Life style: Tips and Tricks

নবম দশম শ্রেণীর সকল গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 9-10 guide book pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে নবম দশম শ্রেণীর সকল গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 9-10 guide book pdf download লিংক দিবো। আশা করি আপনাদের অনেক উপকার হবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

নবম দশম শ্রেণীর সকল গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 9-10 guide book pdf download

নবম দশম শ্রেণীর গণিত সমাধান বই pdf download

নবম দশম শ্রেণীর উচ্চতর গণিত সমাধান pdf download

নবম দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান গাইড ডাউনলোড pdf

নবম দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান গাইড ডাউনলোড pdf

নবম দশম শ্রেণীর রসায়ন গাইড ডাউনলোড pdf

নবম দশম শ্রেণীর হিসাব বিজ্ঞান গাইড বই ডাউনলোড pdf

নবম দশম শ্রেণীর বাংলা গাইড PDF Download

Panjeree guide for class 9-10 pdf download

অনুপ্রেরনার গল্প পড়ুনঃ

ভেঙে পড়া মেয়েদের জন্য,,,

শুধু ফুসকা খাওয়ার লোভেই তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

নীল শাড়িটা পড়ার জন্য ও তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

বসন্ত এর বাতাসে তোমার খোলা চুলে গাদা ফুলের মালা পড়ার জন্য তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

বৃষ্টিতে তোমার ঐ আলতো হাতে চুড়ি পড়ে ভিজার জন্য হলেও তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

শীতের বিষন্ন সকালে সালটা জড়িয়ে একটু উষনতা নিতে তোমাকে হাজার বছর বাচতে হবে।

গল্পের বই গুলো ছুয়ে দেখার জন্য হলেও তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

রাতের আধারে গাঢ় নীল আকাশে তারা দের ভেসে যাওয়া দেখার জন্য হলেও তোমাকে হাজার বছর বেচে থাকার ইচ্ছে করতে হবে।

ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে মায়ের মুখটি দেখার সুখের জন্য তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

ভাইয়ের সাথে খুনসুটি করার জন্য হলেও তোমাকে হাজার বছর বাচার। ইচ্ছা করতে হবে।

প্রতারকের চোখের দিকে তাকিয়ে ঘৃণা ছুড়ে দেওয়ার লোভের জন্য তোমাকে হাজার
বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।
শত্রু এর চোখের সামনে দিয়ে খুশি হয়ে ঘুড়ে বেড়ানোর জন্য হলেও তোমাকে হাজার বছর বাচার। ইচ্ছে করতে হবে।

আসিনি তো স্বেচ্ছায় এই পৃথিবীর বুকে তবে ছেড়ে কেন যাবো স্বেচ্ছায়, এই বোধেই তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

জীবনের সকল জটিলতাকে আলিঙগন করে তুমি এখনো বেচে আছো, আর এই বেচে থাকার সুখেই তোমাকে হাজার বছর বেচে থাকার ইচ্ছে করতে হবে।

বেইমানদের ছাড়াও ভালো থাকা যায় এটা দেখাতে তোমাকে হাজার বছর বেচে থাকার ইচ্ছে করতে হবে।

ছেড়ে যাওয়া মানুষ গুলো ছাড়াও দিব্যি ভালো থাকা যায় এটা দেখাতে তোমাকে হাজার বছর বাচার ইচ্ছে করতে হবে।

এক জীবনে তোমার অনেক পাওয়ার আছে, অনেক দেবার আছে, অনেক জানার আছে, অনেক দেখার আছে।

সংগৃহীত

গল্প ২ঃ

১.রিক্সা বা অটো চলাচল বন্ধ না করে সরকারি, বেসরকারি অফিস আদালত, শপিংমল বন্ধ করে দেন। এই কর্মজীবী মানুষগুলো বাইরে বের হয় হয় বলেই রিক্সা আর অটোয়ালারা বের হয়। গন্তব্যে যাওয়ার লোক না থাকলে যানবাহন এমনিই অচল।
২. অটোরিক্সার ব্যাটারি চার্জে যে বিদ্যুতবিল খরচ হয় তারচেয়ে বেশি বিদ্যুত খরচ হয় সরকারি কর্মকর্তাদের আরাম আয়েশের ব্যবস্থায়। সেগুলো বন্ধ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন। গরিবের পেটে লাথি মেরে নয়।
৩. যাদেরকে বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিচ্ছেন তাদের বেতনের শতকরা পঞ্চাশ ভাগ কেটে নিয়ে গরিবদের ত্রান দেন। রিক্সাচালককে সাহায্য করেন। কেউ বাহিরে বের হবে না। বাকী পঞ্চাশ ভাগ টাকায় তারা সুন্দর করে চলতে পারবে।
৪. নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একান্তই প্রয়োজনীয় ঔষধাদির দাম কমিয়ে বা করোনার সময় ছাড় দিতে হবে এমন একটা নোটিশ টাঙিয়ে দেন এতে খেটেখাওয়া মানুষগুলোর অন্তত জরুরি সেবা বা মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে। নয়তবা সরকারিভাবে ডোর টু ডোর পৌঁছে দেন।
৫. প্রতিটি ওয়ার্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি কোভিড হাসপাতালে পরিণত করুন। সেখানে প্রয়োজনীয় উপকরনাদির ব্যবস্থা করেন। অভিজ্ঞ কাউকে নিয়োগ দেন।
৬. ইনিয়েবিনিয়ে কথা বাদ দিয়ে দ্রুত টিকার ব্যবস্থা করেন। করোনা যাওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। আগামী বিশ বছরেও যাবে কি না সন্দেহ! সুতরাং মার্কেট, শপিংমল, হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র সবজায়গায় স্যানিটাইজেশন নিশ্চিত করেন। স্যানিটাইজেশন সম্পর্কে সবাইকে অবগত করুন।
৭. লকডাউন, শাটডাউন উপরমহল থেকে শুরু করেন।
নিচের মহলের মানুষগুলো এমনিই ঠিক থাকবে তারা বের হবেনা আর।
৮. শিক্ষার্থীদেরকে অটোপাশ দেন। নাহলে একটা ফাইনাল ডিসিশন জানান স্কুল / কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয় কখন খুলবে। বারবার তাদের গুমরে যাওয়া ভাল দেখায় না।
৯. অনলাইন গেম নিষিদ্ধ করেন। অনলাইনে পড়ালেখার চেয়ে বেশি ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে গেম খেলছে। তাদের ভবিষ্যত এবং মানসিক স্বাস্থ্য। সুনিশ্চিত ও সুন্দর করুন।
১০. ডাটা প্যাকের মেয়াদ বাড়িয়ে এবং মূল্য কমিয়ে অনলাইন এজ্যুকেশন সুনিশ্চিত করেন। অনেক গরিব বাবাকে এবং বিধবা মাকেও এমবি ভরতে হয় সন্তানের অনলাইন ক্লাসের জন্য।
মনে রাখবেন বসে বসে আদেশ জারি করলেই হয় না। চতুর্দিক বিবেচনা করে দেখতে হয় । এতেই দেশ ও জাতির উন্নতি। নয়তো আপনাদের এই নাটক আর ভাল লাগছে না।

See also  চতুর্থ শ্রেণীর গণিত সমাধান গাইড ডাউনলোড PDF Download | class 4 math book solution pdf download

গল্প ৩ঃ

সকাল ৮:৩০, বাবা বাথরুমে গোসল করছে, একটুপর অফিসে যাবে। এদিকে এক নাগাড়ে বাবার ফোনে রিং বাজছে। আম্মু রান্নাঘর থেকে আমাকে বলছে, জুলি তোমার বাবার ফোন বাজে, দেখো তো কে কল করেছে..??
আমি বাবার টেবিল থেকে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলাম মিজান চাচা কল করেছে। ফোনটা নিয়ে এক দৌঁড়ে রান্নাঘরে গিয়ে আম্মুকে বললাম, তাড়াতাড়ি রিসিভ করো, বাড়ি থেকে মিজান চাচা ফোন করেছে।
আম্মু ফোন রিসিভ করতেই মিজান চাচা বলে ওঠলো, ম্যামসাহেব, ইলি মামণির কবরটা আবার ভেঙ্গে গেছে, পানিও ওঠেছে কবরে। ঝড় নাই, বৃষ্টি নাই তবুও এই কবরটা খালি ভেঙ্গে যায়।
আমি আম্মুর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম তাই ফোনের ঐপাশ থেকে মিজান চাচার কথা অস্পষ্ট হয়ে আমার কানে এলো। ইলি আপুর নাম শুনে আমি আঁতকে ওঠলাম। নিজের অজান্তেই গলা দিয়ে শব্দ বেরিয়ে এলো, ইলিপু..!!! হাত পা কাঁপতে লাগলো আমার। চোখের সামনে সব ঝাপসা হয়ে এলো। তারপর আর কিছুই বলতে পারবো না।
জ্ঞান ফিরার পর নিজেকে আবিষ্কার করলাম আম্মুর বিছানায়। বাবা অনলাইনে ট্রেনের টিকিট টাকার জন্য চেষ্টা করতেছে। এদিকে বিছানায় শুয়ে আমার ধ্যান খেয়াল সব ফিরে গেলো নয় বছর পিছনে। যেখানে আমার রব ছিলো অপরিচিত।
৩১ জুলাই,২০১১
সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ভেসে আসলো বাসার পাশে থাকা তিন চারটা মসজিদ থেকে। ইলি আপুর গানের টিচার চলে এসেছেন। মাগরিবের আজান শেষ হওয়ার সাথে সাথেই রেওয়াজ শুরু হয়ে গেলো। আপু বিভিন্ন প্রোগ্রামেও গান গায়। গানের বিষয় হচ্ছে লোকসঙ্গীত।
রেওয়াজের শুরুতে তানপুরা বাজতে থাকে। আপু এক ধান্দায় মাথা দুলাতে থাকে, সাথে থাকে আমাদের উৎসাহমূলক করতালি।
গান করতে করতে এশার আজানের শব্দও পেলাম। বাসার পাশে তিন চারটা মসজিদ থাকায় অনেকক্ষণ পর্যন্ত আমরা আজানের শব্দ শুনতে পাই। কিন্তু সেদিকে কোনদিনও কোন খেয়াল ছিলো না আমাদের।
আম্মু এসে বললেন, ইলি মা আমার এবার একটু রেস্ট করো। ইলি আপু বললো, আম্মু পরশু থেকে তো রমজান মাস শুরু। এবার কিন্তু রমজানের প্রথম সপ্তাহেই আমাকে সব শপিং করে দিবে প্লিজ। ঈদের তৃতীয় দিন একটা কনসার্টে পার্টিসিপেট করতে হবে। আগে থেকেই সব ড্রেস বানিয়ে রাখবো, পরে এত ঝামেলা করতে ভালো লাগে না। আম্মু বললেন, তুমি কোন চিন্তা করো না, রমজানের প্রথম সপ্তাহেই তোমার যা যা লাগে সব কিনে ফেলবো। আমার মেয়েকে টিভিতে দেখাবে এরচেয়ে গর্বের বিষয় আমার জন্য আর কি হতে পারে..!!
রাত ১২:৩০, সবাই ছাদে বসে চা খাচ্ছিলাম আর ইলি আপুর গান শুনছিলাম,
“কারে করিছো সন্ধান
সন্ধানে কি ফল..??
সন্ধানে মিলে না কিছুই,
জনম বিফল..”
চা,গান,আড্ডা এসব করতে করতে অনেক রাত হয়ে গেলো। সবাই নিচে নেমে এলাম। ঘড়িতে তখন পৌঁনে তিনটার কাছাকাছি। ইলি আপু আমাকে বললো, জুলি কাল রাতে এই টাইমে আমরা সাহরী করবো। জানিস জুলি, রমজান মাসটা আমার কাছে ইমাজিং লাগে। সারারাত জেগে থাকা যায়, বিকাল পর্যন্ত ঘুমানো যায়। আহ্,শান্তি আর শান্তি…
আমি আর ইলি আপু একই বিছানায় থাকতাম। সেদিন কাঁচা ঘুমের মধ্যে বুঝতে পারলাম ইলি আপু আমাকে জোরে একটা লাথি দিয়েছে। প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো আমার। কাঁচা ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো, শুনতে পেলাম ফজরের আজান হচ্ছে। ফজরের আজানের সাথে ভয়ঙ্কর গোঙানির শব্দ মিশ্রিত হয়ে এক আচানক শব্দ কানে এলো। ভয়ে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, চোখ খুলতে পারলাম না। গা শিউরে ওঠতে লাগলো আমার।
খানিকপরে টের পেলাম আমার জামার একপাশ থেকে ইলি আপু খামচেঁ ধরেছে। জামা ছিঁড়ে চিড়চিড় শব্দ হচ্ছে এটাও স্পষ্ট কানে এলো। আস্তে আস্তে চোখ খুললাম, আমার পাশে শুয়ে থাকা ইলি আপুকে কেমন বিভষ্যৎ লাগছে। আমি চিৎকার করতে পারলাম না।
বিছিনা অনবরত কাঁপছে। মনেহলো আমার ভিতর থেকে শুকনো কলিজাটা কেউ হিচকা টানে বের করে এনেছে।
ইলি আপুর গোঙানি শব্দে বাবা ছুটে এলেন আমাদের ঘরে,পিছনে পিছনে আম্মুও এসে দাঁড়ালেন। ইলি আপুর মুখ দিয়ে পিচ্ছিল লালা বের হয়ে আমার শরীর ভিজে যাচ্ছে। গরম ফুটন্ত পানির মতো যন্ত্রনা অনুভব করলাম আমি। আম্মু ভয়ে আমাদের কাছে আসলেন না। মা ভয়ে সন্তানের কাছে আসছে না, পৃথিবীতে এরচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্য আর কি হতে পারে..??
বাবা রুমের দরজা খোলে মসজিদের দিকে ছুটে গেলেন। একটুপর একজন হুজুরকে সাথে নিয়ে বাসায় ফিরলেন। সকাল তখন একদম পরিষ্কার। সকালের ঠান্ডা মৃদু বাতাস আর ইলি আপুর গরম নিঃশ্বাসে রুমের ভিতর এক বিষাক্ত পরিবেশ তৈরী হলো।
এদিকে ইলি আপুর চোখ অস্বাভাবিক রকমের বড় হয়ে গেছে। হুজুর ইলি আপুর কানের কাছে বললেন, মা কালিমা পড়ো “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” পড়ো মা, পড়ো।
ইলি আপু পড়তে লাগলো, “জনম বিফল..”
হুজুর আবার বললেন, বলো মা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্”
ইলি আপু বলতে লাগলো, “জনম বিফল..”
ইলি আপুর চোখ বড় থেকে আরো বড় হতে লাগলো। মনেহলো চোখের মণি এখনি ছিটকে বেরিয়ে আসবে। খামচেঁ বিছানার চাদর ছিঁড়ে ফেললো। দুই পায়ের সবগুলো আঙ্গুল বেঁকে কুঁকড়ে গেলো। আস্তে আস্তে ইলি আপুর পা কাঁপা বন্ধ হয়ে গেলো।
আমি পলকহীন চোখে খেয়াল করলাম ইলি আপুর পেট অনবরত লাফাচ্ছে, নাড়ি ভুড়ি সব বের হয়ে আসবে এমন অবস্থা। আস্তে আস্তে পেট শান্ত হয়ে এলো। মুখ দিয়ে বারবার উচ্চারণ করতে লাগলো, “জনম বিফল..”
নিমিষের মধ্যেই চোখ ফ্যাকাসে রং ধারন করে স্তব্ধ হয়ে গেলো। সকালের রোদ তখন উঁকি দিচ্ছে। হুজুর বাবাকে বললেন, চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে। বাবা ভয়ে ইলি আপুর কাছে আসলেন না। হুজুর নিজেই চোখ বন্ধ করে দিলেন। আমি কাঁদতেও পারছিলাম না, অসহায় মনেহলো নিজেকে নিজের কাছে।
ইলি আপুকে কবর দেওয়া হলো আমাদের গ্রামের বাড়িতে। অনেক কষ্টে ইলি আপুকে কবরে রাখা হয়েছে। তিনটা কবর খুঁড়া হয়েছিলো, কিন্তু তিনটা কবরেই পানি ওঠছিলো বারবার। তারপর কোনরকম বাঁশের ফালিগুলো পানির উপর রেখে সেভাবেই আপুকে কবরে রাখা হয়।
মাঝেমাঝে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দেখতাম ইলি আপু আমার পাশে শুয়ে আছে। আমি চোখ খোলা মাত্রই আমার বুকের উপর ওঠে বসতো আর আমার গলা তার দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে বলতো, তোরা কেনো তখন আমার গানের সাথে করতালি দিতি..?? তোদের জন্য আমি তো আমার রব কে চিনতে পারি নি। তুই কেনো আমার দুনিয়ার সাথী হয়েও কবরের সাথী হলি না..??
আমি চিৎকার করতে চেয়েও চিৎকার করতে পারতাম না তখন। নিঃশ্বাস আটকে যেতো আমার।
গত নয় বছরে বেশ কয়েকবার কবর ভেঙ্গে গিয়ে পানি ওঠেছে আবার সেই কবর মেরামত করা হয়েছে। আবার ভেঙ্গে গিয়েছে। ইলি আপুর কথা মনেহলে আমার কানে এখনো তার গোঙানির শব্দ সুস্পষ্টভাবে বাজতে থাকে, চোখের সামনে ভাসতে থাকে মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে তার ঠোঁট নাড়িয়ে বলতে থাকা, “জনম বিফল”

See also  ৮ম শ্রেণীর গাইড বই pdf download | Class 8 Guide book pdf Download

বি.দ্র : কখন কার মৃত্যু আসবে এটা কেউই জানিনা, তবে কোন হালতে আমরা দিন অতিবাহিত করছি সেদিকে ভ্রূক্ষেপ করতে হবে, কেননা যে যেভাবে দিন অতিবাহিত করে চলেছে মৃত্যু সেরূপে এসেই ধরা দেবে, মৃত্যু কারো ভালো হবার আশায় অপেক্ষা করবেনা,

আজকে আমরা আপনাদের কে নবম দশম শ্রেণীর সকল গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 9-10 guide book pdf download লিংক দিয়েছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকার হয়েছে।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page