সকল শ্রেণীর লেকচার গাইড PDF Download

Lecture guide for class 5 pdf download | লেকচার গাইড ৫ম শ্রেণী pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে Lecture guide for class 5 pdf download | লেকচার গাইড ৫ম শ্রেণী pdf download লিংক দিবো। আশা করি আপনাদের অনেক উপকার হবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

Lecture guide for class 5 pdf download | লেকচার গাইড ৫ম শ্রেণী pdf download

Class 5 Lecture math guide pdf download | লেকচার গণিত গাইড pdf download

Class 5 Lecture Bangla guide pdf download | লেকচার বাংলা গাইড pdf download

Class 5 Lecture science guide pdf download | লেকচার বিজ্ঞান গাইড pdf download

Class 5 Lecture English guide pdf download | লেকচার ইংরেজি গাইড pdf download

Class 5 Lecture Islam studies guide pdf download | লেকচার ইসলাম শিক্ষা গাইড pdf download

Class 5 Lecture Bangladesh and world identity guide pdf download | লেকচার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় গাইড pdf download

Class 5 Lecture Hindu studies guide pdf download | লেকচার হিন্দুধর্মের শিক্ষা গাইড pdf download

***ছোট গল্পঃ
*গল্পের নাম – দুটি মৃত্যু*
লেখিকা – রাফিয়া রাত্রি
-এই কি নাম তোমার?
তিন – চার বছরের কালো ফ্রক পরা মেয়েটি আমার দিকে না তাকিয়েই স্পষ্ট গলায় বলল,

আমার নাম তোহা!
গত চার বছরে আমার দুটো মিসক্যারেজ হয়েছে। তাই এবার ডাক্তারের কঠিন আদেশ মেনে প্রতিদিন তিন বেলা ভারী খাবার ,দুবেলা নাস্তা খাচ্ছি। সকাল-বিকাল নিয়ম করে অল্প সময়ের জন্য হলেও হাটাহাটি করছি ।ঘুমোতে যাচ্ছি এক গ্লাস দুধ খেয়ে।
রোজকার মতো আজও বিকেল বেলায় বের হয়েছি।উদ্দ্যেশ্য তেমন কিছু না।এলাকার আশেপাশে হেঁটে খানিক দূরে যেই নতুন দোকানটা হয়েছে,সেখান থেকে আমার অনাগত শিশুটির জন্য এক জোড়া ফিতে লাগানো জুতো কিনবো।দোকান থেকে ফিরে এলাম এক জোড়া জুতা আর একটা লাল টুকটুকে ফ্রক কিনে।এলোমেলো পায়ে হাঁটছি, সামনে যেই গলি পড়ছে তাতেই ঢুকে পড়ছি। এক অজানা আনন্দে মন ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো দুলছে।
হটাৎ স্বাধীনচেতা নারীর মতো গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে চলা ছোট্ট মেয়েটিকে দেখে থমকে গেলাম। ছোট শিশুদের আমার বরাবরই ভালো লাগে। আর সেই শিশুটি যদি মেয়ে হয়, পায়ে ফিতে লাগানো লাল রাবারের জুতো পড়ে,হাতে একটা দশ টাকার নোট নিয়ে আপন মনে ঘুরে বেড়ায় চোখের সামনে, তবে আমাকে আর কে আটকায়!!
আমি তার সাথে ভাব করার জন্যই কোমল গলায় তাকে আবার জিজ্ঞেস করলাম,
-কি নাম তোমার?
ভেবেছিলাম আপাদমস্তক বোরখায় ঢাকা এক অপরিচিত মহিলাকে দেখে সে হয়তো ভয়ে ছুট দিয়ে নিজের বাসায় চলে যাবে ।
আমাকে অবাক করে দিয়ে সে আগের চেয়েও স্পষ্ট গলায় বললো,

আমার নাম তোহা।
এই বলে সে তার ডান হাতের আঙ্গুল বাঁ হাতের তালুতে নিয়ে একটি অদৃশ্য’ T ‘ এঁকে আমাকে বলল, আমার নাম এই’ ‘T’ দিয়ে শুরু হয়!!
আমি হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম এক মুহূর্ত। মেয়েটিকে আগের চেয়েও ভালো করে লক্ষ্য করলাম। তার কচি ঠোঁটে গোলাপি লিপস্টিকের ছোঁয়া, যার অনেকটাই ঠোঁটের চারপাশে ছড়িয়ে তার চিবুকে চমৎকার এক মায়াবী আভা সৃষ্টি করেছে।
তার বাম হাতের উপর দিকে একটা ক্ষত দেখতে পেয়ে বললাম,

See also  HSC পাঞ্জেরী গাইড ডাউনলোড PDF Download | Panjeree guide for class 11-12 pdf download

এই দাগটা কিসের?

আমি ব্যাথা পেয়েছি!

কিভাবে?
তার যেই হাতে দশ টাকার নোট,সেই হাতটি সে আনমনে নেড়ে বলল,

জানি না!
আমার হটাৎ মনে হলো,এতদিনে আমার নিজেরও এমন চমৎকার একটি মেয়ে থাকতো!!যদি না,,,,,
এক সময় নিজের অজান্তেই আবিষ্কার করলাম, আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেছে।চোখের পানি না মুছে, আমি পরম মমতায় তোহা নামেরএমন সময়, আচমকা কানের পাশে কে যেন চিৎকার করে বলল ,

এই মহিলা কে আপনি? আরেক জন বলল,

মাইয়াডা ওই বাড়িতে তোহা না?
প্রথমজন বলল,

এ দেহি ছেলে ধরা আইসে!!
কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাথায় তীব্র ব্যথা পেয়ে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়লাম।
রাস্তায় তখন আমার রক্তাক্ত দেহ। একটি জিপ গাড়ির শব্দে আমার জ্ঞান ফিরল।
আমি কাঁপা কাঁপা হাতে আমার অনাগত তোহার জন্য কেনা ফ্রগটি আঁকড়ে ধরলাম। মাথার তীব্র যন্ত্রণা কে উপেক্ষা করে জুতো জোড়া খুঁজতে লাগলাম।
কিন্তু না….খোঁজার মতো সময় আর হাতে নেই। আমি মনে মনে বললাম,

মা মনি তোহা!! এবারেও তোকে আমি বাঁচাতে পারলাম না!
নিজের শেষ নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে শুনতে আমি এক অজানার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম…
বিশেষ দ্রষ্টব্য: গল্পটি কাল্পনিক।তবে তোহা নামের অপূর্ব একটি ছোট্ট মেয়ের সাথে পরিচিত হবার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল!!

যদি প্রশ্ন করা হয়, পৃথিবীর শ্রেষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র কোনটি? তাহলে সবাই একইস্বরে বলবে শার্লক হোমস। গোয়েন্দা কাহিনী পড়তে ভালোবাসেন কিন্তু শার্লক হোমস নাম শুনেন নি এরকম মানুষ খুজে পাওয়া বিরল।স্যার আর্থার কোনান ডায়েল শার্লক হোমস চরিত্র এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে শতবর্ষ পরেও আজও অনেকে কল্পনাও করতে পারেন না যে শার্লক হোমস কেবল একটি কাল্পনিক চরিত্র মাত্র।
শার্লক হোমস । বিখ্যাত লেখক স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র। এই চরিত্রটির সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ পৃথিবীতে খুব কমই আছেন। সেই ১৮৮৭ সালে তার পথচলা শুরু। আজ অব্দি জনপ্রিয়তা বিন্দুমাত্রও কমেনি। বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বেড়েই চলছে।
লেখক ডয়েল যখন মেডিক্যালে পড়তেন, তার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক ছিলেন ‘ড. জোসেফ বেল’। ডয়েল ‘হোমস’ চরিত্রটি তার শিক্ষক ‘ড. জোসেফ বেল’ এর আদলেই গড়ে তোলেন। মানুষকে পর্যবেক্ষণের এমন অসাধারন ক্ষমতা ড. বেল-এর মধ্যেও ছিলো। ‘হোমস’ এর চেহারা এবং স্বাস্থ্যও ছিলো ড.বেল এর মতই। অর্থাৎ, ডয়েল তার ‘হোমস’ চরিত্রটি সম্পূর্ণই একজন সত্যিকার মানুষের আদল।
শার্লক হোমসকে নিয়ে লেখক সর্বমোট ছাপ্পান্নটি ছোটগল্প এবং চারটি রহস্য উপন্যাস লেখেন এবং সব রচনাই এই বইয়ে স্থান পেয়েছে ।লেখকের লেখার ধরণটি এককথায় অসাধারণ।ড. ওয়াটসন চরিত্রের মধ্যে লেখক নিজেকে প্রকাশ করেছেন। শার্লক হোমস গল্পগুলো এবং উপন্যাসসমূহ অত্যাধিক রহস্যপূর্ণ যে যেকোনো পাঠকের ভালো লাগবে।আহা.. গল্পের স্রোতে যেনো গা ভাসিয়ে দিয়েছিলাম।
চারটি বাদে সব কটি কাহিনীই হোমসের বন্ধু তথা জীবনীকার ডা. জন ওয়াটসনের জবানিতে লেখা। দুটি গল্প হোমসের নিজের জবানিতে এবং অন্য দুটি গল্প তৃতীয় পুরুষে লেখা।
কোন চরিত্রকে নিয়ে লেখা প্রতিটি কাহিনী সুন্দর করা অনেক কঠিন,যেটা ডয়েল করে দেখিয়েছিলেন।সে কারনেই গল্প পড়া শুরু করলেই হোমস আর ওয়াটসনের জগতে হারিয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তা শার্লক হোমস চরিত্র সম্পর্কে কিছু বলা যাক হু, ওয়াটসনের বর্ণনা অনুযায়ী হোমস কিছুটা ‘বোহেমিয়ান’ টাইপের ছিলেন। মুখে সবসময় একটা পাইপ থাকতো। খাওয়া- দাওয়ার ব্যাপারে তেমন একটা মনযোগ দিতেন না। ‘ফরেন্সিক সাইন্স’ নিয়ে তিনি প্রচুর গবেষণা করতেন এবং নিজের উপরেই তিনি অনেক ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতেন। যখন হাতে কোন কেস থাকতো না তখন তিনি উত্তেজনা দমন করতেন ‘প্যাথেডিন’ ব্যাবহার করতেন। মেয়েদের ব্যাপারে সে তেমন একটা আগ্রহ বোধ করতেন না তবে একটি মাত্র মেয়ের কথা সে তার গল্পে মাঝে মাঝে টানতেন। তার নাম ‘আইরিন অ্যাডলার’। শার্লক হোমস এক বিস্ময়কর চরিত্র। তীক্ষ্ণ চিন্তাশক্তি এবং সূক্ষ্ম দৃষ্টিশক্তির অধিকারী এই গোয়েন্দা থাকেন স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের ২২১-বি বেকার স্ট্রীটে সঙ্গে থাকেন বন্ধু ড. ওয়াটসন।প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত হয়ে মানুষ আসেন তার কাছে পরামর্শ এবং মীমাংসার আশায়।খুব বেশি প্রয়োজনবোধ না হলে রহস্যের সমাধানের জন্য যথাস্থানে গিয়ে পরিদর্শন করতে পছন্দ করতেন না শার্লক হোমস। তিনি ঘর থেকে বের হতেন না বললেই চলে।সব বিষয়ে মোটামুটি পারদর্শী শার্লক হোমস তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, বিশ্লেষণী শক্তি, উপস্থিত বুদ্ধি এবং অন্যান্য সাধারণ অভিনয় ক্ষমতার দ্বারা ঘরে বসেই সমস্যার জট খুলে দিতেন। কোথাও কোনো রহস্যের দানা বাধলেই সবাই ছুটে আসতেন শার্লক হোমসের কাছে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ শুনেই তিনি বলে দিতে পারেন রহস্যের ভিতরের রহস্য কোথায়।লন্ডন শহরের তাবৎ পুলিশ অফিসার, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড যখন কোন রহস্যের সমাধান করতে পারতেন না, তারা ছুটতেন ‘হোমস’ এর কাছে। ‘হোমস’ তার অসাধারণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা আর বিশ্লেষণ শক্তি দিয়ে সেইসব রহস্যের সমাধান করতেন। তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এতটাই ধারালো ছিল যে একজন মানুষের শার্টের হাতা, কলার, প্যান্টের হাঁটু, হাতের বুড়ো আঙ্গুল দেখে তিনি লোকটার পেশা থেকে শুরু করে তার অতীত, বর্তমান নিয়ে অনেক কিছু বলে দিতে পারতেন। এবং সেগুলো হতো সম্পূর্ণ নির্ভুল। মূলত, এসব বিশেষত্বের কারণেই তার এত জনপ্রিয়তা। এটাই তার নেশা এবং এটাই তার পেশা।
শার্লক হোমস বিশ্বজুড়ে এতই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে যে চীন দেশে জ্ঞান অর্জনের জন্য সরকারি বিভাগের পাঠ্য তালিকায় অত্যাবশ্যকীয় বিষয় হিসেবে পড়ানো হয়। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এবং ফ্রান্সের পুলিশ বিভাগে শার্লক হোমসের গোয়েন্দা কাহিনীগুলো পড়তে হয়।
শেষে এসে, হে পাঠক, স্মরণ করা যাক বিশ্বের শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা শার্লক হোমসেরই এক উক্তিকে, ‘‘যা যা অসম্ভব, সেটা বাদ দিয়ে দিলে যা বাকি থাকে, সেটা শুনতে যত অবিশ্বাস্যই লাগুক না কেন, সেটাই গ্রহণ করো। সেটাই আসল সত্যি।’’

আশা করি Lecture guide for class 5 pdf download | লেকচার গাইড ৫ম শ্রেণী pdf download গুলো আপনারা পেয়েছেন।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page