West Bengal Books PDF

(New) West Bengal Board class 4 Book PDF Download | WBBSE Class four PDF Download

Hello buddies. Today in this blog post we will share West Bengal Board class 4 Book PDF Download | WBBSE Class four PDF Download link. We hope you this will be helpful for you. So let’s get started.

West Bengal Board class 4 Book PDF Download | WBBSE Class four PDF Download

Butterfly Class (ইংরেজি বই) Class IV (English Book for Class 4)

Amar Gonit (আমার গণিত) Class IV(Mathematics Book for Class 4)

Amader Poribesh (আমাদের পরিবেশ) Class IV(Physics and Life Science Book For Class 4)

Swasthya O Sharirsiksha (স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা) Class IV(Swasthya O Sharirsiksha Book for Class 4)

Patabahar (পাতাবাহার) Class IV(Rapid Reader for Class 4) and

Bhasha Path (ভাষাপাঠ) Class IV(Bengali Text Book for Class 4)

🕋 চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয় কেন?
হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কার হারাম শরীফে গিয়েছেন,তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন- চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার
সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। কারণ, এর নেপথ্যে রয়েছে এক চমকপ্রদ ইতিহাস। ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮-২০০৮) একজন মিশরীয় প্রকৌশলী ও স্থপতি।
তিনি প্রথম প্রকৌশলী- যিনি হারামাইন (মক্কা-মদিনা) সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভার
নিজের কাঁধে তুলে নেন। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ তত্ত্বাবধান করার জন্য সৌদি বাদশাহ ফাহাদ এর সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি; মোটা অংকের চেক তিনি ফিরিয়ে দেন! তিনি বলেছিলেন, এই দু’টি পবিত্র মসজিদের কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিলে শেষ বিচারের দিনে আমি কোন মুখে আল্লাহর সামনে গিয়ে দাঁড়াবো? মক্কা-মদিনার হারাম শরীফের মার্বেলের কাজের সঙ্গে উনার জীবনের একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। উনি চেয়েছিলেন- মাসজিদুল হারামের মেঝে তাওয়াফকারীদের জন্য এমন মার্বেল
দিয়ে আচ্ছাদিত করে দিতে যার বিশেষ তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের মার্বেল সহজলভ্য ছিল না। এই ধরনের মার্বেল ছিল পুরো পৃথিবীতে কেবলমাত্র গ্রিসের ছোট্ট একটি পাহাড়ে। ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল গ্রিসে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিস্বাক্ষর করে মক্কায় ফিরে এলেন এবং সাদা মার্বেলের মজুদও চলে এলো। যথাসময়ে বিশেষ নকশায় মাসজিদুল হারামের মেঝের সাদা মার্বেলের কাজ সম্পন্ন হলো। এর ঠিক ১৫ বছর পরে সৌদি সরকার তাঁকে মাসজিদুন নব্বীর চারদিকের চত্বরও একইভাবে সাদা মার্বেল দিয়ে ঢেকে দিতে বললেন। কিন্তু ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল দিশেহারা বোধ করলেন! কেননা ওই বিশেষ ধরনের মার্বেল কেবলমাত্র গ্রিসের ওই ছোট্ট জায়গা বাদেগোটা পৃথিবীর কোথাও
পাওয়া যায় না এবং সেখানে যতটুকু ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যেই কিনে মক্কার হারাম শরীফে কাজে লাগানো হয়ে গেছে। যেটুকু মার্বেল অবশিষ্ট ছিল- সেটা মাসজিদুন নব্বীর প্রশস্ত চত্বরের তুলনায় সামান্য! ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল আবার গ্রিসে গেলেন। সেই কোম্পানির সি.ই.ও-র সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন, ওই পাহাড় আর কতটুকু অবশিষ্ট আছে? সি.ই.ও জানালেন, ১৫ বছর আগে উনি কেনার পরপরই পাহাড়ের বাকি অংশটুকুও বিক্রি হয়ে যায়! এই কথা শুনে তিনি এতটাই বিমর্ষ হলেন যে, তাঁর কফি পর্যন্ত শেষ করতে পারলেন না! সিদ্ধান্ত নিলেন- পরের ফ্লাইটেই মক্কায় ফিরে যাবেন। অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে কী মনে করে যেন অফিস সেক্রেটারির কাছে গিয়ে সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা জানতে চাইলেন যিনি বাকি মার্বেল কিনেছিলেন। যদিও এটা অনেক দুরূহ কাজ, তবু কামালের পুনঃপুন অনুরোধে সে পুরোনো রেকর্ড চেক করে জানাবে বলে কথা দিলো। নিজের নাম এবং ফোন নম্বর রেখে বেরিয়ে আসার সময় কামাল মনে মনে ভাবলেন- কে কিনেছে, ১৫ বছর
পরে তা জেনেই-বা আর লাভ কী? পরদিন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে অফিস সেক্রেটারি ফোনে জানালো, সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেছে! কামাল ধীর গতিতে অফিসের দিকে যেতে যেতে ভাবলেন- ঠিকানা পেয়েই-বা লাভ কী?মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে… অফিসে পৌঁছলে সেক্রেটারি তাঁকে ওই ক্রেতার নাম-ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা হাতে নিয়ে ড. মোহাম্মাদ
কামাল ইসমাইলের হৃম্পন্দন বেড়ে গেল, যখন তিনি দেখলেন- বাকি মার্বেলের ক্রেতা একটি সৌদি কোম্পানি! কামাল সেদিনই সৌদি আরব ফিরে গেলেন।
সেখানে পৌঁছে তিনি কোম্পানির ডিরেক্টর এডমিন-এর সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন- মার্বেলগুলো দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, যা অনেক বছর আগে গ্রিস থেকে কিনেছিলেন? ডিরেক্টর এডমিন প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলেন না। কোম্পানির স্টক রুমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন- ১৫ বছর আগে গ্রিস থেকে আনা সাদা মার্বেলগুলো দিয়ে কী করা হয়েছিল? তারা খোঁজ করে জানাল সেই সাদা মার্বেল পুরোটাই স্টকে পড়ে আছে, কোথাও ব্যবহার করা হয়নি! এই কথা শুনে কামাল শিশুর মতো ফোঁপাতে শুরু করলেন।
কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি পুরো ঘটনা কোম্পানির মালিককে খুলে বললেন। ড. কামাল ওই কোম্পানিকে সৌদি সরকারের পক্ষে একটি ব্লাংক চেক দিয়ে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে নিতে বললেন। কিন্তু কোম্পানির মালিক যখন জানতে পারলেন – এই সাদা মার্বেলে রাসূল (সা.)-এর মসজিদ চত্বর বাঁধানোর জন্য ব্যবহৃত হবে, তৎক্ষণাৎ তিনি এর বিনিময় মূল্য নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাকে দিয়ে এটা কিনিয়েছিলেন আবার তিনিই আমাকে এর কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন; কেননা এই মার্বেল রাসূল (সা.)-এর মসজিদের উদ্দেশ্যেই এসেছে! আর এভাবেই আমরা আজকের এই মক্কা এবং মদিনা পেলাম! এর নেপথ্যে যারা আছেন, আল্লাহ রাব্ববুল আলামীন তাদেরকে উত্তম জাযা দান করুন, আমীন.

See also  (New) West Bengal Board class 5 Book PDF Download | WBBSE Class Five PDF Download

রবার্ট লুই স্টিফেন বলতেই ভিন্ন স্বাদের কিছু। তাঁর তুলনা শুধু তিনি নিজেই। তাঁর লেখা কালজয়ী সায়েন্স ফিকশন ও এডভেঞ্চার কাহিনি গুলো আজও পাঠকের মস্তিষ্কে রোমাঞ্চের ঝড় তুলে। তার লেখা বই গুলো সবধরনের পাঠকদেরই সহজে বোধগম্য হয়। যেমনটা বর্তমানে সচরাচর দেখা যায় না। ট্রেজার আইল্যান্ড থেকে শুরু করে ড.জেকিল ও মিস্টার হাইড। কোনোটাই কোনোটার চাইতে কম যায় না। একটা মানুষের পক্ষে এতগুলো মাস্টারপিস তৈরি করা খুব কম মানুষের পক্ষেই সম্ভব। আর সেই মানুষ গুলোর কাতারে দৃঢ়ভাবে আসন পেতে বসে আছেন রবার্ট লুই স্টিফেন।
লেখক সম্পর্কে বেশি কিছু আমার বলার নেই। রবার্ট লুই স্টিফেনকে চিনে না সাহিত্য অনুরাগী এই ধরায় আছে কি-না? সেই বিষয়ে আমার মনে সন্দেহ আছে। তাই লেখক সম্পর্কে বলে কালক্ষেপণ করার কোনো প্রয়োজন বোধ করছি না। সরাসরি চলে যাচ্ছি তার লেখা এক রোমাঞ্চকর অভিযানে।
“কিডন্যাপড।” হ্যাঁ,বলতে চাইছি রবার্ট লুই স্টিফেনের লেখা কিডন্যাপডের কথা। কিডন্যাপ এর শাব্দিক অর্থ যে অপহরন সেটা তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রবার্ট লুই স্টিফেনের লেখা কিডন্যাপড বইতে কে কাকে অপহরণ করলো? সেই প্রশ্নের উত্তর যে আমি দিবো না সেটা হয়তো আপনারা বুঝতেই পারছেন। কারন সবটা যদি আমি বলে দেই তাহলে আপনারা পড়বেন কী? তবে হতাশ হবার কিছুই নেই। আপনাদের সুবিধার্থে আমি আজও যথারীতি হালকা স্পয়লার দিবো।
অতএব,
স্পয়লার এলার্ট⚠️
সময়টা ১৭৫১ সালের জুন। মাত্র দু-মাস আগেই সামান্য কিছু দিনের ব্যাবধানে মা ও বাবাকে হারিয়েছে ডেভি ব্যালফোর নামক ১৭ বছর বয়সী ছেলেটি। ভাগ্যের সন্ধানে এখন তাকে ছেড়ে যেতে হচ্ছে নিজের বাড়ি। যে বাড়িতে সে তার বাব-মা’র সাথে একসাথে থেকেছে সেই জন্ম থেকে। বিষয়টা অত্যন্ত কষ্টকর হলেও কিছু করার নেই ডেভির। যেতে তো তাকে হবেই। বাড়ি ছেড়ে যাবার সময় এক প্রতিবেশির কাছ থেকে সে তার বাবার লেখা একটা চিঠি পেলো। যেটা তার বাবা মৃত্যুর আগে সেই প্রতিবেশির কাছে গোচ্ছিত রেখেছিলো। আর অসিয়ত করে গিয়েছিলো,তার মৃত্যুর পর যেনো তার ছেলে এই চিঠিটা শ’বাড়িতে থাকা এবনের বেলফেরের কাছে পৌছে দেয়। যে কি না সম্পর্কে ডেভির চাচা। বাবার অসিয়ত রক্ষার্থে এবং নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সম্ভাবনায় ডেভি সেই চিঠিটা নিয়ে গেলো তার চাচার কাছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে সে মুখোমুখি হলো ভয়ানক বিপদের। আর সেখান থেকেই শুরু এক রোমাঞ্চকর অভিযানের। একের পর এক বিপদ,সম্ভাবনা আর ইঁদুর-বিড়াল দৌড়ের মধ্যে দিয়ে যায় এই রোমাঞ্চকর কাহিনি। তবে কী আছে এই কাহিনির শেষে?
না, আমার কাছ থেকে এতটা আশা করে লাভ নেই। আমি কখনোই বলবো না যে কাহিনির শেষে কী আছে? সেটা খুঁজে নেয়াটা একান্তই আপনাদের দ্বায়িত্ব। আজ আমি আর বেশিদূর অবধি যাচ্ছি না, এখানেই শেষ।
ধন্যবাদ।

See also  (New) West Bengal Board class 2 Book PDF Download | WBBSE Class 2 Books PDF Download

Today we have shared the West Bengal Board class 4 Book PDF Download | WBBSE Class four PDF Download link. We hope you have enjoyed this.

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page