ইংরেজি শেখার বই PDF Download

(Best) ইংরেজি উচ্চারণ শেখার বই pdf download | english pronunciation rules in Bangla pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে ইংরেজি উচ্চারণ শেখার বই pdf download | english pronunciation rules in bangla pdf download লিংক দিবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

বইঃ ইংরেজি উচ্চারণ শেখার বই pdf download | english pronunciation rules in bangla pdf download

টাইপঃ ইংরেজি

সাইজঃ ১০এম্বি

ভূত কেনো শুধু অশিক্ষিতদেরই আছর করে?
গ্রামে থাকেন কিন্তু ভূতে আছড় করেছে এমন কথা শুনেনি এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।শহরের মানুষদের আবার এই কথাটা কম শোনা যায়।কিন্তু যারা আগে গ্রামে ছিলেন কিন্তু পরে শহরে চলে আসছে তাদের মুখেও এ কথা শোনা যায়, ভুত নাকি আছড় করেছে।তবে কি ভূত শুধু বেছে বেছে গ্রামের মানুষদেরকেই পছন্দ করে? কি এতো শত্রুতা গ্রামের মানুষের সাথে?এই ঘটনার ই উদঘাটন করব আজ।
বিশ্বাস আর নিশ্চয়তা দু’টা আলাদা জিনিস।আজ যে পূর্ব থেকে সূর্য উঠে পশ্চিমে নিমজ্জিত হবে এটা যেমন একেবারে নিশ্চিত ঠিক তেমনি ভাবেই আপনি যদি খোলা চুলে একটা তেঁতুল গাছের নিচে যান তবে আপনাকে ভুতে ধরবে এটাও নিশ্চিত।
হ্যা একটা বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পর থেকেই গ্রামে শুরু হয় নানা কুসংস্কার। শরীর বন্ধ করা, বান দেওয়া আরোও কত কি।ছোট থেকেই একটা বাচ্চা এই নিশ্চয়তা নিয়েই বড় হওয়া শুরু করে যে, এই নির্দিষ্ট জায়গায় গেলে জ্বিন ভুতে আছড় করবে।এই জিনিসটাই প্রভাব ফেলে মানুষটার।
এই ধরুন মিনা ছোট থেকেই শুনে আসছে খোলা চুলে অমুক গাছের নিচে গেলে ভূতে ধরবে।তো মিনা ও একেবারে নিশ্চিত যে আসলেই তাকে ভূতে ধরবে।তো ভুলে একদিন গাছটার পাশ দিয়ে ফিরে আসলো।এইতো সাড়ে সর্বনাশ। শুরু হবে মিনার দাদি,মা,বাবার বকাবকি। কেন সে গাছের নিচ দিয়ে ঘুরে আসলো।এখন তাকে ভূরে ধরবে।আসলেই রাতে মিনার উপর ভূত হাজির হয়ে গেলো। উল্টাপাল্টা কথা শুরু করে দিলো। মীনা তো একেবারে চিকন চাকন মানুষ তারপর ও ৩-৪ জন মিলে তাকে ধরে রাখতে পারে না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আসলে মিনার কি হয়েছে?
মিনা আসলে স্কিজোফ্রেনিয়া (schizopherenia) নামক একটি রোগে আক্রান্ত। আর এই রোগটার জন্য দায়ী হলো তাদের অশিক্ষিত বাবা,মা এবং আশেপাশের মানুষজন।
স্কিজোফ্রেনিয়া (schizopherenia) আসলে কি?
Schizophrenia is a serious mental disorder in which people interpret reality abnormally. Schizophrenia may result in some combination of hallucinations, delusions, and extremely disordered thinking and behavior that impairs daily functioning, and can be disabling.
এইটি আসলে এমন একটি মানসিক সমস্যা যেটি কিনা একদিনে সৃষ্টি হয় না।একজনের আশেপাশের পরিবেশের উপর দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রভাব থাকলে সেটি সেই মানুষটির উপর প্রভাব বিস্তার করে।অর্থাৎ দীর্ঘদিন থেকে কোনো অলৌকিক অথবা মিথ্যা কথা শুনতে শুনতে একসময় মনে হয়ে যায় এটিই সঠিক।ব্যাপরটা এমন যে, যেটাই সে শোনে সেটাই সে বিশ্বাস করে ফেলে।শুধু তাই না আস্তে আস্তে অলৌকিক জিনিস ও দেখতে শুরু করে।আর এর মুল কারণ ই হচ্ছে যা শোনে তাই বিশ্বাস করে।এইটি যে শুধুমাত্র ভুত বিষয়ক হবে এমন কিছু না।অন্য কোনো বিষয়েও হতে পারে।একটি ঘটনা বলি!
“২-৩ মাস আগে আমাদের জামালপুরে ৪০-৪৫ বয়সের একজন মানুষ বাস স্ট্যান্ডে বসে একটি সেভেন আপ খাচ্ছিলো।তো খাওয়ার পর সে সেভেন আপ বোতলের গায়ে দেখলো যে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।এইবার তো সে মহা টেনশনে পরলো।কারন তার ছেলের কাছে শুনেছিলো যে এমন জিনিস খাওয়া উচিত না।খেলে মৃত্যু হবে।সে এতোটাই বিশ্বস্ত ছিলো যে আসলেই হার্ট অ্যাটাক করে সে মারা যায়।এই মারা যাওয়ার করনটিই ছিলো এই স্কিজোফ্রেনিয়া নামক রোগটি।”
মীনা কেন এই রোগে আক্রান্ত হলো হঠাৎ করে?
মিনা মোটেও এই রোগে হঠাৎ করে আক্রান্ত হয় নি।দীর্ঘ দিন ধরে তার আশেপাশের অশিক্ষিত মানুষের কাছ থেকে শুনে আসতেছিলো যে এমন এমন হবে এই জায়গায় গেলে।তো মিনা ভূতের প্রতি এতোটাই নিশ্চিত ছিলো যে আসলেই ভূত তার উপর আছর করে ফেললো।সে আগে যেমন যেমটা শুনেছিলো ঠিক তেমন আচরণ ই করা শুরু করলো। আর এই কারনেই মুসলিমদের উপর কোনো কালী ভর করে না আবার হিন্দুদের কোনো জ্বীন ভর করে না।
চিকন মিনা এতো শক্তি কোথায় পেলো?
এবার অনেকে বলবে যে যদি ভূতই আছর না করে তবে মিনার এতো শক্তি কোথায় থেকে আসলো।
আসলে আমাদের সবার শরীরেই যথেষ্ট পরিমান শক্তি সঞ্চিত থাকে।কিন্তু আমরা চালাক। আমরা এই শক্তি ব্যাবহার করি না, যদি আমাদের মাথা ঠিক থাকে।
একটা পাগল ৩-৪ দিন ধরে কিছু না খেয়েও তার কি পরিমান শক্তি থাকে সেটি সবাই আমরা দেখেছি।অর্থাৎ মীনার সাব-কনশাস মাইন্ড নিজের কাছেই ছিলো না।তো কিভাবে নিজের শক্তি ক্ষয় হওয়া আটকাবে?
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর করনীয় কি?
সবচেয়ে উত্তম কাজ হচ্ছে কোনো হুজুর বা কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়া।তারাই পারে একমাত্র এই রোগটিকে সারাতে।কারন ডাক্তাররা তো কোনো রোগ ই ধরতে পারে না।হ্যা আপনি যদি রোগীকে একেবারে উপরে পাঠিয়ে দিতে চান তাহলে এই কাজটি করতে পারেন। আর যদি চান সুস্থ ভাবে আর ৫ জনের মতো বেচে থাকবে তাহলে একজন ভালো সাইক্রিয়াটিস্টকে দেখান।
এখন আশা করি বুঝতেই পারছেন ভূতের কেনো অশিক্ষিত মানুষ পছন্দ।

বিস্তৃত মহাকাশ ও স্রষ্টার ভালোবাসা
আচ্ছা স্রষ্টার সুবিশাল সৃষ্টি সামনে আমাদের অস্তিত্ব টা কতটা নগণ্য তা কি আমরা জানি? তোমাদের অনেকেই হয়তোবা জানো, তারপরও চলো আমরা আবার আমাদের অস্তিত্ব নতুন করে খুঁজে বের করি।
দেখা যাক বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মাঝে আমাদের অবস্থান কতটুকু?
নিঝুম রাতে মেঘহীন স্বচ্ছ আকাশ টাকে দেখেছো কখনো? ইট-পাথরের আলোকোজ্জ্বল এই যান্ত্রিক শহরে দেখে থাকলে হবেনা। মাঝনদীতে দুলতে থাকা নৌকার পাটাতনে, কিংবা গ্রামের উঠানে পাটি বিছিয়ে বসা গল্পের আসর থেকে দেখেছো কি? দেখলে হয়তো বলতে পারবে কিভাবে তারাদের মেলা বসে আকাশে । মিটিমিটি করে জ্বলা-নেভার খেলায় কিভাবে বিনিময় করে ভালোবাসা। তারাদের এই ফ্যামিলিকে বলা হয় ছায়াপথ। ইংরেজিতে Milky Way galaxy । পৃথিবীর চেয়ে ১৩ লক্ষ গুণ বড় সূর্যের মতো অগণিত নক্ষত্র, মহাজাগতিক ধূলিকণা, আর নানা অদ্ভূত গ্যাস ইত্যাদি সব মিলেমিশে একাকার হয়ে একেকটা গ্যালাক্সি। আর এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে গ্যালাক্সির সংখ্যা আনুমানিক ২০ হাজার কোটি।
<< নিশ্চয়ই আমি নিকটবর্তী আসমানকে অসংখ্য তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি। [সূরা সফ -৬] >>
আরে দাঁড়াও দাঁড়াও!!
অবাক হচ্ছো? কেবল তো মাত্র শুরু…
কেউ যদি আলোর গতিতে ভ্রমণ করে, তাহলে আমাদের গ্যালাক্সির প্রতিবেশী গ্যালাক্সি অ্যানড্রোমিডাতে পৌঁছাতে সময় লাগবে ২৫ লক্ষ বছর। আর আলোর গতি হল সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। মানে পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে সময় লাগবে মাত্র দেড় সেকেন্ড। আর সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড।
কি আকাশ থেকে পড়ছো……..?
উহু! কোন পড়াপড়ি চলবে না, কারণ আমরা এখন আছি গ্যালাক্সিতে। সেখানে আছে ভালোবাসার শক্তি, প্রতিটি নক্ষত্রই একে অপরকে আকর্ষণ করছে, কাছে টানছে।তাই প্রতিটি নক্ষত্রই স্ব স্ব অবস্থায় বিদ্যমান। তাই তোমরাও বিদ্যমান। তবে আকাশ থেকে না পড়ে ভিমরি খেতে পারো। ভিমরি খাওয়ার জন্য কেবল আমাদের গ্যালাক্সির নক্ষত্রের সংখ্যাটা শোনাটাই যথেষ্ট। খুব বেশি না মাত্র ৩০ হাজার কোটি। এদের মাঝে সূর্য কেবল ধূলিকণার অংশ। এখন ভাবো…… যেখানে সূর্যেরই কোন অস্তিত্ব নেই,সেখানে আমাদের কি ই বা অস্তিত্ব থাকবে….??
হ্যাঁ…! আমাদের অস্তিত্ব এতটাই নগণ্য, এতটাই তুচ্ছ। তবুও আমাদের কত অহংকার, কত বড়াই!
বল তো, আমার মতো এতটা তুচ্ছ প্রায় অস্থিত্বহীন এই মানুষটা কিভাবে পারে মহান ক্ষমতাধর সর্বশক্তিমান স্রষ্টার অবাধ্যতা করতে?
এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, গ্যালাক্সি- নক্ষত্র, অনু পরমানু সবকিছু যার করতলগত তার বিরুদ্ধাচারণ কিভাবে সম্ভব??
তবু আমরা করি। পাপে পাপে সয়লাব করে দেই পৃথিবীটাকে। তারপরও তিনি আমাদেরকে ধ্বংস করে দেন না। আমরা বার বার অপরাধ করার পরও তিনি অপেক্ষায় থাকেন- “কখন আমার বান্দা আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, অনুতপ্ত হবে।” তিনি তো ক্ষমা করতে প্রস্তুত…! তিনি তো তাঁর বান্দাদেরকে রহমতের চাদরে মুড়িয়ে রাখতেই পছন্দ করেন।
কি কারণে তিনি এত অধির আগ্রহে আমাদেরকে ক্ষমা করার জন্য অপেক্ষমান থাকেন? কারণ তিনি আমাদেরকে ভালোবাসেন। অনেক বেশি ভালোবাসেন। তাই তো আমাদেরকে মহাবিশ্বের তুলনায় অতিক্ষুদ্র করে সৃষ্টি করলেও আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই যেন দিয়ে দিয়েছেন মহাবিশ্বের চেয়েও বেশি কিছু।
<তুমি শুধু একটি দেহই নয়, তোমার ভিতরে লুকিয়ে আছে মহাবিশ্বের চেয়েও বড় কিছু >
কী….অবাক হচ্ছ তুমি? বিশ্বাস হচ্ছে না….!!
না হওয়ারই কথা। দাঁড়াও বলছি –
শরীরে শুরু থেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত যত শরীরবৃত্তিয় পরিবর্তন ঘটে বা ঘটবে, সব কিছু আল্লাহ তাআলা D.N.A তে কোডিং করে রেখেছেন।
ডিএনএ কী? ডিএনএ হলো কোষের কেন্দ্রে থাকা নিউক্লিয়াস এর উপাদান। এর আরেকটা নাম হল ডাটা ব্যাংক। যা বংশগতির সমস্ত তথ্যাবলী বহন করে । অনুমান করা হয় ক্ষুদ্র একটা কোষের তথ্যের পরিমাণ ১০ বিটস। মানে ১০-এর পরে আরো দশটা শূন্য।
বিষয়টা একটু ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যাক।
মাত্র ১ গ্রাম ডিএনএতে যে পরিমাণ তথ্য আছে তা যদি সিডিতে নেওয়া হয় তাহলে ১ ট্রিলিয়ন সিডি লাগবে। আর যদি এই ইনফরমেশন কেউ দৈনিক ৮ ঘণ্টা ব্যয় করে প্রতি মিনিটে ৩০০ বর্ণ টাইপ করে, তাহলেও সময় লাগবে ৫৭ বছর। এটা হলো মাত্র একটি কোষের ভেতর থাকা তথ্য। আর মানব দেহে কোষের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ কোটি।
আগেই বলা হয়েছে একটি কোষে তথ্যের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি। এখন এটার সাথে ৩৭ লক্ষ কোটিকে গুন করে দেখো।
(10 হাজার কোটি × ৩৭ লক্ষ কোটি = মাথা হ্যাং)
লক্ষ লক্ষ বছর ধরে কোটি কোটি জীবের মধ্যে হাজার হাজার কোটি জটিল থেকে জটিলতর এসব ইনফর্মেশন এনকোডেড হয়ে আছে অতিক্ষুদ্র ডিএন এর মধ্যে। এভাবেই আল্লাহ প্রতিটি জীবের মধ্যেই ঢুকিয়ে দিয়েছেন একটি করে মহাবিশ্ব।
কিছু মানুষ সেই দয়ার অপার মহান স্রষ্টার দিকে আঙ্গুল তুলে কথা বলে। তাঁর অসীম ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় তবুও তিনি এদের ধ্বংস করে দেন না। ক্ষমার আশায় অপেক্ষমান থাকেন। কারন, তিনি আমাদেরকে ভালোবাসেন। তিনি চান না, আমাদেরকে জাহান্নামে পাঠাতে। কিন্তু আমরা এই ভালোবাসার কদর করি না।
আসুন না, একটু ভালোবাসি। একটু ভালোবাসার কদর করি। তবে আজই হোক রবের পথে যাত্রা।

See also  (Class 11-12) Chowdhury and Hossain English grammar book pdf download

ইংরেজি উচ্চারণ শেখার বই pdf download | english pronunciation rules in Bangla pdf download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page