অশ্লীল ১৮+ এডাল্ট বই PDF Download

(New) শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা pdf download | Shrimad Bhagwat Geeta in Bengali pdf free download

আজকে আমরা আপনাদের কে শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা pdf download | Shrimad Bhagwat Geeta in Bengali pdf free download লিংক দিবো।

বইঃ শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা pdf download | Shrimad Bhagwat Geeta in Bengali pdf free download

টাইপঃ হিন্দু

সাইজঃ ১০এম্বি

শ্রীমদভাগবত ১ লিংক

শ্রীমদভাগবত ২ লিংক

সাহিত্য পড়ে কী হয়? সাহিত্য পাঠ করে বৈষয়িক কোনো উন্নতি হয় না বটে, তবে চমৎকার একটি হৃদয়ের মানুষ হওয়া যায় বলে আমি বিশ্বাস করি।
এক জীবনে প্রচুর সাহিত্য আমি পড়েছি। এইসব পড়াপড়ির ভেতর দিয়ে আমি সংবেদনশীল মানুষে পরিণত হয়েছি। সংবেদনশীল মানুষ কারা? বৃষ্টির পানিতে ভেসে যাওয়া একটি পিঁপড়ার অসহায়ত্ব দেখে যাদের মন খারাপ হয়, তারাই সংবেদনশীল মানুষ। কিংবা একটি ক্ষুধার্ত কুকুরের চোখের দিকে তাকালে যাদের বেদনাবোধ হয়, তারাই সংবেদনশীল মানুষ।
জ্বলতে থাকা জোনাকির আলো কিংবা কাঠবিড়ালির লেজ উঁচিয়ে ধান খাওয়ার দৃশ্য দেখে যারা থমকে তাকায়, তারাও কি নয় সংবেদনশীল মানুষ?
আমি বিশ্বাস করি, যে কিশোর পথের পাঁচালী পড়ে অপুর জন্য কাঁদে, সে কখনো মানুষ খুন করতে পারে না। এটাই সাহিত্যের শক্তি।
একবার কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যাবার পথে, গাজীপুরের কাছে, আইল্যান্ডের মাঝখানে মৃত গাঁদাফুলের বাগান দেখে আমার মন খারাপ হয়েছিল। রক্ষণাবেক্ষণকারীদের অবহেলায়, পানির অভাবে, প্রচণ্ড রোদে, গাছগুলো পুড়ে পুড়ে গিয়েছিল। ফুলগুলো হয়েছিল দেখতে কয়লার মতো। পুড়ে যাওয়া সেই গাছ এবং ফুলের জন্য আমার বুকের ভেতর হু হু করে উঠেছিল—ওরা পানির জন্য মারা গেল!
এ মাত্র একটি উদাহরণ। এমন মন খারাপ আমার প্রতি মুহূর্তে হয়।
আমি বিশ্বাস করি, যে মানুষ বৃক্ষের তৃষ্ণা অনুভব করতে পারে, সে কখনো মানুষের মুখের জল কেড়ে নিতে পারে না। এই মন আমি সাহিত্য পাঠ করে অর্জন করেছি।
যতদিন না সংবেদনশীল মানুষে পৃথিবী ভরে উঠবে, ততদিন পৃথিবীর গা থেকে রক্তের দুর্গন্ধ দূর হবে না।

❤ পাঠপ্রতিক্রিয়া / চাপরাশ / বুদ্ধদেব গুহ ❤
আনন্দ / মূল্য : তিনশপঞ্চাশ টাকা
চল্লিশের আশেপাশে পৌঁছালে বেশীরভাগ মানুষের মনের ভেতরেই বোধহয় একটা অহৈতুকি বৈরাগ্য দানা বাঁধে। এতবছরের চেনা নিজেকে হঠাৎ অচেনা মনে হতে শুরু করে; ভেতরে ভেতরে নিজেকে নতুন করে খুঁজে নেওয়ার একটা চাহিদা তৈরী হয়। ঠিক এমনই ভাবে অজানা কিছু একটা না পাওয়ার খিদে নিয়ে কলকাতার দমবন্ধ করা পরিবেশ ছেড়ে ঋষিকেশের ত্রিবেণীঘাটে এসে উপস্হিত হলেন সাফল্যের চূড়ায় প্রতিষ্ঠিত, হাইকোর্টের বিলেতফেরত উকিল চারণ চট্ট্যোপাধ্যায়। অর্থসর্বস্ব, আন্তরিকতাহীন পরিচিত মানুষদের ভিড়ে দম আটকে যাওয়া তারণ যেন প্রাণ ফিরে পেলেন গাড়োয়াল হিমালয়ের উত্তুঙ্গ পর্বতমালার পাদদেশে কিছু নবপরিচিত মানুষদের মাঝে।
চাপরাশ গল্পটি আসলে অহংকারে মদমত্ত একজন উকিলের মানুষ হয়ে ওঠার গল্প, আজ্ঞাকারী থেকে আজ্ঞাপালনকারী বা চাপরাশী হয়ে ওঠার গল্প। এই গল্পের পরতে পরতে দেবতাত্মা হিমালয়ের নৈর্ব্যক্তিক সৌন্দর্য্য ছড়িয়ে আছে। আছে নাম না জানা রংবেরংএর অর্কিড, ওক, পাইন, হর্সচেস্টনাট। এই গল্পে যেমন আর্নেষ্ট হেমিংওয়ে, রবার্ট ফ্রস্ট, পশ্চিমের রবি ঠাকুর ওয়াল্ট হুইটম্যান আছেন, তেমনই বারবার উদ্ধৃত হয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনেরা। আর আছেন জিম করবেট। গাড়োয়ালের পটভূমিকায় এই লেখায় এই কিংবদন্তী মানুষটি না থাকলে উপন্যাসটি ভয়ংকর ভাবে অসম্পূর্ণ হয়ে যেত।
চারণের আধ্যাত্মিক উত্তরণের এই যাত্রাপথে শাস্ত্রীয় সংগীত, হিন্দু-বৌদ্ধিক দর্শনের আলোচনা যেমন এসেছে তেমনই আছে সমকালীন ভারতের রাজনৈতিক পরিস্হিতি, কমিউনিজম, ধর্মনিরপেক্ষতা, সশস্ত্র বিপ্লবের কথা। আর যেটির কথা না বললেই নয় সেটি হল প্রেম। তুষার ধবল চন্দ্রবদনীর শান্ত স্নিগ্ধ প্রেমের পবিত্র রেশ এই বইটির একটি অমূল্য অলংকার।
এককথায় বলতে গেলে চাপরাশ আসলে গাড়োয়াল হিমালয়ের নৈসর্গিক প্রকৃতির অর্বণনীয় সৌন্দর্যের মতই বৈচিত্রপূর্ণ। এতে বৈরাগ্য, ত্যাগ যেমন আছে, তেমনই আছে জীবনকে আঁকড়ে ধরার আবেগ, মানুষের মধ্যে ঈশ্বরকে খুঁজে পাওয়ার, প্রকৃতির মধ্যে নিজের ভালোবাসাকে খুঁজে পাওয়ার চাবিকাঠি। ধীরে ধীরে প্রাচীণ ভারতের আসল সৌন্দর্য্য, তার হাজার হাজার বছরের গৌরবান্বিত মহিমা উন্মোচিত হয়ে সম্পৃক্ত করতে থাকে চারণকে।
তবে একটি কথা বলে রাখা ভাল, আপনি যদি তপোভূমি নর্মদা পড়ে থাকেন, বৌদ্ধদর্শণ সম্বন্ধে আপনি ওয়াকিবহাল থাকেন তাহলে এই আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোন থেকে বইটি আপনার অনেকটাই অগভীর বলে মনে হতে পারে। ধ্যানগিরি, তুরিত, জিষ্ণুমহারাজরা ভারতীয় আধ্যাত্মবাদের চরম আদর্শ নিবৃত্তিমার্গ বা ত্যাগ নিয়ে বড্ড বেশী নীরব। হয়তো আধার ভাল হওয়া সত্ত্বেও চারণের এজগতে ভোগের সম্পূর্ণ নিবারণ হয়নি বলেই তাঁকে আবার তাঁরা প্রবৃত্তিমার্গের দিকে এগিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও ত্যাগের গভীরের কথাগুলি সাধারণ পাঠকের ধৈর্যবিচ্যূতি ঘটাতে পারে এইভেবে বোধহয় সচেতনভাবেই লেখক এই প্রসঙ্গটি এড়িয়ে গিয়েছেন।
চাপরাশ গল্পটি মূল প্রোটাগনিষ্ট চারণের আত্মসাক্ষাৎকারে গিয়ে শেষ হয়না। গল্পটি শেষ হয় পরিব্রাজক চারণ চট্ট্যোপাধ্যায়ের শুরু দিয়ে; যেখানে চারণ ভারতের আপামর খেটেখাওয়া সহজ সরল মানুষগুলোর মাঝে নিজেকে খুঁজে নিতে নতুন করে বেরিয়ে পড়বেন সনাতন ভারতের পথে। সবমিলিয়ে তিনশ পাতার আশেপাশে এই বইটি বুদ্ধদেব গুহর একটি অসাধারণ সৃষ্টি। যদি আপনিও চারণের মতন নিজেকে নতুন করে খুঁজে নিতে চান তাহলে একবার অন্ততঃ চাপরাশ পড়ে দেখতেই পারেন।

See also  (New) চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থ PDF Download | Chaitanya Charitamrita Book in Bengali PDF Download

বই : অসমাপ্ত বিপ্লব তাহেরের শেষ কথা
লেখক : লরেন্স লিফশুলৎস
অনুবাদক : মুনীর হোসেন
পৃষ্ঠা : ১৮৪/মূল্য : ৩০০/ প্রকাশনী :নওরোজ
পর্যালোচনা
বাংলাদেশের ইতিহাসের যুগান্তকারী ঘটনা হলো মুক্তিযুদ্ধ।মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এই যুদ্ধে অনেকেই অংশগ্রহণ করেছে বৈষম্যহীন সমাজ, রাষ্ট্র গঠনের জন্য যেখানে উচুঁ নিচু ব্যবধান থাকবে না।সুশাসন থাকবে, আয়ের নিশ্চয়তা থাকবে। কিন্তু বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েম ও শোষণমুক্ত অর্থব্যবস্থা ও সমাজব্যবস্থার পত্তন করা যায় নি।
স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭২-১৯৭৬ সাল পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনীতি, রাষ্ট্র ব্যবস্থা ,আইনশৃঙ্খলা , অবকাঠামো সবকিছুই খুবই করুন অবস্থায় ছিলো। যা দেশের আপামর জনগণের চাহিদা পূরণ করতে পারে না যতটুকু আশা করেছিল দেশ স্বাধীন হলে তাদের অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
বইতে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ , ৩রা নভেম্বর ও ৭ নভেম্বরে ঘটনাবলী উঠে এসেছে। এই ঘটনাবলীর সাথে কর্ণেল তাহের ও তার দল জাসদ কতটুকু সংশ্লিষ্টতা ছিলো তা মোটামুটি উঠে এসেছে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাহের কিভাবে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তার বর্ণনা। যুদ্ধকালীন ১১ নম্বর সেক্টরের যুদ্ধের বর্ণনা , চিলমারী যুদ্ধ, রৌমারী যুদ্ধ, কামালপুর যুদ্ধ, নিজের পা হারিয়ে পঙ্গু হওয়া, ভারতের সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া।
যুদ্ধকালীন নিয়মিত যুদ্ধের পরিবর্তে গেরিলা বাহিনী তৈরি এবং তা গণযুদ্ধের আদলে যুদ্ধের পরিকল্পনা। এইসব পরিকল্পনা সেক্টর কমান্ডারদের বৈঠকে উপস্থাপন এবং জেনারেল ওসমানি কর্তৃক প্রত্যাখ্যান।
যুদ্ধ পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল পদে চাকরি এবং পরে নদী ড্রেজিং ডিপার্টমেন্টে পরিচালক পদে চাকরি। এইসময়ে জাসদের সাথে সংস্পর্শে আসা।
৭ নভেম্বর বিপ্লব উপলক্ষে সেনাপ্রধান জিয়ার আহবানে জিয়াকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা।জিয়ার কাছে ১২ দফা দাবি পেশ করা।
তার পরবর্তী ঘটনাবলী জানতে বইটি কিছুটা সহযোগিতা করবে যদিও বইটির লেখক বইটিতে কর্ণেল তাহেরের পক্ষে লিখেছে। কারণ লেখকও একই আদর্শের ছিলো।বইতে জাসদ কর্তৃক ৭২-৭৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির কোনো ঘটনা তুলে ধরে নাই।
বইতে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করেছে জেনারেল জিয়ার তারপর শেখ মুজিবুর রহমানের এবং একে একে আরো অনেকের। কিন্তু জাসদ বা তাদের সমর্থিত দলগুলোর কোনো সমালোচনা করে নাই।
লেখক বইতে গোপনীয় সামরিক আদালতে কর্ণেল তাহেরের পুরো ভাষণ বা বয়ান সংযুক্ত করেছেন । সেখানে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে ১৯৭৬ সালের জুন পর্যন্ত ঘটনাবলী আদালতের সামনে উপস্থাপন করেছেন।
বইতে অন্য পক্ষের বয়ান উঠে আসে নাই তাই একপেশে তথ্য বেশি।

আজকে আমরা আপনাদের কে শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা pdf download | Shrimad Bhagwat Geeta in Bengali pdf free download লিংক দিয়েছি। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page