম্পন্ন করে উঠেছে।
বন্ধুদের বারংবারের তাগাদা শেষ পর্যন্ত কাজটির জন্য কোমর বেঁধে নেমে পড়তে আমাকে বাধ্য করে। এবং লাগাতার কয়েক মাস সেই কাজে লেগে থাকি। যদিও এই গ্রন্থটির ভিত্তি আমার রচিত ‘নজরিয়াতি জঙ্গ কে উসুল’ পুস্তিকাটি; কিন্তু নতুনভাবে কাজ করতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত এই পুস্তিকাটি আমাকে ঢেলে সাজাতে হয়। এটাও বলা যেতে পারে, ‘নজরিয়াতি জঙ্গ কে উসুল’ পুস্তিকাটি হলো মূল আর বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি তার ব্যাখ্যা।
কাজটি সম্পাদন করতে গিয়ে এই বিষয়ে বিভিন্ন বইপুস্তক, পত্র-পত্রিকা, জার্নাল, ম্যাগাজিন ছাড়াও আমার লেকচারগুলো সামনে ছিল, যা শরিয়াহ অনুষদের শিক্ষার্থী মাওলানা ইউনুস কাশ্মিরী এবং মাওলানা উজায়ের আহমাদ সিদ্দিকী এবং আরও কতিপয় বন্ধু মিলে বিন্যস্ত করেছে। এ ছাড়া ডিজিটাল মাধ্যম এবং ইন্টারনেটে সংরক্ষিত বইপত্র ও ওয়েবসাইট থেকেও উপকৃত হয়েছি। জামিয়াতুর রশিদের শরিয়াহ অনুষদের প্রিন্সিপাল মাওলানা আলতাফুর রহমান এবং দাওয়াহ অনুষদের তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা ফাইয়াজ আহমদ বইটির প্রকাশে সহায়তা করেছেন। আল্লাহ তায়ালা তাদের সকলকে দুনিয়া এবং আখিরাতে উত্তম বিনিময় দান করুন। আমিন।
ইসমাইল রেহান
সোমবার, রাত ১২টা।
২৭ মহররম ১৪৩৪, ১১ ডিসেম্বর, ২০১২

See also  (New) West Bengal Board class 7 Book PDF Download | WBBSE Class seven PDF Download

So that was the West Bengal Board class 9 Book PDF Download | WBBSE Class Nine PDF Download link. We hope you have enjoyed this.

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page