Motivational Book PDF

(All) ঝংকার মাহবুবের বই pdf download | Jhankar Mahbub Books pdf download

আজকে আমরা আপনাদের অতি অনুরোধের বই ঝংকার মাহবুবের বই pdf download | Jhankar Mahbub Books pdf download লিংক নিয়ে চলে এলাম।

ঝংকার মাহবুবের বই pdf download | Jhankar Mahbub Books pdf download

প্রোগ্রামিং এর চৌদ্দগুষ্ঠি ঝংকার মাহবুব PDF Book Free Download

হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং PDF Book Free Download | habluder jonno programming pdf download by jhankar mahbub

প্রোগ্রামিংয়ের বলদ টু বস PDF Book Free Download | programming er bolod to boss jhankar mahbub pdf download

Download Recharge Your Down Battery PDF Book Free

চ্রেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম PDF Download

বইয়ের নাম : থ্রি এএম
লেখক : নিক পিরোগ
অনুবাদক : সালমান হক
ধরণ : অনুবাদ – রহস্য, গোয়েন্দা, মিথ, থ্রিলার, অ্যাডভেঞ্চার
মূল্য : ১৫০ টাকা
পৃষ্ঠা : ১০৯
কনর সুলিভান, ৪৪তম প্রেসিডেন্ট! তিনি এইখানে কী করছেন?
হেনরি বিনস একটি বিভীষিকাময় ব্যাধির নাম! যে ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীর নামও হেনরি বিনস! দারণ তো! ডাক্তাররা একে বলেন ‘মেডিকেল কন্ডিশন’। এ ব্যাধিতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে রোগী মাত্র এক ঘন্টা জাগ্রত থাকে, রাত তিনটা থেকে চারটা বাকি ২৩ ঘন্টা ঘুমিয়ে কাটায়। যেন এক ঘুমন্ত পুতুল।
হেনরি বিনস প্রতিদিনকার মতো আজও রাত তিনটার সময় ঘুম থেকে উঠলেন। তার জীবনের সময় চলে বালুঘড়ীর মতো, খুব দ্রুত। তবুও নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন এমন জীবনের সাথে। হোমো সেপিয়েন্সরা নাকিস বই সহ্য করতে পারে। যাই হোক বিবসের স্বাভাবিক জীবন থমকে যায় একটি আর্তনাদের ঘোরে। বাহিরের জানলায় পাশের বাড়ি দিয়ে বের হতে দেখেন এক আগন্তুককে। অন্তর্ভেদী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সেউ আগন্তুক। বিনসের মাথায় যেন বজ্রপাত পড়লো। প্রেসিডেন্ট! তিনি এখানে কী করছেন?
খবর ছড়িয়ে পড়ে রংধনুর মতো। প্রেসিডেন্ট একজন খুনি বিনস ভাবতে থাকে। তদন্তে নেমে পড়ে পুলিশ ফোর্স। তাদের সাথে আরেক জন তদন্তে নামে। নাম হেনরি বিনস। গল্পের কাহিনী সামনের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। আঠা দিয়ে লাগানো গিট্টু খুলতে লাগে বিনস। প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতার করা হবে কাল রাতে কেন জানি মনে হয় তিনি খুনি নন। তবে কে খুনটি করেছে?
এক ঘন্টা জাগ্রত এই সত্ত্বা কিভাবে বের করতে পারবে মূল খুনিকে? নাকি পার পেয়ে যাবে মূল দোষী? আর প্রেসিডেন্ট তিনিই নাকি খুনি?
নিক পিরোগ আমেরিকান থ্রিলারের জনপ্রিয় লেখক। থ্রিলারের ওপর লেখেছেন অনেক ব্যতিক্রমধর্মী বই। থ্রি এএম সিরিজ তার অনন্য সৃষ্টি, সুবিখ্যাতও বটে। টানটান উত্তেজনা, ব্যতিক্রমধর্মী প্লট, লোমহর্ষক টুইস্ট, সবকিছুই আছে তার লেখায়। আমাজনের তালিকায় তার অনেক বই বেস্টসেলার হয়েছে।
সালমান হকের প্রথম অনুবাদগ্রন্থ থ্রি এএম। থ্রিলারের প্রতি তার ছিলো অসম্ভব ঝোঁক। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি আসক্ত ছিলেন। বইটি তিনি উৎসর্গ করেছন তাস মাকে। সাবলীল ভাষায় চমৎকার অনুবাদ করেছেন তিনি।
বইটি দারুণ সুপাঠ্য। লেখার মধ্যে একটু অন্যরকম ধাঁচ রয়েছে। প্লটটিও দারুণ, কৌতূহলপূর্ণ। থ্রিলারের নেশা থাকলে বইটি একবার পড়লে শেষ না করে বসতে মন চাইবে না। ক্রাইম, রহস্য, গোয়েন্দা সব রকমের স্বাদ আছে বইটিতে। বইটি অতুলনীয়। পড়ে দেখার জন্য শুভকামনা।

বই: ট্রেজার আইল্যান্ড
লেখক: রবার্ট লুইস স্টিভেনসন
অনুবাদ: প্রদীপ কুমার সেন
প্রকাশনী: আজকাল
মূল্য: ২০০ টাকা
জনরা: অ্যাডভেঞ্চার, থ্রিলার, কিশোর ক্লাসিক
“আমার হাত বান্ধিবি পা বান্ধিবি,
মন বান্ধিবি কেমনে”
লোকগীতির এই লাইন দুটি নর-নারীর প্রেমের ফলে সৃষ্ট অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণকে নির্দেশ করে। তবে এক ভিন্ন অর্থে এই লাইন দুটিই হয়ে উঠে লেখক রবার্ট লুইস স্টিভেনসনের জীবনের প্রতিচ্ছবি। কিশোর বয়সে স্টিভেনসন আর পাঁচজনের মতো দূরন্তপনায় মেতে উঠতে পারেনি, রোগের শিকল তাকে আবদ্ধ করে রাখে ঘরের কোণে। তবে সেই শিকল তার মনকে আবদ্ধ করতে তো পারেই নি, বরং করে তোলে আরো দূরন্ত। দূরন্ত চিত্তের সাধ মেটাতে লেখক কল্পনার দুয়ার খুলে প্রবেশ করে এক ভিন্ন জগতে। সেই জগতে অসীম ক্ষমতা তার, অদৃষ্টও হার মানে তার কাছে। সেখানে তিনি চাইলেই পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ছুটে যেতে পারেন গুপ্ত রত্নভান্ডারের খোঁজে; কিংবা ছুটে যেতে পারেন পৃথিবী ছাড়িয়ে দূর অজানায় কোনো এক গ্রহের তরে। লেখকের কিশোর মনের এসব কল্পনাগুলো লিপিবদ্ধ করার ফলে সৃষ্টি হয় “ট্রেজার আইল্যান্ড”, “কিডন্যাপড” এর মতন অসামান্য কিছু বই, যা আজও পুলকিত করে পাঠকদের। অদৃষ্টের বিচিত্র খেলায় যেই ফুসফুসের ব্যাধি স্টিভেনসনের জন্য হয়ে ওঠে কাল, সেটাই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পাঠকদের কাছে হয়ে ওঠে আশীর্বাদ।
নিজেদের সরাইখানা “অ্যাডমিরাল বেনবো”কে ঘীরে বেশ সাবলীল আর নিরীহ গোছেই দিনগুলো কাটছিলো যুবক জিম হকিন্সের। বদমেজাজি ক্যাপ্টেন বিলি বোনসের আগমনে বিষিয়ে ওঠে সরাইখানার পরিবেশ। এক পর্যায়ে বিলি বোনস মারা গেলে তার সিন্দুক থেকে নিজের পাওনা বুঝে নিতে গিয়ে হকিন্স পেলো একটা ম্যাপ। ম্যাপটা ঘীরে জিম হকিন্সের জীবনের সবচেয়ে আতংক পূর্ণ ঘটনাগুলো ঘটে গেলো। একই সঙ্গে উন্মোচিত হলো বিরাট সম্ভাবনার দ্বার, কারণ ম্যাপে রয়েছে গুপ্তধনের হদিস! ডাক্তার লিভজি আর জমিদার ট্রেলনির সহায়তা নিলে সেটা বুঝতে পারে হকিন্স। মানচিত্র অনুযায়ী তারা বেরিয়ে পড়লো সমুদ্রযাত্রায়, গন্তব্য গুপ্ত রত্নভান্ডার আগলে রাখা ট্রেজার আইল্যান্ড। নিজের একঘেয়ে আর নিরীহ জীবনটা যেন অসহ্য হয়ে উঠেছিল তারুণ্যের তেজে উদ্দীপ্ত হকিন্সের কাছে। অ্যাডভেঞ্চারের ঝোঁকে সেও জাহাজে চেপে বসলো বিশেষ অতিথি রূপে। সেই সঙ্গে রাঁধূনী বেশে উঠে পড়লো ধূর্ত জলদস্যু লং জন সিলভার। খোঁড়া সিলভার যেন উত্তাল সমুদ্রের চেয়েও বেশি ভয়াবহ। সেই এক সিলভারই নিছক এক গুপ্তধন উদ্ধারের অভিযানকে বাঁচা মরার লড়াইয়ে রূপ দেবার নেপথ্য ভূমিকা পালন করে। ঘনিয়ে আসতে থাকে বিদ্রোহের মানবসৃষ্ট ঝড়। প্রায় সকলেই সিলভারের পাতা লালসার ফাঁদে ফেসে যায়, নৈতিকতা বিকিয়ে যোগ দেয় তার দলে। খুন-জখম, স্নায়ুযুদ্ধ পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে এগোতে থাকে গল্প।
হকিন্সদের ছোট্ট দলটা কিভাবে মোকাবিলে করবে সিলভারদের? কি হয় শেষ পর্যন্ত জাহাজের অভিযাত্রীদের? গুপ্তধন কি ধরা দেবে কারোর নিকট?
রোমাঞ্চ, টুইস্ট আর দুর্ধর্ষ এডভেঞ্চারে ঠাসা এক গুপ্তধন উদ্ধারের অভিযান জিম হকিন্স বর্ণনা করে “ট্রেজার আইল্যান্ড”এ। মূল ঘটনা প্রবাহে প্রবেশ করতে কিছু সময় নিয়েছেন লেখক। তবে গল্পের মূল ধারায় প্রবেশের পর থেকে আমার আগ্রহ আর আকর্ষণ বাড়তে থাকে৷ গোলাবারুদের লড়াই যেমন রোমাঞ্চিত করে, তেমনি লড়াইয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক দিকটা মানসিক চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি করে। ভিন্ন আর বিপদসংকুল পরিবেশে এসে জিম হকিন্স বেপোরোয়া হয়ে ওঠে৷ হকিন্সের সব দুঃসাহসিক আর উদ্ভট পদক্ষেপ গুলো বেশ উপভোগ করি আমি৷ অন্যদিকে লং জন সিলভারের প্রতি সৃষ্টি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সেখানে নিঃসন্দেহে ক্রোধের পরিমাণটাই বেশি, তবে তার বিচক্ষণতাতে সৃষ্ট মুগ্ধতার পরিমাণও কম নয়। শেষ পরিণতি তৃপ্তিদায়ক। আমার মতে শুধু কিশোরই নয়, বরং বড়দের কাছেও বইটা হবে সুখপাঠ্য।
ব্যক্তিগত রেটিং- ৮/১০

See also  বিলিয়ন ডলার স্টার্টআপ pdf Download | Billion dollar startup PDF Download

বই: ঝিলের ধারে বাড়ি
লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
প্রকাশনী: আনন্দ
মূল্য: ২২৫ টাকা
জনরা: এডভেঞ্চার, থ্রিলার, কমেডি
ঝিলের ধারের বাড়িটা একেবারেই নড়বড়ে, কখন যে ভেঙে পড়ে তার ঠিক নেই। বাড়িটা বুড়ো সদাশিব বাবুর। তার পূর্বপুরুষেরা ডাকাত ছিল বিধায় তার রয়েছে অঢেল সম্পত্তি এবং বেশ অনেকগুলা বাড়ি। পুরনো বাড়িগুলো পরিচর্যা ও ব্যবহারের অভাবে একপ্রকার পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সেসবের মধ্যেই একটা সেই ঝিলের ধারের বাড়িটা। গ্রামে হঠাৎই আগমন ঘটলো তিনজন বিজ্ঞানীর, তারা এসে উঠলো এই পোড়োবাড়িটায়। প্রথমে রাজি না হলেও সদাশিব বাবু শেষ পর্যন্ত তাদের গবেষণার স্বার্থে বাড়িটা ছেড়ে দিল। ঠিক কি গবেষণা করতে এসেছে সেটা বিজ্ঞানীরা খোলাসা করলো না। এসেই তারা তাড়িয়ে দিল বাড়িটার দেখাশোনায় নিয়োজিত সিদ্ধিনাথকে। ও হ্যাঁ, গ্রামের অবস্থান ছিল সুন্দরবনের অতি নিকটে।
গ্রামের আরেক যুবক নবীনের পুর্বপুরুষেরাও ডাকাত ছিল। তবে তার অবস্থা বড়ই করুণ। দেনার দায়ে শেষ সম্বল মাথা গোঁজার বাড়িটারও যায় যায় অবস্থা। বাড়িটার নিচে পাতালঘরের রয়েছে বিরাট এক ধাতব দরজা। নবীনের বিশ্বাস দরজার অপারেই মিলবে পূর্বপুরুষদের রক্ষিত সম্পত্তি এবং এর দ্বারা তার দুর্দিন ঘুচবে। নবীনের বিশ্বাস যে সত্যি সেটা কোন এক অদৃশ্য সত্ত্বাও যেন জানান দেয় বারবার। তবে সেই দরজাটা একেবারেই দুর্ভেধ্য, কিছুতেই ভাঙা বা খোলা যাচ্ছে না।
সেই তিন বিজ্ঞানীর আগমনের পরই যেন হঠাৎ করে যেন খুনজখম ও গুপ্ত ঘাতকদের সক্রিয়তায় অস্থির হয়ে ওঠে গ্রামের পরিবেশ। এসবের প্রথম শিকার হলো সিদ্ধিনাথ! এরই মধ্যে গ্রামে ছুটি কাটাতে আসলো সদাশিব বাবুর নাতি-নাতনি অনু আর বিনু। ছোট্ট অনু ও বিনু এসবের মধ্যে জড়াতে গিয়ে নিজেদের জীবনটাকেই বিপন্ন করে তোলে। তবে ওদের এই দুঃসাহসিকতা(কিংবা নির্বুদ্ধিতা) দরুনই বহুদিনের লুকায়িত গুপ্তধনের হদিস পাওয়া গেলো। গুপ্তধন উদ্ধারের সেই দুর্ধর্ষ অভিযানে মানব শত্রুদের সঙ্গে চোখ রাঙাচ্ছিল প্রাকৃতিক বিপত্তিও।
অদ্ভুতূড়ে সিরিজের বাকি বইগুলোর মতন এই বইয়েও হাসির খোরাকের সঙ্গে ছিল ভূতের আনাগোনা। তবে এদুটি দিকের চেয়ে বরং এবার এডভেঞ্চারের দিকটাই মুখ্য হয়ে ওঠে। লেখকের নিখুঁত, সরল ও সাবলীল বর্ণনায় মনে হচ্ছিল ঘটনাগুলি যেন ঠিক আমার চোখের সামনে ঘটছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চরিত্রগুলোর আতংক আর রোমাঞ্চ আমার মধ্যে সংক্রমিত হয়। পুরো বইয়ের মধ্যে আমার প্রিয় অংশ অনু-বিনুর সুন্দরবন ও ভূগহ্বরের অভিযান। আমি যেন ওদেরই এক অদৃশ্য সঙ্গী হয়ে ওদেরই সঙ্গে পাড়ি দিচ্ছিলাম সেই দুর্গম পথ, মোকাবিলা করছিলাম শত্রুর। অভিযানের এই অংশটায় আমার অনুভূতিগুলো সবচেয়ে তীব্র হয়ে উঠেছিল। প্লট জানবার পর পরবর্তী ঘটনা সম্বন্ধে যে অনুমান করেছিলাম তার খানিকটা ফলেছে, খানিকটা ফলেনি। গল্পে আরো চমকের আশা করেছিলাম আমি।
ব্যক্তিগত রেটিং- ৭/১০

See also  চ্রেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে ঝংকার মাহবুবের বই pdf download | Jhankar Mahbub Books pdf download লিংক দিয়েছি।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page