পাঞ্জেরী লেকচার অনুপম গাইড PDF Downloadসকল শ্রেণীর লেকচার গাইড PDF Download

রসায়ন ২য় পত্র হাজারী নাগ সমাধান PDF Download | Chemistry 2nd paper Hazari Nag pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে রসায়ন ২য় পত্র হাজারী নাগ সমাধান PDF Download | Chemistry 2nd paper Hazari Nag pdf download লিংক দিবো।। তাহলে আর দেরী কেন চলুন শুরু করি।

বইঃ রসায়ন ২য় পত্র হাজারী নাগ সমাধান PDF Download | Chemistry 2nd paper Hazari Nag pdf download

টাইপঃ রসায়ন

সাইজঃ ১২এম্বি

বই: তান্ত্রিকের গোপন পুঁথি
লেখক: মিহির গাঙ্গুলী
প্রকাশনী: সাহিত্যম, কলকাতা
পৃষ্টা: ৩৪৪
দাম: ২৭০ টাকা
রেটিং: ৮/১০
পড়ে শেষ করে করলাম মিহির গাঙ্গুলীর তান্ত্রিকের গোপন পুঁথি। এক কথায় চমৎকার। একদিকে থ্রিলার, আধ্যাত্মিক, ইতিহাস আশ্রিত। প্রাচীন বিদ্যাপীঠ নালন্দার একজন আচার্য নাগার্জুনের একটি পুঁথি নিয়ে ঘটনা শুরু। ইংরেজ আমল থেকে শুরু শেষ স্বাধীন ভারতের।

সেই গোপন পুঁথির তন্ত্র সাধনা খুবই দুর্লভ ও ভয়ংকর। বইটি পড়লে জানা যাবে, তিব্বতী সাধুদের কথা, আশ্রমবাসী গৃহত্যাগী সাধুদের কথা, কাপালিকদের কথা, আদি কালী পূজার কথা, নবদ্বীপের কৃষ্ণনান্দ আগমবাগীশ প্রতিষ্ঠিত দশম আদি কালীর কথা, সনাতন ধর্মের তন্ত্র বৌদ্ধ ধর্মের সাথে মিলে কিভাবে তন্ত্র সাধনা হয়।
নাগার্জুন, যাকে বলা হয় মহাসিদ্ধ নাগার্জুন। তন্ত্র সাধনা করতে করতে আধাত্মবাদের শীর্ষে উঠে, নিজেও কিছু তন্ত্র সাধনা আবিষ্কার করে। তারপর প্রাচীন পালি ভাষায় লিপিবদ্ধ করে।

নিজেই নিজের লিপিবদ্ধকৃত পুঁথি পড়ে বুঝতে পারে, এই পুঁথি কারও হাতে পড়লে সে তন্ত্র সাধনা করে মহাশক্তির অধিকারী হবে। এই জন্য নিজের লিপিবদ্ধ পুঁথি বাম হাত দিয়ে নিজের বুকের সাথে সব সময় ধরে রাখতো, এতে উনার বাম হাত অবশ হয়ে যায়। আর পুঁথির নাম হয়, কক্ষপুটম। পরবর্তীতে সেই পুঁথি আবার আরেকজন মহাসাধক পালি থেকে সংস্কৃত ভাষায় অনুলিপি করে। মূলত সেই পুঁথি নিয়ে উপন্যাস। চোর ও দখলবাজ ইংরেজদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য, সাধু-যোগীরা পুঁথিটি রক্ষা করে। পুঁথিটি সবাই স্পর্শ করতে পারে না, যক্ষমন্ত্রে আবদ্ধ।

শুদ্ধ হয়ে সাধনা করে ও বিশেষ গুণী ব্যক্তি পুঁথিটি স্পর্শ করতে পারে। নাহলে, অপঘাতে মৃত্যু অনিবার্য।
এই হলো তান্ত্রিকের গোপন পুঁথি। এক কথায় অসাধারণ। এক নিঃশ্বাসে পড়ার মত বই।
পোস্টদাতার দেওয়া অতিরিক্ত ইতিহাস:
কাপালিক:
বাঙালির কর্ণকুহরে ‘কাপালিক’ শব্দটা কোনও কারণে প্রবেশ করলে একটা সামূহিক স্মৃতি ঝনকে ওঠে। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’-র পাতা থেকে জটাজূটধারী, রক্তবসন, ভীষণদর্শন কেউ ব্যারিটোন কণ্ঠে বলে ওঠে— ‘মমানুসর’। তাকে অনুসরণ করলে ডুবে যেতে হবে এমন সব বিভীষিকায়, যা বাঙালির স্মৃতিরেখায় বিধৃত রয়েছে বঙ্কিমেরও আগে থেকে। কাপালিক এমন এক সম্প্রদায়, তাদের সম্পর্কে যা জানা যায় তা সত্য কি মিথ্যা, নিরূপণ করা যায় না।

See also  [PDF] অক্ষরপত্র প্রকাশনী পদার্থবিজ্ঞান বই pdf download | Akkharpatra Physics Solution Book PDF Download

বঙ্কিম তাঁর উপন্যাসে কাপালিককে অ্যান্টাগনিস্ট হিসেবেই রেখেছিলেন। নবকুমার-কপালকুণ্ডলার প্রণয়লীলার পাকা ধানে মই দেওয়ার জন্যই তার সৃষ্টি। অনেক কাল পরে বিমল কর এক কিশোর উপন্যাসে কাপালিকদের প্রসঙ্গ এনেছিলেন। সেখানেও কাপালিক এক ভয়ঙ্কর বস্তু। কিন্তু একটু ফুরসত নিয়ে ফিরে তাকালে দেখা যাবে, কাপালিকরা সেই ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’-‘বত্রিশ পুত্তলিকা’-র কাল থেকেই রয়েছেন। হয়তো তার আগে থেকেই রয়েছেন।

কিন্তু কোনওদিনই তাঁদের খুব সুবিধের আলোয় দেখা হয়নি। প্রশ্ন থেকেই যায়, কারা এই ‘কাপালিক’ সম্প্রদায়ভুক্ত? তাঁরা কেনই বা সেই আদিকাল থেকে আজকের দিন পর্যন্ত ভারতীয় গণসমাজে ব্রাত্য থেকে গিয়েছেন?
কাপালিকদের সম্পর্কে ভারতীয় সমাজে যে সাধারণ ধারণাটি চালু রয়েছে, তার সারমর্ম এই—
• কাপালিকরা তান্ত্রিকদেরই একটা দলছুট সম্প্রদায়। তান্ত্রিকরা যদি ‘ডার্ক’ হয়ে থাকেন, কাপালিকরা আরও বেশি ছায়াচ্ছন্ন।
• কাপালিক মাত্রেই নরবলি দেন। শবসাধনা করেন।
• কাপালিকরা কালোজাদুর চর্চা করেন। তাঁরা অশুভশক্তির উপাসক।
• কাপালিকরা যে কোনও মানুষের যখন তখন ক্ষতি করতে তৎপর।
কাপালিকরা কৌপিন পরে ও হাতে ত্রিশূল রাখে। অঘোরীদের মত শ্মশানচারী ও বিভূতি মাখে। তিব্বত সীমান্তের গহীন অঞ্চলে থাকে।
কিন্তু একথা স্বীকার করতেই হবে, বাস্তবে কোনও সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসীই নিজেকে ‘কাপলিক’ বলে ঘোষণা করেন না।

তান্ত্রিকরা তো ননই। পুরাণ অনুযায়ী, ত্রিজগতে একজনই ‘কাপালিক’। তিনি স্বয়ং শিব। ‘শিবপুরাণ’ থেকে জানা যায়, ব্রহ্মার সৃষ্টিতে মহাদেব মোটেই খুশি ছিলেন না। কিন্তু ব্রহ্মা তাঁর সৃষ্টি নিয়ে যথেষ্ট গর্ব পোষণ করতেন। এই গর্ব থেকেই চতুর্মুখ ব্রহ্মার শিরে আরও একটি মুণ্ড দেখা দেয়। শিব এই মুণ্ডটি কেটে ফেলেন। পরে ব্রহ্মা তাঁকে জানান, সব কিছু সৃষ্টি করলেও তিনি দুঃখ-দুর্দশা সৃষ্টি করেননি। জীবজগতের অজ্ঞতাই তাদের দুর্দশার জন্য দায়ী। শিব অনুতপ্ত হন। এবং তাঁর উপরে ব্রহ্মহত্যার পাপ এসে লাগে। প্রায়শ্চিত্তের জন্য তিনি ব্রহ্মকপালে ভিক্ষান্ন গ্রহণ করতে শুরু করেন। সেই থেকে তিনি ‘কাপালিক’ নামে পরিচিত হন।
নাগার্জুন:
(আনুমানিক ১৫০-২৫০ খ্রি:) গৌতম বুদ্ধের পরবর্তী সর্বাধিক প্রভাবশালী বৌদ্ধ দার্শনিকদের অন্যতম।

See also  ৫ম শ্রেণীর গণিত গাইড বই pdf download | class 5 math solution pdf free download

তার শিষ্য আর্যদেবের সাথে তাকে ‘মহাযান’ বৌদ্ধধর্মের ‘মাধ্যমিক’ শাখার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কৃতিত্ব দেয়া হয়। তাকে ‘প্রজ্ঞা পারমিতা সুত্র’ সম্পর্কিত দর্শনের উন্নয়নের কৃতিত্ব দেয়া হয় এবং কোন কোন মতানুসারে এই সম্পর্কিত পুঁথিগুলো নাগ (সাপ/ড্রাগন)দের থেকে উদ্ধার করে, বিশ্বে প্রকাশ করেছেন। ধারনা করা হয় তিনি চিকিৎসা রসায়ন শাস্ত্রের উপর কয়েকটি রচনা করেছেন এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন
নাগার্জুনের জীবন সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়, কারণ তার ব্যাপারে বর্তমানে যা কিছু পাওয়া গেছে তা নাগার্জুনের মৃত্যুর শত শত বছর পর চীনা এবং তিব্বতী ভাষায় লিখিত।

কিছু সূত্র মতে, নাগার্জুন দক্ষিণ ভারতীয় কিছু পন্ডিতের মতে, নাগার্জুন সাতবাহন রাজবংশের এক রাজার উপদেষ্টা ছিলেন। অমরাবতীতে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হতে ধারণা করা হয়, এই তথ্য সত্য হলে সেই রাজা ছিলেন Yajna Sri Satakarni যিনি ১৬৭ খ্রি: হতে ১৯৬ খ্রি: পর্যন্ত রাজত্ব করেন। এই তথ্য হতে নাগার্জুনের জীবনকে ১৫০ খ্রি: হতে ২৫০ খ্রি: এর মধ্যে ফেলা যায়।
চতুর্থ/পঞ্চম শতাব্দীতে কুমারজীব অনুদিত জীবনি অনুসারে নাগার্জুনের জন্ম ব্রাহ্মন পরিবারে। নাগার্জুন পরবর্তিতে বৌদ্ধ ধর্মে দিক্ষিত হন।
কিছু সূত্র মতে নাগার্জুন তার জীবনের শেষ দিকে শ্রীপর্বতের পাহাড়ে বসবাস করতেন, যার নিকটবর্তি শহর পরবর্তিতে নাগার্জুনকোন্ডা (নাগার্জুনের পাহাড়) নামে পরিচিত হয়। নাগার্জুনকোন্ডা বর্তমান ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নালগোন্ডা/গুন্টুর জেলার কাছাকাছি অবস্থিত।

রসায়ন ২য় পত্র হাজারী নাগ সমাধান PDF Download | Chemistry 2nd paper Hazari Nag pdf download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page