বাংলা থ্রিলার বই PDF Download

সেরা গোয়েন্দা গল্পের বই pdf download | Bangla goyenda golpo pdf free download

আজকে আমরা আপনাদের অনেক অনুরোধের বই সেরা গোয়েন্দা গল্পের বই pdf download | Bangla goyenda golpo pdf free download লিংক নিয়ে চলে এলাম।

সেরা গোয়েন্দা গল্পের বই pdf download | Bangla goyenda golpo pdf free download

1. Feluda Shomogro Part-1 [File Size: 6.71MB]

2. Feluda Shomogro Part-2 [File Size: 6.37MB]

3. Feluda Shomogro Part-3 [File Size: 6.53MB]

4. Feluda Shomogro Part-4 [File Size: 7.90MB]

5. Feluda Shomogro Part-5 [File Size: 66.2MB]

6. Feluda Shomogro Part-6 [File Size: 15.3MB]

7. Pahare Feluda [File Size: 10.1MB]

Byomkesh Bakshi Shomogro [File Size: 103 MB]

1. Kakababu Shomogro Part-1 [File Size: 21.3 MB]

2. Kakababu Shomogro Part-2 [File Size: 23.2 MB]

3. Kakababu Shomogro Part-3 [File Size: 33.7 MB]

4. Kakababu Shomogro Part-4 [File Size: 20.4 MB]

5. Kakababu Shomogro Part-5 [File Size: 19.4 MB]

6. Kakababu Shomogro Part-6 [File Size: 20.1 MB]

7. Kakababu Shomogro Part-7 [File Size: 24.3 MB]

1. Mitin Mashi Shomogro 1 [File Size: 28.7 MB]

2. Mitin Mashi Shomogro 2 [File Size: 44 MB]

1. Pandab Goenda Shomogro Volume 1

2. Pandab Goenda Shomogro Volume 2

1. Arjun Shomogro Volume 1

2. Arjun Shomogro Volume 2

3. Arjun Shomogro Volume 3

4. Arjun Shomogro Volume 4

বুক রিভিউ — তানভীর সিদ্দিকী তোয়াহা
উপন্যাসের নামঃ অন্তরগঙ্গা
লেখকঃ গোলাম রাব্বানী
প্রচ্ছদঃ ধ্রুব এষ
প্রকাশনাঃ নালন্দা
প্রাপ্তিস্থানঃ অমর একুশে বইমেলা ২০২০ নালন্দা প্রকাশনির ২৬ নাম্বার প্যাভিলিয়ন।
মুল্যঃ ২২৫ টাকা
বই হচ্ছে আমাদের মনের খোঁড়াক । আমরা অনেক আছি যারা নিয়মিত বই পড়তে ভালবাসি। আবার অনেক আছে যাদের যখন খুব মন খারাপ থাকে বা খুব আনন্দে থাকে তখন বই পড়ে ।কেউ কেউ আবার লিখেও।
একজন তরুন লেখক গোলাম রাব্বানী ।যার আগের বই গুলোও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পাঠকদের মধ্যে। এবারের নতুন বই হচ্ছে ‘অন্তরগঙ্গা’ । নাম শুনলেই যেন কি এক রহস্য লুকিয়ে আছে বুঝা যায়। আমরা কত গঙ্গার নাম শুনেছি কিন্তু । এটা কেমন গঙ্গা। কি আছে তার মধ্যে । এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানতেই । বইটি সংগ্রহ করি।
বাসায় এসে যখন বইয়ের পাতা উল্টাতে লাগলাম। প্রথমে চোখে পড়লো
“আমার থাকুক অন্তরঙ্গার আছড়ে পড়া ঢেউ,
আমার থাকুক উদাস জলের ন্যায়,
ভীষণ অভিমানী কেউ” ।
এই লাইন গুলো প্রথমেই আমার মনকে স্পর্শ করে। মনের গভীরকে ছুঁয়ে দেয়। তারপর এক এক করে পাতা উল্টাতে লাগলাম। লেখক গল্পগুলো এমন সুন্দর ভাবে সাজিয়েছেন। যখন পড়ছিলাম সব গল্প যেন সিনেমার মতো আমার চোখের সামনে ভাসছিলো। ভেবেছিলাম অল্প অল্প করে পড়বো কিন্তু গল্পগুলো আমায় এমন টেনে নিয়ে যাচ্ছিল , আমাকে দ্রুত পড়তে হলো । বই পড়ে কখন ও ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে আবার কখন ও চোখের কোণে জল। এভাবেই চলতে থাকে। হাসি কান্নার মধ্য দিয়েই এগুচ্ছে উপন্যাস। কখনো বা সামাজিক উপন্যাস আবার কখনো বা মনে হয় রোমান্টিক। প্রত্যেকটা চরিত্র এতো ভালো ভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে। খুবই নিখুঁত ভাবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে উপন্যাসে অনেক গুলো গল্প এক সাথে এগিয়ে যায় । মায়মুনা-হাসান-মোজাম্মেল, ইসহাক সাহেব,আব্বাস শিকদার, নাসিমন-কোহিনূর , ফাহিম-নিশি। তবে আমার কাছে মনে হয় ফাহিম-নিশি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। ফাহিম-নিশির কিছু কথোপকথন ছিল যেগুলো যে কারো মন কে স্পর্শ করতে পারে। পরবর্তীতে তাদের ঘিরে গল্পটি এগিয়ে যায়। একটা নির্মম দুর্ঘটনা, আব্বাস শিকদার নামে সন্ত্রাসীর বর্বরতা তার সাথে একটা পতিতালয়। সেই পতিতালয়ে থাকা মানুষেরা কেমন আছে ,কিভাবে কাটছে তাদের দিন সেই সব গল্পও তোলে ধরেন লেখক।
প্রতিটা উপন্যাস পড়ার পরে আলাদা একটা রেশ বেচে থাকে,আরো জানার আগ্রহ থাকে । একইভাবে অন্তরঙ্গা পড়ার পরে বেচে আছে জানার আগ্রহ। কেমন আছে এখন শ্যামনগর, কেমন আছে কল্যাণপুরের রেস্ট হাউজ। নাসিমন কি ফিরে গিয়েছিলো সেখানে তার মেয়ের কাছ নাকি সে তার ছেলে কে নিয়ে ভালো আছে। ইসহাক সাহেব এখন কি ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। অবশেষে কি হলো ফাহিম নিশির। এই সব প্রশ্ন বারবার আমার মনকে আন্দোলিত করছে। ।
আমার মতোনআপনিও যদি অন্তরগঙ্গা সম্পর্কে জানতে চান । তাহলেই আপনাকেও পড়তে হবে অন্তরগঙ্গা উপন্যাসটি।
ফাহিম – নিশির খবর জানতে আমি ২য় পর্বের অপেক্ষা করছি। লেখকের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা। আশা করি আপনাদের ও উপন্যাস টি মন ছুঁয়ে যাবে।

বুক_রিভিউ.
বই : পুণ্যময়ী.
লেখক : মাহিন মাহমুদ.
পৃষ্ঠা : ২০০.
মুল্য : ১৭০.
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল হাসান.
জারা। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। ছোট এক বোন। মা নেই। বাবা সামান্য একজন চাকরিজীবী ছিলেন। রিটায়ার্ড করেছেন। সংসারে সচ্ছলতা নেই।
হঠাৎ বড় ধরনের একটা সুযোগ আসে জারার জীবনে। খ্যাতি, সন্মান এবং বিপুল অর্থ উপার্জনের এমন বিশাল সুযোগ খুব কম মানুষের জীবনেই আসে। বিস্ময়ের শুরু তখনই, যখন লোভনীয় সে সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করে জারা।
কোনো এক ঘটনায় জারার জীবনে ঘটে যায় আমূল পরিবর্তন।
কী ছিল সেই ঘটনা ?
হিদায়াতের পথ পেয়ে পুণ্যময়ী জারা এরপর বসে থাকে না। তার ভাবনায় ব্যতিক্রম কিছু। সে চায় সমাজের সর্বশ্রেণির মেয়েদের কাছেই দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছোক।
এ ক্ষেত্রে জারার প্রথম লক্ষ্য অভিনেত্রী কাবেরি। ব্যাস্ত এবং দেশজুড়ে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলা কি এতই সহজ?…..
জারার সামনে একটাই সুযোগ!
টেলিভিশনে অভিনেত্রীর একটা লাইভ অনুষ্ঠান।
লাইভ অনুষ্ঠানটির পর পুলিশের লক্ষবস্তুতে পরিণত হয় জারা।…….
সে নাকি জঙ্গি।
পুলিশ তাকে খুঁজতে থাকে …..
কী ঘটে তারপর ?…..
জানতে হলে পরতে হবে বইটি,

See also  (All) হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড বই PDF Download | Henry Rider Haggard Books Bangla PDF Download

জীবনে এই প্রথম রিভিউ 😍
খালিদ ভাইয়ের “দ্যা ডার্ক ডেভিল” বই দিয়েই প্রথম রিভিউ করবো বলে ভেবে রেখেছিলাম,এতোদিনের অপেক্ষার অবসান ঘঠলো আজ,আজ আমি রিভিউ করছি,নিজের মধ্যে একটা আলাদা ভালো-লাগা কাজ করছে🤗 যাই হোক এতো কথা না বলি।
খালিদ ভাই, খালিদ ভাই কি? কি করেন? আদও কি উনার নাম খালিদ তাও জানি না,উনার সাথে আমার পরিচয় আমারই একজন পাঠকের মধ্যেমে,খালিদ ভাইয়ের bio দেখেই আমি উনার ফ্যান হয়ে গিয়েছিলাম,তারপর একএক করে গল্প পড়া শুরু করলাম,খালিদ ভাইয়ের গল্পে যেন জাদু ছিলো,বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না,আমি প্রথম প্রথম যখন খালিদ ভাইয়ের গল্প পড়তাম,তখন আমি স্কুল ফাঁকি দিয়ে ফোন নিয়ে বসতাম শুধু মাএ খালিদ ভাইয়ের গল্প পড়ার জন্য, এক আলাদা নেশা ছিলো উনার গল্পে,গল্প পড়তে পড়তে কখন যে সকাল গড়িয়ে বিকেল হয়ে যেত বুজতেই পারতামনা,রহস্যের বেড়া জালে জড়িয়ে পরতাম,এক উদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করতো,আমি জানি আমার থেকেও আরো বড় ফ্যান আছে খালিদ ভাইয়ের,তবে আমার কাছে আমার থেকে বড় ফ্যান আর দুটা নেই😍
মিরাকল মিশন এর ১০ নম্বর সিকুয়েল “দ্যা ডার্ক ডেভিল ” ভাইয়ের প্রথম বই,এই বইটা হাতে পাওয়ার দিন গুনছি,অপেক্ষার সময় যেন শেষ হতে চায় না।
আপনি এখনও খালিদ ভাইয়ের গল্প পড়ে না থাকলে,পড়ে নিন,বিশ্বাস করুন আপনার সময় নষ্ট হবে না,আপনিও খালিদ ভাইয়ের ফ্যান হয়ে যাবেন💓
বই- দ্যা ডার্ক ডেভিল
লেখক- Khalid Hasan
প্রকাশনী- আলোর ঠিকানা
প্রকাশকাল- একুশে বইমেলা ২০২০
সফল হউক “দ্যা ডার্ক ডেভিল ” পাঠকদের হৃদয় ছুয়ে যাক, শুভ কামনা রইলো প্রিয় লেখক খালিদ হাসান ভাইয়ের জন্য

বুক রিভিউ
বাজারে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বইয়ের সংখ্যা শত শত। কিন্তু গুরুত্বের দিক বিবেচনায় বইটি বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো। ছাত্রজীবনেই বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের ভিত্তিপ্রস্তর নির্মিত হয়েছিল। সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকার কারণে বঙ্গবন্ধু সেই ছাত্রজীবন অসমাপ্তই থেকে যায়।
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে আমরা দেখতে পাই যে তাঁর রাজনৈতিক জীবনটা অনেক সংগ্রাম এবং পরিশ্রমের। ছাত্রজীবনেও তাঁকে অনেক সংগ্রাম এবং পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তাঁর সেই ছাত্রজীবনের অনুপ্রেরণার ঘটনাগুলো নিয়েই ‘অসমাপ্ত ছাত্রজীবন’ বইটি রচিত হয়েছে।
ছাত্রজীবনের শুরুতেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁর মোট চার বছর পড়াশুনা ব্যহত হয়। ১৯৩৪ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর চোখে বেরিবেরি রোগ হয়। চোখের চিকিৎসার জন্য কলকাতা নেয়া হয়। এই অসুখে তাঁর দুই বছর শিক্ষাজীবন নষ্ট হয়। ১৯৩৬ সালে আবারও বঙ্গনন্ধুর চোখে গ্লুকোমা রোগ হয়। এবারো তাঁকে চিকিৎসা নেয়ার জন্য কলকাতা নিয়ে যাওয়া হয়। ছাত্রজীবনের শুরুতে এভাবেই তিনি বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হন।
বঙ্গবন্ধু শিক্ষার জন্য এন্ট্রান্স পাস করার পরে কলকাতা চলে যান। সেখানে ইসলামি কলেজে ভর্তি হন। সেখানে পড়ার সময় ১৯৪৩ সালে নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্রলীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ১৯৪৬ সালে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এভাবে ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর রাজনৈতিক সফলতার গল্প রচিত হতে থাকে।
১৯৪৭ সালে বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। তাঁর বাবার ইচ্ছা ছিল ছেলেকে আইনজীবী বানাবেন। সম্ভবত এজন্যই তিনি আইন বিভাগে ভর্তি হন। এই সময়ে তিনি আরও গভীরভাবে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পরেন। অনেক জেল-জুলুম এবং নির্যাতনের মধ্যেও তিনি রাজনীতিতে অটল ছিলেন। নেতা হওয়া কিংবা সুনাম অর্জনের জন্য তিনি রাজনীতি করেন নাই। রাজনীতি করেছেন দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য।
পাকিস্তান সরকার যখন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্যে উঠেপরে লেগেছিল তখন বঙ্গবন্ধুসহ সকল ছাত্র কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তা সহ্য করতে পারেনি। তারা বঙ্গবন্ধুসহ বহু ছাত্রনেতাকে কারাবরণে বাধ্য করে। এই ঘটনা ঘটে ১৯৪৮ সালে। তারপর থেকে এদেশের ছাত্রসমাজ উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রশ্নে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়নি।
বঙ্গবন্ধু ১৯৪৯ সালে যখন আইন বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র তখন তাঁর ছাত্রজীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটি ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারীদের মধ্যে দাবি-দাওয়া নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। এটি নিয়ে তাদের মধ্যে আন্দোলনের তোড়জোড় শুরু হয়। এক পর্যায়ে তারা ধর্মঘটে চলে যান। বঙ্গবন্ধুসহ বেশ কয়েক জন ছাত্রনেতাও কর্মচারীদের এই ধর্মঘটের সমর্থনে এগিয়ে আসে। ছাত্রদের সহযোগিতা ও সমর্থন কর্মচারীদের মধ্যে বিশাল সাহস জোগায়।
ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে ও পরিচালনায় কর্মচারীদের আন্দোলন তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য এক বিরাট চ্যালেন্জ হয়ে দাঁড়ায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধুসহ ২৭ জন ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধুকে জরিমানা ও মুচলেকা দেয়ার শর্তে তাঁর ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু মুচলেকা দিয়ে এই শাস্তি থেকে রেহাই পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা শেখ মুজিবের কাছে মর্যাদাপূর্ণ মনে হয়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৪-০৮-২০১০ তারিখের এক সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছাত্রত্ব কেড়ে নেওয়ার তৎকালীন সিদ্ধান্তটি বাতিল করেছেন।
বই: অসমাপ্ত ছাত্রজীবন
লেখক : শরিফুল হাসান শুভ
মূল্য: ২৪০ টাকা
পৃষ্ঠা: ৯৪
প্রকাশক : প্রতিভা প্রকাশ

See also  (All) হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড বই PDF Download | Henry Rider Haggard Books Bangla PDF Download

আজকে আপনাদের অনুরোধের বই সেরা গোয়েন্দা গল্পের বই pdf download | Bangla goyenda golpo pdf free download লিংক দিয়েছি।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page