West Bengal Books PDF

(New) West Bengal Board class 11 Book PDF Download | WBCHSE Class XI PDF Download

Hello buddies. Today we will share the West Bengal Board class 11 Book PDF Download | WBCHSE Class XI PDF Download link. We hope you will enjoy this.. So let’s get started.

West Bengal Board class 11 Book PDF Download | WBCHSE Class XI PDF Download

A Text-Book of English (B) (ইংরেজি বই) Class XI (English Book for Class 11),

Sahitya Chorcha (সাহিত্যচর্চা) Class XI (Bengali Text Book for Class 11),

Bangalir Bhasha O Sanaskriti (বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি) Class XI

কলাম: প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা
লেখক: মোঃ সজিব মিয়া
পৃথিবীর মাঝে প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা প্রতি নিয়তো বৃদ্ধি পাচ্ছে, এর ফলে পৃথিবীর মাঝে অসংখ্য রকমের ক্ষতি হচ্ছে।
পৃথিবীর মাঝে প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ার অনেক গুলো কারণ রয়েছে। অন্যতম কারণ গুলোর মধ্যে একটি হলো, শিল্প কারখানা।
এই পৃথিবীর মাঝে যতো দিন যাচ্ছে, ততো বেশি জনসংখ্যার হার বৃদ্ধি হচ্ছে। এই জন্য প্রতিটি মানুষের বিভিন্ন রকমের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকল ধরনের চাহিদা পূর্রণ করার জন্য, এই পৃথিবীর মাঝে অনেক মানুষেরা বিভিন্ন রকমের অসংখ্য শিল্প কারখানা তৈরি করেছে। প্রতিটি শিল্প কারখানার মাঝে প্রতি নিয়তো অনেক রকমের পূর্ণ উৎপাদন করা হচ্ছে। এই জন্য আস্তে আস্তে মানুষের চাহিদা গুলো পূরণ হচ্ছে।
কিন্তুু এই শিল্প কারখানার জন্য প্রতি নিয়তো প্রকৃতির অনেক ক্ষতি হচ্ছে।
প্রকৃতির মাঝে বায়ু, পানি, মাটি ইত্যাদি রয়েছে।
প্রতিটি শিল্প কারখানা সঠিকভাবে সচল রাখতে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। যেমন: তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি। এই সকল কিছু ব্যবহার করার ফলে, প্রকৃতির অনেক ক্ষতি হচ্ছে।
শিল্প কারখানায় পূর্ণ উৎপাদনের সময় বিভিন্ন রকমের ক্ষতিকর গ্যাস, ধূলিকণা, ধৌঁয়া ইত্যাদি বায়ুতে মিশে যাচ্ছে। এই জন্য বায়ু দূষিত হচ্ছে। এই বায়ু দূষণের জন্য সমাজের মাঝে বসবাসরত অনেক মানুষ শারীরিক ভাবে অসুস্থ হচ্ছে। অনেক মানুষ ফুসফুসের ক্যান্সার, শ্বাসজনিত রোগ সহ আরো বিভিন্ন রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষের মৃত্যুও হয়েছে।
শিল্প কারখানায় পূর্ণ উৎপাদনের শেষে অনেক আবর্জনা থাকে। সে আবর্জনার মাঝে অনেক রকমের ক্ষতিকর পদার্থ থাকে। সে আবর্জনা অনেক সময়, বিভিন্ন রকমের অনেক নদী-নালা, খাল-বিল ইত্যাদি পানির মধ্যে মিশে যায়। মিশে গিয়ে পানি দূষিত হচ্ছে। এই পানি দূষণের জন্য মানুষ ও অন্য প্রাণীদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। পানি দূষণের ফলে জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। পানি দূষণের জন্য মানুষ শারীরিক ভাবে অনেক অসুস্থ হচ্ছে। অনেক মানুষ এই পানি দূষণের কারণে, বিভিন্ন রকমের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রাক্ত হয়ে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
অনেক শিল্প কারখানার সকল ভারী আবর্জনা গুলো সরাসরি মাটিতে ফেলে রাখা হয়৷ সে আবর্জনার মাঝে অনেক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে। রাসায়নিক পদার্থ গুলো আস্তে আস্তে মাটির সাথে মিশে যায়। মিশে গিয়ে মাটি দূষিত হচ্ছে। এই মাটি দূষণের জন্য, মাটির উর্বরতা নষ্ট ও কৃষি জমির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। মাটি দূষণের জন্য কৃষি জমির মাঝে ফসল উৎপাদন এর পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এই জন্য মানুষের খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে।
পৃথিবীর মাঝে এই শিল্প কারখানা ছাড়াও আরো অনেক কিছুর জন্য ,প্রতি নিয়তো প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে, প্রকৃতির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। প্রকৃতির ক্ষতির ফলে মানুষ ও অন্য প্রাণীদের জীবনের অনেক ক্ষতি হচ্ছে।
পৃথিবীর মাঝে প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা যতো বেশি পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। ততো বেশি পরিমাণ গরম আবহাওয়া সৃষ্টি হবে। এই গরম আবহাওয়ার জন্য পৃথিবীর মাঝে অনেক ক্ষতি হবে। পৃথিবীর যে সকল জায়গায় সারাবছর বরফ দিয়ে ঢাকা থাকে। সে বরফ আস্তে আস্তে গলে যাবে। বরফ গলে গিয়ে বিভিন্ন মহাসাগর, সাগর, সমুদ্র, নদীর পানিতে মিলিত হবে। মিলিত হয়ে, এই সকল স্থানের পানির উচ্চা বৃদ্ধি পাবে। এই পানির উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য, পৃথিবীর নিচু স্থান গুলো পানির তলে চলে যাবে। সে নিচু স্থানের মাঝে যে সকল মানুষ বাসবাস করতো। তারা তাদের বাসস্থান হারাবে, তাদের জীবনের অনেক ক্ষতি হবে।
বর্তমানে প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য, পৃথিবীর অনেক জায়গার বনাঞ্চলের মাঝে দাবানল সৃষ্টি হচ্ছে। ( দাবানল হলো: আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক ভাবে আগুন লেগে যায়, সে আগুন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে )। এই দাবানল এর জন্য পৃথিবীর অনেক বনাঞ্চল নষ্ট হয়েছে । সে বনাঞ্চলের মাঝে অসংখ্য পাছপালার অনেক ক্ষতি হয়েছে। গাছপালার পাশাপাশি অসংখ্য রকমের অনেক পশু-পাখির জীবনের ক্ষতি হয়েছে। এই দাবানলের জন্য পৃথিবীর মাঝে অক্সিজেন এর পরিমাণ কমে যাচ্ছে ও কার্বনডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও আরো অনেক কাজ-কর্মের জন্য, পৃথিবীর মাঝে অক্সিজেন এর পরিমাণ কমে যাচ্ছে ও কার্বনডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বৃদ্ধির জন্য প্রকৃতি, মানুষ ও অন্য প্রাণীদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে।
পৃথিবীর মাঝে প্রতি নিয়তো জনসংখ্যার হার বৃদ্ধির জন্য, আস্তে আস্তে খাদ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই খাদ্যের চাহিদা পূরণ করার জন্য, পৃথিবীর মাঝে অসংখ্য কৃষক কৃষি জমির মাঝে বিভিন্ন রকমের খাদ্য উৎপাদন করে যাচ্ছে। পৃথিবীর মাঝে অনেক ফসল আছে যেগুলো সারাবছর উৎপাদন করা হয়। আবার কিছু ফসল আছে সারাবছর উৎপাদন করা যায় না। আবার অনেক ফসল আছে, যে ফসল গুলো আবহাওয়ার তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে উৎপাদন করা হয়ে থাকে। কিন্তুু প্রাকৃতিক আবহাওয়া তাপমাত্রার বৃদ্ধির জন্য, আস্তে আস্তে কৃষি জমি থেকে খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এই খাদ্য উৎপাদন কমার জন্য মানুষের জীবনের অনেক ক্ষতি হচ্ছে, তারা শারীরিক ভাবে অসুস্থ হচ্ছে ও অনেক ধরনের পুষ্টি হীনতায় ভুগছে।
পৃথিবীর মাঝে মহাসাগর, সাগর, সমুদ্র, নদী ইত্যাদি রয়েছে। এই সকল স্থানের মাঝে নাম জানা-অজানা অনেক প্রজাতির মাছ রয়েছে। মাছ মানুষের খাদ্যের অনেক চাহিদা পূরণ করে থাকে। মাছ মানুষের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কিন্তুু আবহাওয়ার তাপমাত্রার বৃদ্ধির জন্য, এই সকল স্থানের পানির লবণাক্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই জন্য সকল স্থানের মাছের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আবার অনেক প্রজাতির মাছ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
এই পৃথিবীর মাঝে প্রাকৃতিক আবহাওয়া তাপমাত্রা যতো বেশি হারে বৃদ্ধি পাবে। ততো বেশি হারে প্রকৃতি, মানুষ ও অন্য প্রাণীদের অনেক ক্ষতি হবে।
এই প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা যেন আর বৃদ্ধি না হয়, বরং আস্ত আস্তে কমে যায়। সে জন্য, এই প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রা কমানোর অনেক গুলো উপায় রয়েছে। সে উপায় গুলোর মাঝে একটি হলো, কার্বনডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ কমানো ও অক্সিজেন এর পরিমাণ বাড়ানো। এই পৃথিবীর মাঝে কার্বনডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ যতো বেশি হারে কমানো যাবে ও অক্সিজেন এর পরিমাণ যতো বেশি হারে বাড়ানো যাবে। ততো বেশি প্রকৃতি, মানুষ ও অন্য প্রাণীদের জন্য অনেক ভালো হবে।
এই পৃথিবীর মাঝে একমাত্র গাছই কার্বনডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ও অক্সিজেন ত্যাগ করে থাকে। এই পৃথিবীর মাঝে যতো বেশি গাছ রোপন করা যাবে। সে গাছের যত্ন নেওয়া ও রক্ষা করা যাবে। ততো বেশি পৃথিবীর মাঝে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। এতে করে প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রার বৃদ্ধি হওয়ার পরিমাণ কমানো যাবে।
পৃথিবীর মাঝে যে সকল কাজ কর্মের জন্য, কার্বনডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। সে সকল কাজ কর্ম গুলো মানুষের নিয়ন্ত্রণের মাঝে এনে, আস্তে আস্তে কমাতে হবে।কার্বনডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ কমানোর অনেক গুলো উপায় রয়েছে। সে গুলো হলো, শিল্প কারখানা মাঝে কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি ইত্যাদি ব্যবহার বাড়াতে হবে। মাটি, পানি, বায়ু দূষণের প্রভাব আস্তে আস্তে কমাতে হবে।আরো অনেক বিভিন্ন রকমের উপায় রয়েছে। সে উপায় গুলো সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বনডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমাতে হবে।
পৃথিবীর মাঝে এই প্রাকৃতিক আবহাওয়ার তাপমাত্রার পরিমাণ যতো বেশি কমবে, ততো বেশি প্রকৃতি মানুষ ও অন্য প্রাণীদের জন্য অনেক ভালো হবে।

মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্‌ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী সংবাদপত্র দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
১৯৫০-এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে মাহমুদ একজন। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্যও খ্যতি অর্জন করেছিলেন।
আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতৃপ্রদত্ত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদার নাম আব্দুল ওহাব মোল্লা যিনি হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাই স্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড হাই স্কুলে পড়ালেখা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। আল মাহমুদ বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিনি মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যান, বৈষ্ণব পদাবলি, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল প্রমুখের সাহিত্য পাঠ করে ঢাকায় আসার পর কাব্য সাধনা শুরু করেন এবং ষাট দশকেই স্বীকৃতি ও পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন।
১৯৫৪ সাল অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স থেকে তার কবিতা প্রকাশ পেতে থাকে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকা এবং কলকাতার নতুন সাহিত্য, চতুষ্কোণ, ময়ূখ ও কৃত্তিবাস ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে ঢাকা-কলকাতার পাঠকদের কাছে তার নাম পরিচিত হয়ে ওঠে এবং তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩) সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। এরপর কালের কলস (১৯৬৬), সোনালি কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে উঠো (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে প্রথম সারির কবি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল।
তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার নগরকেন্দ্রিক প্রেক্ষাপটে ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহকে তার কবিতায় অবলম্বন করেন। নারী ও প্রেমের বিষয়টি তার কবিতায় ব্যাপকভাবে এসেছে। উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হিসেবে নারীর যৌনতা, আকাঙ্ক্ষা ও ভোগের লালসাকে তিনি শিল্পের অংশ হিসেবেই দেখিয়েছেন। আধুনিক বাংলা ভাষার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততায় আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ তার অনন্য কীর্তি।
১৯৬৮ সালে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ নামে দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার সবচেয়ে সাড়া জাগানো সাহিত্যকর্ম সোনালি কাবিন। ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ তার কবিতায় বিশ্বস্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস উৎকীর্ণ হতে থাকে; এর জন্য তিনি প্রগতিশীলদের সমালোচনার মুখোমুখি হন। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস “কবি ও কোলাহল”। কোনো কোনো তাত্ত্বিকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিশ্বাসগ্রস্ততার কারণে তার বেশকিছু কবিতা লোকায়তিক সাহিত্যদর্শন দৃষ্টান্তবাদ দ্বারা অগ্রহণযোগ্য। তবে একথাও সত্য, কবিতায় দর্শন থাকে, কিন্তু দর্শন দ্বারা কবিতা নিয়ন্ত্রিত নয়, কবিতা আবেগের কারবার।
পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন অনেক। যা মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)
জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২)
হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)
কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার
ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬)
একুশে পদক (১৯৮৬)
নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০)
ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪)
লালন পুরস্কার (২০১১)
বাসাসপ কাব্যরত্ন (২০১৭)
আজ ১১ জুলাই কবি আল মাহমুদের জন্মদিনের তার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।

See also  (New) West Bengal Board class 2 Book PDF Download | WBBSE Class 2 Books PDF Download

Today we have shared the West Bengal Board class 11 Book PDF Download | WBCHSE Class XI PDF Download link. We hope you have enjoyed this.

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page