Life style: Tips and Tricks

৫ম শ্রেণীর গাইড pdf download | Class 5 Guide book pdf download

আজকে আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ৫ম শ্রেণীর গাইড pdf download | Class 5 Guide book pdf download লিংক। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।

৫ম শ্রেণীর গাইড pdf download | Class 5 Guide book pdf download

Class 5 Math Solution guide PDF download – পঞ্চম | ৫ম শ্রেনীর গণিত গাইড pdf download

Class 5 Science Book Solution Pdf Download- ৫ম/পঞ্চম শ্রেনীর বিজ্ঞান গাইড PDF download

Class 5 Bangla Guide Pdf Download -৫ম/পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা গাইড pdf  Click  Here To  Download

Class 5 English Guide Pdf Download -৫ম/পঞ্চম শ্রেণীর ইংরেজি গাইড pdf

৫ম/পঞ্চম শ্রেনীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় গাইড PDF – Class 5 Bangladesh And Global Guide Pdf Download

৫ম/পঞ্চম শ্রেণীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা গাইড PDF -Class 5 Islam and moral education Guide Pdf Download

  ৫ম/পঞ্চম শ্রেনীর হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা গাইড Pdf download 

৫ম/পঞ্চম শ্রেনীর বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা গাইড Pdf Download

  ৫ম/পঞ্চম শ্রেনীর খ্রিস্টধর্ম  ও নৈতিক শিক্ষা গাইড Pdf Download

অনুপ্রেরনার গল্প দেওয়া হলোঃ

১. আপনার সমস্ত শরীর ভীত যখন আপনি সকালে উঠে চিনি যুক্ত চা কফি পান করছেন।
২. আপনার কিডনি আতঙ্কিত যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৩. আপনার গলব্লাডার ভীত যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ভাজাপোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
৬. ফুসফুস তখন ভীত যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
৭. লিভার ভীত যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
৮. হৃদপিন্ড ভীত যখন আপনি বেশি লবন এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
এবং
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন এবং তাদের আতঙ্কিত করবেন না।
এই সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রচন্ড ব্যয়বহুল এবং বাজারে সহজে কিনতে পাওয়া যায় না। কোনোটা পাওয়া গেলেও আপনার শরীর সেটাকে সম্ভবত গ্রহণ করবে না। অতএব, নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গসমূহকে সুস্থ রাখুন।
©ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির..

গল্প ২ঃ

আত্মহত্যা।
বাংলাদেশে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি আত্মহত্যা করে।
আত্মহত্যা করে কেন মেয়েরা।
বাংলাদেশের যে সব মেয়েরা আত্মহত্যা করে তারা অনেক বেশি আবেগপ্রবণ।অনেক বেশি স্বপ্নবিলাসী ।তারা অনেক বেশি বিশ্বাস করে অন্যকে। তাদের অনেক কম চাহিদা থাকে।তারা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকে।তারা অনেক বেশি ধৈর্য্যশীল থাকে।
কিন্তু তারা তাহলে কেন আত্মহত্যা করে?
মেয়েরা যে কোন কারনেই আত্মহত্যা করতে পারে ।
যে সব মেয়েরা আত্মহত্যা করে তাদের একটাই ভুল আর তা হল নিজেকে ও অন্যকে বুঝতে ভুল করা।
ধরুন একটা মেয়ে একটা ছেলেকে ২/৩বছর ধরে ভালোবাসলো।
তার মানে ঐ মেয়েটি ঐ ছেলেকে অনেক বেশি বিশ্বাস করেছিল।
ঐ মেয়েটি ঐ ছেলেটাকে নিয়ে অনেক বেশি স্বপ্ন দেখেছিল।
ঐ মেয়েটি ঐ ছেলেকে পাবেই পাবে এতোটা আত্মবিশ্বাসী ছিল।
ঐ মেয়েটির চাহিদা এতোটা কম থাকে যে শুধু ঐ ছেলেটাকেই চায় আর কিছু নয়।
ঐ মেয়েটা যখন দেখে ছেলেটা পাল্টে যাচ্ছে তখন মেয়েটা ধৈর্য্য নিয়ে আরো বেশি ঐ ছেলেটাকে ভালোবাসে।
ঐ মেয়েটি যখন দেখে ছেলেটি তার সাথে দুইদিন কথা বলে না।তখন মেয়েটা অনেক আবেগে অনেক বেশি কান্না করে। ঐ ছেলেটির সাথে আরও বেশি কথা বলে।যাতে ছেলেটা যেন তার হাত ছাড়া না হয়ে যায়।
কিন্তু ছেলেটা যখন হঠাৎ করে সরে যায় ।তখন মেয়েটা আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেয়।
যে আত্মহত্যা করে সে হয়তো সবকিছুর থেকে মুক্তি পায়।
কিন্তু তার পরিবারের সুখ গুলো মাটি চাপা দিয়ে যায়।
এই দেশের কোন মেয়েরা যেন আত্মহত্যা না করে এই কামনাই করি।
রাকিব

See also  গণিত অলিম্পিয়াডের প্রস্তুতি বই pdf download | Math olympiad bangla books pdf download

গল্প ৩

“একদা ভারতবর্ষে এক অন্ধ সন্ন্যাসী ছিলেন । জ্ঞানী এবং তীক্ষ্ণ ধীশক্তি সম্পন্ন । তিনি নির্জন এক বনের ধারে বাস করতেন ।
একদিন এক রাজা তাঁর দলসহ শিকারে এলেন সেই বনে । দ্রুতগামী একটা হরিণের পেছন ছুটতে ছুটতে রাজা হঠাৎ দলছুট হয়ে পড়লেন ।
রাজাকে খুঁজতে দলের এক সৈন্য এলেন প্রথম সেই সন্ন্যাসীর কাছে ; জানতে চাইলেন রাজাকে দেখেছে কিনা । সন্ন্যাসী না সূচক মাথা নাড়লেন । এরপর সেনাপতি এলেন এবং একই প্রশ্ন করলেন । তাঁকেও সন্ন্যাসী না সূচক জবাব দিলেন যে তিনি জানেননা । এরপর মন্ত্রী এলেন রাজার খোঁজে । সন্ন্যাসী তাঁকেও জানালেন যে তিনি রাজাকে দেখেননি।
অবশেষে রাজা নিজেই এলেন দল খুঁজতে খুঁজতে সেই অন্ধ সন্ন্যাসীর কাছে । জিজ্ঞেস করলেন- তিনি কোন শিকারী দল দেখেছেন কিনা । সন্ন্যাসী বললেন- আপনি নিশ্চিতই রাজা, তাইনা! একজন সৈন্য, একজন সেনাপতি আর একজন মন্ত্রীও এসেছিলেন এখানে । রাজা সবিস্ময়ে জিজ্ঞেস করলেন- আপনি দেখতে পান না, তারপরও কিভাবে বুঝলেন যে আমি রাজা? আমার পরিচয়তো দেইনি! আর কে সৈন্য, কে সেনাপতি, কে মন্ত্রী ছিল সেটাও বা কিভাবে জানলেন?
সন্ন্যাসী স্মিত হাসলেন । বললেন – প্রথম যিনি এলেন আপনার খোঁজ করতে, তিনি আমাকে “তুই” এবং “অন্ধ” সম্বোধন করে অসন্মানসূচকভাবে জিজ্ঞেস করছিলেন আপনার কথা । তখন বুঝলাম – তিনি কোন সাধারণ সৈন্যই হবেন । এরপর এলেন সেনাপতি । তিনি অন্ধ বলে আমাকে সম্বোধন করেননি বটে, কিন্তু তাঁর কথায় ছিল এক প্রকার ধমকের সুর । বুঝলাম- তিনি সেনাপতিই হবেন । এরপর মন্ত্রী এলেন । তিনি অপমানসূচক ভাবে আমাকে হয়তো কিছু বলেননি, কিন্তু কোন সন্মানও দেখাননি । তাঁর কন্ঠে এক প্রকার কর্তৃত্ব ছিল । বুঝলাম তাঁর অবস্হান পূর্বোক্ত দুজনের উপরে হবে । অর্থাৎ তিনি মন্ত্রীই হবেন । এরপর আপনি এলেন । আমি শুনতে পেলাম ঘোড়া থেকে আপনার নেমে আসার শব্দ- যদিও ঘোড়ায় বসেই আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারতেন । পূর্বোক্ত তিনজনের কেউই আমার মতো কপর্দকহীনকে প্রশ্ন করতে ঘোড়া থেকে নামেননি । অথচ আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে ঘোড়া থেকে শুধু নামলেনই না, আমার সামনে নতজানু হয়ে বসলেন ; আমাকে প্রনাম করে শ্রদ্ধাপূর্ন সম্ভাষণপূর্বক জিজ্ঞেস করলেন আমি কাউকে দেখেছি কিনা ।
আপনাদের কেউই নিজের পরিচয় দেননি আমাকে তবুও আমি জেনে গিয়েছি আপনাদের এক একজনের পরিচয়!”
.
[ভাবানুবাদ : Sharifa Haq ]

See also  Panjeree guide for class 5 pdf free download | পাঞ্জেরী গাইড class 5 pdf download

প্রেম পাগলামি-মানসিক অসুস্থতারই আরেক নাম— 🥀🥀
তরুণ বয়সে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি জৈবিক আকর্ষণ স্বাভাবিক। কিন্তু এ আসক্তিকে সংযত করতে না পারলে জীবনের সম্ভাবনা বিকাশের পক্ষে তা প্রতিবন্ধকতা হয়ে দেখা দিতে পারে। তথাকথিত প্রেম নামের জৈবিক আসক্তির কবলে পড়ে কত তরুণ-তরুণী যে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জীবনের সম্ভাবনাকে নষ্ট করেছে, নিজের এবং পরিবারের জীবনে বিপর্যয় ডেকে এনেছে তার ইয়ত্তা নেই।
প্রেম পাগলামি বা প্রেমরোগ আসলে মানসিক অসুস্থতারই অন্য নাম। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের ফেব্রুয়ারি ২০০৬ সংখ্যায় ‘লাভ দা কেমিকেল রি-একশন’ শিরোনামের এক বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ইতালির পিসা ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপিকা ডোনাটেলা মারাজিতি তার সহকর্মীদের নিয়ে ২৪ জন নারী-পুরুষের ওপর এক জরিপ চালান। এদের সবাই গত ছয় মাসের মধ্যে প্রেমে পড়েছে এবং প্রতিদিন অন্তত চার ঘণ্টা সময় এরা বাস্তবে প্রেমিক/ প্রেমিকার সাথে কাটায়, নয়তো মনে মনে চিন্তা করে। এদের সাথে তুলনা করার জন্যে মারাজিতি বেছে নেন আরো দুটো গ্রুপ। একটি গ্রুপ অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) নামে এক মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত। আরেকটি গ্রুপ এ দুটো থেকেই মুক্ত, অর্থাৎ তারা প্রেমেও পড়ে নি এবং মানসিকভাবেও অসুস্থ নয়।
পরীক্ষায় দেখা গেল, প্রেমে পড়া আর মানসিকভাবে অসুস্থ দুই গ্রুপের মানুষের মস্তিষ্কেই সেরেটনিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৪০ ভাগ কম। সেরেটনিন হলো মস্তিষ্কের এমন এক নিউরোট্রান্সমিটার, যার পরিমাণ কমে গেলেই বিষণ্নতা, অবসাদ, খিটখিটে মেজাজ এবং ওসিডির মতো মানসিক রোগ দেখা দেয়। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, প্রেমে পড়লেও একই অবস্থা হয়। কাজেই যৌক্তিকভাবেই বলা যায়, প্রেমে পড়লে মানুষ আর মানসিকভাবে সুস্থ থাকে না। তার বিচারবুদ্ধি লোপ পায় এবং সে অন্ধ আবেগে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এ আবেগের স্থায়িত্ব আবার খুবই কম। আজকে যাকে না পেলে বাঁচব না বলে মনে হচ্ছে, বছর না ঘুরতেই মনে হতে পারে যে, তাকে না ছাড়লে বাঁচব না। ছয় মাস আগেও যে চেহারাটা একনজর দেখার জন্যে অস্থির হতো মন, এখন সে চেহারাটাই হতে পারে সবচেয়ে অসহ্য দৃশ্য।
এর কারণ কী? বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এর পেছনে আছে ডোপামাইন নামে এক নিউরোট্রান্সমিটারের ভূমিকা। প্রেমিক বা প্রেমিকাকে দেখলে মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশ এই ডোপামাইন দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়। এর প্রভাবে শরীর-মনে তখন সৃষ্টি হতে পারে বাঁধভাঙা আনন্দ, অসাধারণ প্রাণশক্তি, গভীর মনোযোগ ও সীমাহীন অনুপ্রেরণা। এজন্যেই হয়তো যারা সদ্য প্রেমে পড়ে, হঠাৎ করেই তাদের মধ্যে এক ধরনের বেয়াড়া, একগুঁয়ে, দুঃসাহসী চরিত্র ফুটে ওঠে। ঘর ছাড়বে, সিংহাসন ছাড়বে, জীবন দেবে; তবু প্রেম ছাড়বে না—এমনই এক বেয়াড়াপনা দেখা যায় তাদের মধ্যে। বিজ্ঞানীরা বলেন, মাদকাসক্তির সাথে এ অবস্থাটার খুব মিল রয়েছে।
মাদকাসক্তদের কিন্তু মাদক গ্রহণের পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলে। কারণ মাদকের পরিমাণ যা-ই হোক না কেন ব্রেন তাতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে পরিমাণ না বাড়ালে তার নেশা হয় না। প্রেমের ক্ষেত্রেও তা-ই। তীব্র আবেগের আতিশয্য খুব বেশি সময় ধরে থাকে না যদি না নতুন নতুন উত্তেজনা দেয়া না যায়। কিন্তু বাস্তব জীবনে তো আর তা সম্ভব নয়। ফলে অল্পতেই ঘোলাটে হয়ে যায় আবেগের রঙিন চশমা।
আসলে স্বর্গীয়, পবিত্র ইত্যাদি নানারকম বিশেষণ যুক্ত করে যে প্রেমকে মহান বানানোর চেষ্টা চলে, তা যে স্রেফ বংশধারা রক্ষার জন্যে নারী-পুরুষের জৈবিক চাহিদারই নামান্তর তা বিজ্ঞানীদের কথায় স্পষ্ট হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পারস্পরিক আকর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষ বা একজন নারী অবচেতনভাবেই এমন সঙ্গীকে পছন্দ করে, যে তাকে সুস্থ-সবল একটি সন্তান উপহার দিতে পারবে। এক জরিপে দেখা গেছে, মহিলাদের কোমর ও হিপের বিশেষ গড়ন এবং পুরুষদের লম্বা-চওড়া শক্ত গড়ন যা তাদের টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন ক্ষমতা বেশি হওয়াকে নির্দেশ করে, তার ওপর নির্ভর করে কে কতটা আকর্ষণীয় হবে। আর নারী ও পুরুষের এ দুটো বৈশিষ্ট্যই তাদের সন্তান জন্মদানের সামর্থ্যকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
তাই বিজ্ঞানীদের পরামর্শ, প্রেমের পাগলামিকে আবেগের হাওয়া না দিয়ে ব্রেনের জৈব রাসায়নিক কার্যকারণ হিসেবেই দেখুন। তাহলেও অন্তত আপনি এ দুর্দশা থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে পারবেন।

See also  is it a good idea to Get Your Ears Double Pierced? (Complete Guide)

আজকে আমরা আপনাদের কে ৫ম শ্রেণীর গাইড pdf download | Class 5 Guide book pdf download লিংক দিয়েছি। আশা করি আপনাদের অনেক অনেক উপকার হয়েছে।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page