Sadat hossain Book PDF Download

(New) Sadat Hossain books pdf free download | সাদাত হোসাইন বই PDF Download

আজকে আমরা আপনাদের অতি অনুরোধের বই Sadat Hossain books pdf free download | সাদাত হোসাইন বই PDF Download লিংক নিয়ে এসেছি।

Sadat Hossain books pdf free download | সাদাত হোসাইন বই PDF Download

নির্বাসন সাদা হোসাইন PDF | Nirbason Sadat hossain pdf download
🚩

https://drive.google.com/file/d/1ltC8fE_5f3cKgIw5SJQ5X5il4uB1hGS0

আরশিনগর সাদাত হোসাইন PDF | Arsinagar sadat hossain pdf download
🚩

https://drive.google.com/file/d/1JNHtdiW6GAr5_m-YBRVttzZYpSbUrXmH

নিঃসঙ্গ নক্ষত্র সাদাত হোসাইন PDF | Nissonggo Nokkhotro sadat hossain pdf download
🚩

https://drive.google.com/file/d/19fEV1HlmBfoev70qs0HS-SEVBaPwAs8o

মানবজনম সাদাত হোসাইন PDF | Manobjonom sadat hossain pdf download
🚩https://drive.google.com/file/d/1f-2Zf5n8bbNm4GVZGs0TzoTmG27h5xr6

জানালার ওপাশে Janalar Opase pdf download

https://drive.google.com/file/d/1PTqx_zNu5sp5y8PGvncH_ZmSo1EzNhxh

মেঘের দিন Megher din pdf download
🚩https://drive.google.com/file/d/1x2i9c-Iwe8J2YLjD8kQWu2UNMePH7QkY

আমার আর কোথাও যাবার নেই Amar Ar Kothao Jabar Ner pdf download

https://drive.google.com/file/d/1E8jeugLVKrFweB2pZNJZshltJE4Y90dM

মরণোত্তম Moronottom pdf download
🚩https://drive.google.com/file/d/1BVjMW887A5iW3AEsvX-RkwsUhYKqcdEn

বুক রিভিউ
নাম : সৃতিগন্ধা
লেখক: সাদাত হোসাইন
প্রকাশন : অন্যধারা
পৃষ্ঠা : ৩২০
প্লট : সাদাত হোসাইন এর বই দেখে বন্ধুর থেকে পড়তে নিয়েছিলাম অনেক বেশি আগ্রহের সাথে। কারণ সাদাত হোসাইন এর নির্বাসন টা অনেক দারুণ ছিলো তাই। কিন্তু এই বইটা আমার ধারণায় এক বালতি পানি ঢেলে দিয়েছে। সম্পূর্ণ অহেতুক আর অবাস্তব একটা প্লট যার কোনো ভিত্তি নাই। হিন্দু মেয়ে ‘পারু’ আর মুসলমান ছেলে ‘ফরিদের’ ভালোবাসা নিয়ে বইটা লেখা।
ভালোলাগা : একটা বুক রিভিউতে এই ভালোলাগা অংশটা আনতে হয় বলে আনলাম। কিন্তু এই বইটাতে ভালোলাগার কিছু তো নেই। না আছে সমাজের জন্য কিছু শিক্ষা বা কিছু বার্তা। হ্যা একটা দিক ভালো যে বাবা তার মেয়েকে কতোটা ভালোবাসতে পারেন, পারুর বাবা মহিতোষ মাষ্টার যেনো তারই উজ্জ্বল উদাহরণ। আর কিছু কবিতা ছিলো যেটা সাদাত হোসাইন এর বইতে সাধারণত থাকে। আমি কবিতা পছন্দ করি তাই সেগুলো ভালো লেগেছে।
সমালোচনা : কি আর বলবো! এতো অবাস্তব প্লটের বই নিয়ে সমালোচনা কোন দিক নিয়ে লিখবো সেটাই ভাবার বিষয়। গল্পের না আছে কোনো সুন্দর গতিশীলতা আর না আছে বাস্তবতা। একটা মুসলমান ছেলে আর একটা হিন্দু মেয়ে একে অপরকে সব উজাড় করে ভালোবাসছে। যেখানে তারা জানে যে এর কোনো ভালো পরিণতি নেই। এটা তো আর ৮ম শ্রেণীর বাচ্চাদের প্রেম কাহিনী বা ফ্যাসিনেশন না, যে যা মন চায় করলাম। আমরা সমাজে থাকি। “মানুষ সামাজিক জীব” লেখক যেনো সেই চিরাচরিত কথাকে ভুল প্রমান করতে চাচ্ছেন।
বর্তমানের লেখক বা লেখিকারা ভালোবাসা ছাড়া আর কোনো প্লট যেনো চিন্তাই করতে পারেন না( তবে আমি সবার কথা বলছি না)। কিন্তু আফসোসের বিষয় হচ্ছে যে সেই ভালোবাসা আসলে কাকে বলে তারা সেটাই ঠিকমতো জানেন না। ভালোবাসার আধিক্যতা বোঝাতে গিয়ে, ভালোবাসাকে সম্পূর্ণ বিকৃত করে দিচ্ছেন। যা মনে আসছে তাই লিখে দিচ্ছেন। কোনো রকমের বাছবিচার নাই। অদ্ভুত খুবই অদ্ভুত!!
আমরা সাধারণত উপন্যাস পড়ি সময় অতিবাহিত করার জন্য। তবে উপন্যাস থেকে কিছু শেখার আশা বা কিছু ভালো বার্তা সমাজের প্রতি বা জীবনের প্রতি অবশ্যই আশা করি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে, এই সমস্ত বই থেকে আমরা আসলে কি পাবো যেখানে একটা হিন্দু মেয়ের সাথে একটা মুসলমান ছেলের ভালোবাসার সম্পর্ক দেখানো হচ্ছে। এর থেকে সমাজ আসলে কি শিখবে এটা অন্তত আমার বোধগম্য নয়। আর এই সমস্ত বই থেকে কোন সমাজেরই ভালো কিছু শিখার নাই। না আছে মুসলিম সমাজের আর না আছে হিন্দু সমাজের।
উপসংহার : যদি কেউ বলে থাকেন এদের লেখা পড়ার দরকার নাই। না পড়লেই তো হয়। কিন্তু কথা হলো যদি আমরা বা যারা বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি তারা যদি ভাবা বা পড়া বন্ধ করে দেই, তাহলে যারা না ভেবে পড়ে তাদের কাছে কতোটা ভুল বার্তা পৌঁছাবে তা নিশ্চয় বলার অপেক্ষা রাখে না।
বি: দ: আমি কোনো ধর্মকে ছোট করে কোনো কিছু বলি নি আর বলার চেষ্টাও করিনি। আমার কথা হলো যা সমাজ মানবে না বা সমাজ ভালো চোখে দেখবে না এমন কনটেন্ট আমি সমাজে কেনো আনবো যা পুরোটাই অবাস্তব ও অবান্তর। কারণ দিনশেষে আমরা সামাজিক জীব। আর সমাজের দিকেই ফিরে আসতে হবে।
ধন্যবাদ।

বুক রিভিউ
বই: নির্বাসন
লেখক: সাদাত হোসাইন
মুল্য: (অযৌক্তিক)
লেখকের নাম দেখে আগ্রহ হচ্ছে? সেই আশার গুড়ে বালি। আমি শুধু বইটা নিয়েই কথা বলব। লেখক আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না।
দুর্বল গদ্য আর সবল আবেগ, মিশ্রণে যা এসেছে তার নাম “নির্বাসন”। শক্তিশালী গদ্যের আশা ছেড়ে দিন, আবেগই আসল জিনিস।
বাবা-ছেলের আবেগ, বাবা-মেয়ের আবেগ, দাদা-নাতনীর আবেগ, প্রেমিক-প্রেমিকার আবেগ, মা-সন্তানের আবেগ, প্রিয়জনের কাছে থাকার আবেগ, প্রিয়জন থেকে দুরে থাকার আবেগ সবগুলোই পাবেন একটি বইয়ে। আর কী চাই?
এই সম্পর্কগুলো আবেগের সম্পর্ক, এটা অস্বীকার করতে পারবেন?
ছোটবেলায় যদি বিটিভিতে বাপ্পারাজের কান্নার দৃশ্য দেখে কোনো কিছু না বুঝেও আমার মতো আপনারও চোখ বেয়ে হুড়হুড় করে পানি নেমে আসে। আবেগে বুকটা ভারী হয়ে যায়। তাহলে বইটা আপনার জন্য। আবেগ কিন্তু খুব চলে, বুঝলেন!
কাহিনী সংক্ষেপ:
আশির দশকের শেষদিক। স্বৈরশাসক এরশাদ কাকা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রচুর চেষ্টা করছেন। প্রশাসন ব্যস্ত আছে সরকারকে তুষ্ট করতে। আর এই সুযোগে সুযোগসন্ধানী অপরাধীরা পেয়ে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে অপরাধ করার সুযোগ।
লোকালয় থেকে বহু দূরে দুর্গম জলরাশির ভেতরে লস্কর চর। সেখানে বংশানুক্রমে লস্কর ডাকাতরা বাস করে। তাদের বর্তমান সর্দার তোরাব আলী লস্কর। জোহরা নামের একটি কিশোরী তোরাব আলী লস্করের বাবা-মা হারা নাতনী।
লস্কর চরের ডাকাতরা ডাকাতি করে বেড়ায় আশেপাশের নদীগুলোতে চলাচল করা যানবাহনে এবং নদীতীরের গঞ্জে। বর্তমানে লস্কর চরে দেখা দিয়েছে কলেরার প্রাদুর্ভাব। সাথে আছে নগদ টাকা-পয়সারও অভাব।
তোরাব আলী লস্কর তাই তিন গঞ্জের তিনজন বড় ব্যবসায়ীর কাছে নগদ টাকার ব্যবস্থা করে রাখতে চিঠি দিলেন। টাকা তিনি কষ্ট করে ডাকাতির মাধ্যমেই বুধবার রাতে নিতে আসবেন। তবে সেই বুধবার রাতটা ইদের আগে নাকি ইদের পরে সেটা বলেননি।
চিঠি লিখে দিয়েছিল চরের একমাত্র লেখাপড়া জানা মানুষ জোহরা। সে নিজে নিজেই লেখাপড়া শিখেছে। ব্যাপারটাতে তোরাব আলী লস্কর বেশ বিস্মিত হয়েছেন, আমিও হয়েছি!
আচ্ছা, কারো সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে কী করে লেখাপড়া শেখা যায়!? থাক, আমি এতো লজিক খুঁজি না।
তিন চিঠির একখানা পেলেন আজাহার খন্দকার। চিঠি পৌছানোর সময়টাতে তিনি অবশ্য ঢাকায় ছিলেন। তার বড় ছেলে মনসুর ঢাকা মেডিকেলের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। দেশজুড়ে চলা গন্ডগোল থেকে ছেলেকে বাঁচাতে তিনি তাকে গ্রামের বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।
ফিরে এসেই তিনি চিঠিখানা পেলেন। চিঠিতে সুন্দর করে একটা সালাম এবং কুৎসিত করে একটা হুমকি থাকার পরও তিনি পুলিশকে খবর দিলেন। ডাকাতদের যেহেতু টাকাপয়সার টানাটানি চলছিলো তাই বেশিদিন অপেক্ষা করতে হলনা। দুইজন জীবিত ডাকাত ধরা পড়ল এবং একজন পুলিশের পুরোনো বন্দুকের গুলি খেয়ে মারা গেল।
বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে মনসুর পড়ে গেল কণার প্রেমে। কণা ইন্টারের ছাত্রী। মনসুরের কবিতার ছন্দে সে বিমোহিত। নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা পেরিয়ে তাদের শুভ বিবাহও সম্পন্ন হয়ে গেল। এই অংশের প্রতিটা দৃশ্যে, প্রতিটা সংলাপে আপনি শিহরিত হবেন। আবেগে কেঁপে উঠবেন। নোনা পানিতে ভরে উঠবে আপনার চোখ।
ওদিকে লস্কর চরে জোহরা হয়ে উঠেছে দাদার চাইতেও শক্তিশালী। প্রথমবার সে পুলিশের কাছে ধরা পড়া ডাকাত দুজনকে কৌশল করে ছিনিয়ে নিল। পরেরবার এসে একজন পুলিশকে করল ক্ষতবিক্ষত। এরপরে আবার এসে পুলিশের ওসিকে নিজের থানাতেই বন্দী করল। পুলিশকে দিয়ে বিক্রি করালো নিজেদের মাছ। যাবার সময় পুড়িয়ে দিয়ে গেল আজাহার খন্দকারের পাটের আড়ত।
এই ঘটনার পর থেকে পুলিশও একটু নড়েচড়ে বসলো। জোহরা আর ডাকাতদলকে শায়েস্তা করার জন্য তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু গহীন লস্কর চরে যেতে তাদের সাহসে কুলালো না।
পাঠের আড়ত হারিয়ে খন্দকার পরিবারে নেমে এলো কঠিন দুর্ভোগ। আজাহার খন্দকার আর মনসুরের তখন দিশেহারা অবস্থা। এরই মাঝে কণার পেটে এল প্রথম সন্তান।
বিয়ের পরে কণা আর বাপের বাড়ি যায়নি। তাই বাবা-মাকে সন্তান আগমনের সুসংবাদ জানাতে সে মনসুরের স্কুলপড়ুয়া ছোটভাইকে সাথে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায়। কথা হয় সপ্তাহখানেক পর মনসুর গিয়ে তাকে নিয়ে আসবে।
কিন্তু মনসুরের আর শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হল না। নদীতে পাওয়া গেল তার ক্ষতবিক্ষত লাশ। অল্প বয়সে কণা হল বিধবা।
দূরের লস্কর চরে একটি মানুষ জীবিত থেকেও মৃত মানুষের জীবন কাটাচ্ছে। তার বুকভরা শুধু কষ্ট আর কষ্ট। ডাকাতদের এই চরে সে কাটাচ্ছে তার নির্বাসনের দিন।
আর বলব না। ৩৭৬ পৃষ্ঠার বইয়ের ২৬৫ পৃষ্ঠার কাহিনী ইতিমধ্যেই বলে ফেলেছি। বাকীটুকুও বলে ফেললে যারা বইটা পড়বে বলে ঠিক করেছে তারা গালিগালাজও করতে পারে।
বইটাতে কাহিনী এবং আবেগ ছাড়া আর কিছু খুঁজতে যাবেন না। শিক্ষনীয় কিছু খুঁজতে চাইলে এই বই বাদ দিন।
আরেকটা কথা, হুমায়ুন আহমেদ যখন বেঁচে ছিলেন তখন উনার লেখাকে কিছু লোক নিম্নমানের গদ্য বলত। এখন সম্ভব হলে আমি তাদেরকে এই বইটা পড়তে বলতাম। যাইহোক, আমি আবেগী মানুষ। শক্তিশালী গদ্য দিয়ে আমার কী কাজ!
আবেগের বশে রেটিংটা হয়তো বাড়াবাড়ি রকমের দিয়ে ফেলবো, তাই রেটিং দিলাম না। বই পড়ে যার যার ইচ্ছেমতো দিয়ে দিবেন।

বুক রিভিউ-সাদাত হোসাইন।
লেখা-সাদিয়া আফরিন।
এই পর্যন্ত সাদাত হোসাইনের লেখা যে সাতটি উপন্যাস আমার পড়া হয়েছে-
১.নির্বাসন
২.মানবজনম
৩.নিঃসঙ্গ নক্ষত্র
৪.মরণোত্তম
৫.মেঘেদের দিন
৬.ছদ্মবেশ
৭.শেষ অধ্যায় নেই
আমি প্রতিটি বইয়ের রিভিউ দেওয়া চেষ্টা করেছি নিজের মতো করে। সম্পূর্ণ পড়ার পর মন্তব্য করবেন আশা করছি।
নির্বাসন-
“নির্বাসন” বইটি পড়ার মাধ্যমেই সাদাত হোসাইনের লেখনীর সাথে আমার প্রথম পরিচয়।সত্যি কথা বলতে – নির্বাসন বইটি পড়ে সাদাত হোসাইনের অন্ধভক্ত হয়ে গিয়েছিলাম আমি।এতো সুন্দর লেখনী!সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।পাশাপাশি এ কথাও সত্যি কিছু ক্ষেত্রে তিনি এক কথা বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে কলেবর বৃদ্ধি করার চেষ্টা করেছেন।কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে, এই বর্ধিত লাইনগুলোর জন্যই উপন্যাসটির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে।
“নির্বাসন” বইটি পড়া শেষ করেছিলাম একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে।সেজন্যই পরবর্তীতে ছদ্মবেশ,মরণোত্তম এই দুইটি বই কিনে পড়া শুরু করি।এখন রিভিউতে যাচ্ছি।
ছদ্মবেশ-
এটি সাদাত হোসাইনের লেখা প্রথম রহস্য উপন্যাস।এক্ষেত্রে আমি বলবো-উপন্যাসের শুরুর দিকটার বেশ ভালো ছিলো।কিন্তু মাঝখানের দিকে মনে হচ্ছিলো ঘটনাপ্রবাহ চলছিলো কিছুটা ঢিমেতালে।তবে শেষের দিকে সেই ভাবটা যদিও চলে গিয়েছিলো।কিন্তু তখন তিনি একবারেই খুব বেশি ইনফরমেশন একসাথে দিয়ে ফেলেছেন।কিছু ঘটনার হালকা আভাস শুরুর দিকে অথবা মাঝখানে দিয়ে রাখা উচিত ছিলো। তাহলে হয়তো শেষের দিকে সেই জটগুলো খোলার সময় বেশি ভালো লাগতো।সবশেষে বলছি,উপন্যাসটি আমার কাছে মোটামুটি ধরণের লেগেছে।
মরণোত্তম-
(প্রকাশকাল-২০২০)
সাদাত হোসাইন এর লেখা এই বইটি পড়ার পর, আমি সত্যিই খুব হতাশ হয়েছি।একটা বই পড়ার সময় আমি ধৈর্যহারা হয়ে গেছি, এমনটা কখনো হয় নি। মরণোত্তম পড়ার শুরুর দিকের কথা বলছি।মূল কাহিনীতে নিয়ে যেতেই লেখক প্রায় ৩৮-৪০পৃষ্ঠা খরচ করে ফেলেছেন।বইটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা হচ্ছে-৯৩।কিন্তু দাম ২০০টাকা+।দাম নিয়ে পরে কথা বলছি। মূল প্রবাহ তে ফিরে আসি।আমার কাছে মনে হয়েছে, এখানে ঘটনাপ্রবাহের থেকে লেখক পরিবেশ,উনার নিজস্ব ভাবনার বর্ণনা দিয়ে বইয়ের পৃষ্ঠা বৃদ্ধি করেছেন।উনি লেখালেখি করছেন কয়েক বছর থেকে।যদি এটা তার শুরুর দিকের কোনো লেখা হতো, আমি হয়তো এতোটা আশাহত হতাম না।কারণ মানুষ আস্তে আস্তেই ভালো করে।কিন্তু ভালো থেকে খারাপের দিকে কলম ঘুরলে সেটি খুবই দৃষ্টিকটু লাগে।আর বইয়ের দামের কথা মানুষের মাথায় তখনই আসে যখন লেখাটা তার মন মতো না হয়।তবে এই বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা ভালো লেগেছে ভীষণ। কারণ সেখানে ছিলো বাস্তবভিত্তিক এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
মেঘেদের দিন-
(প্রকাশকাল-২০২০)
“মরণোত্তম” বইটি পড়ার পর উনার আর কোনো বই কেনার মতো সাহস আমি করে উঠতে পারছিলাম না।তবে এটাও ঠিক একজন লেখকের সব বই ভালো হবে এমন কোনো কথা নেই।”মেঘেদের দিন” বইটি আমাকে একজন গিফট করে।সেই সুবাদে বইটি পড়তে শুরু করি আমি।কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি- লেখক সাদাত হোসাইনের এই বইটিও আমাকে চরমভাবে আশাহত করেছে।খুবই দূর্বল কাহিনী প্লট।ভেবেছিলাম শেষ অবধি হয়তো ভিন্ন কোনো গল্প এখানে যোগ হবে।কিন্তু না!একটা দূর্বল কাহিনী দিয়েই গল্পটা শেষ হয়। কেন যেন মনে হচ্ছিলো খুবই তাড়াহুড়োভাবে গল্পটা শেষ করে দেওয়া হয়েছে।।
নিঃসঙ্গ নক্ষত্র –
সাদাত হোসাইনের লেখা এই বইটি হচ্ছে একটা মেয়ের জীবন সংগ্রামকে কেন্দ্র করে।সত্যিই অনবদ্য কাহিনী প্লট।বাস্তবতার ভিত্তিতে এক মেয়ের জীবন সংগ্রামের কাহিনীর পাশাপাশি এখানে উঠে এসেছে কিছু পার্শ্ব চরিত্রের কাহিনী। যা পুরো গল্পটিতে আলাদা প্রাণ দিয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে মনে হয়েছে উনি একটি কথার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে একটু বেশি-ই বড় প্যারা আকারে লিখে ফেলছেন।এই ব্যাপারটি ছাড়া আমি পুরোপুরি সন্তুষ্ট এই লেখাটির উপর।
মানবজনম-
গতকাল সাদাত হোসাইনের লেখা এই বইটির পিডিএফ আমার সামনে আসে।বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখাটা দেখেই ভীষণ রকম পছন্দ হয়ে যায় আমার। তখনই পড়তে শুরু করি।খাওয়া, গোসল বাদ দিয়ে বইটি পড়ে শেষ করি একটানা।আপনি যদি আসল বইপোকা হয়ে থাকেন তাহলে পুরো কাহিনী না জানা অবধি বই রেখে আপনি উঠতে পারবেন না। হুম এখানেই হয়তো একজন লেখকের সার্থকতা। আমার পড়া সাদাত হোসাইনের এই সাতটি বইয়ের মধ্যে বেস্ট হচ্ছে মানবজনম। কাহিনী প্লট ছিলো অসম্ভব রকম সুন্দর।তবে এখানেও ছিলো গল্প বলার পাশাপাশি কিছু লাইনকে ঘিরে এক প্যারা ভিত্তিক ব্যাখ্যা।তবে কেন যেন খারাপ লাগে নি এই ব্যাখ্যাগুলো।মনে হচ্ছিলো এই ব্যাখ্যাগুলো না করলে উপন্যাসটি অসম্পূর্ণ হয়ে থাকতো।
আরেকটি কথা না বললেই নয়। ইদানিং দেখছি অনেকে বলে থাকেন সাদাত হোসাইনের লেখার মাঝে হুমায়ুন আহমেদকে খুজে পান।আমি তাদেরকে বলবো-আপনারা কয়টা বই পড়ছেন সাদাত হোসাইনের কিংবা হুমায়ুন আহমেদের?স্রোতে গা ভাসিয়ে কথা বলা বন্ধ করুন। দুইজনের লিখন কাঠামো সম্পূর্ণ রূপে আলাদা।
শেষ অধ্যা নেই-
এটা নিয়ে রিভিউ লেখার সাহস করে উঠতে পারলাম না।এই লেখাটি উনার নিজস্ব সৃষ্টি কি-না তা নিয়ে অনেকের মনেই অনেক সন্দেহ রয়েছে। তাই এটির রিভিউ আপাতত তোলা থাকুক!
মানবজনম,নির্বাসন,নিঃসঙ্গ নক্ষত্র এই বইগুলো উনার লেখালেখির শুরুর দিকের বই। পাঠকপ্রিয় এই উপন্যাসগুলোই উনাকে এনে দেয় তারকা খ্যাতি। তবে উনার সমসাময়িক লেখা মরণোত্তম,মেঘেদের দিন এই বই দুইটা বই পড়লে মনে হয় খুবই দূর্বল কিছু স্ক্রিপ্ট আর তাড়াহুড়ো করে লেখা হয়েছে। অর্ধবৃত্ত বইটি পড়া হয়নি আমার। জানি না,সমসাময়িক লেখাগুলোর মধ্যে এই বইটা উনি কেমন লিখেছে।তবে একটা কথা হচ্ছে,জনপ্রিয় হয়ে গেলে মানুষ হয়তো আবেগের ঠেলায় বড়জোর দুই-তিন বছর নতুন বইগুলো কিনবে। কিন্তু সেই বইগুলো যদি পাঠকের মনে তৃপ্তি এনে দিতে না পারে তাহলে তা নিয়ে খুব বেশিদূর আগানো যাবে না। সব কথার বড় কথা হচ্ছে,আমরা পাঠকরা আপনার মানসম্মত লেখা চাই।

আজকে আপনাদের অনুরোধের বই Sadat Hossain books pdf free download | সাদাত হোসাইন বই PDF Download লিংক দিয়েছি…

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page