Motivational Book PDF

চ্রেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে চ্রেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম pdf download লিংক দিবো।

বইঃ- চ্রেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম pdf download

লেখকঃ- ঝংকার মাহবুব

Size:- 4 MB

সারাদিনে তোমার সবচেয়ে বেশি সময় কাটে কাদের সাথে? হয়, চারপাশে যেসব ফ্রেন্ড আছে তাদের সাথে নতুবা অনলাইন এ যাদের সাথে কথা হয়। অর্থাৎ যারা তোমার ফ্রেন্ড তাদের সাথেই তোমার গেষ্ঠাগেষ্ঠি বেশি হয়।

এখন আরেকবার চিন্তা করে দেখো– তুমি যেটা করতে চাও? তুমি যে রকম হতে চাও? তোমার যে ড্রিম, সেই টাইপের ড্রিম নিয়ে তোমার চারপাশের ফ্রেন্ডরা সিরিয়াস কিনা। নাকি ওরা সারাক্ষণ মুভি মুভি মুভি নিয়ে হাউকাউ করে। ওয়েব সিরিজ এ নতুন কী আসছে, রাতের বেলার ফুটবল খেলায় কে বেশি গোল দিচ্ছে। কে কাকে রোস্ট করেছে সেগুলা নিয়ে পড়ে থাকে। যদি ওদের সাথে তোমার লাইফের গোল, তোমার মিশন, তোমার ড্রিম সিমিলার না হয়। তাহলে ওদের সাথে তোমার ফ্রিকশন হবে। এই ফ্রিকশনে তোমার সামনে এগুনোর গতি কমে যাবে। তোমার চারপাশের ফ্রেন্ডরা যেসব জিনিস নিয়ে আলোচনা করে সেটাই সারাদিন তোমার মাথার ভিতর টুথ টুথ টুথ টুথ করবে।

.

ধরো তুমি ভালো ডিজাইনার হতে চাও আর তোমার ফ্রেন্ডরা অলরেডি ভালো ডিজাইনার। বা তুমি প্রোগ্রামার হতে চাও আর তোমার ফ্রেন্ডরা ভালো প্রোগ্রামার। অথবা তুমি ভালো গায়ক হতে চাও আর তোমার ফ্রেন্ডরা অলরেডি স্টেজ শো করতেছে। তাহলে ওদের সাথে চলার কারণে দুই একটা স্টেজশো তুমিও মাঝে মধ্যে পেয়ে যাবে।

.

সিমিলার ফ্রেন্ডদের ফ্লো থেকে তোমার কিছু না কিছু একটা লাভ হবে। হেল্প লাগলে, হেল্প পাবে। সিমিলার জিনিস নিয়ে সারাদিন আলোচনা হবে। ডাইরেক্টলি বা ইন্ডাইরেক্টলি অনেক জিনিস দেখে ফেলবে, জেনে ফেলবে। এবং ওদের যেসব কানেকশন সেগুলা থেকেও তুমি বেনিফিটেড হবে।

.

আর যদি তুমি হতে চাও সায়েন্টিস্ট আর তোমার ফ্রেন্ডরা ফুটবল খেলোয়ার। তাদের সারা দিন খেলা নিয়ে কাটে। এমনকি তোমার ফ্রেন্ডরা যদি ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা না করে, স্কিল ডেভলপমেন্ট এর পিছনে টাইম না দেয়, নিজেদের থিংকিংটাকে পজিটিভ রাখার চেষ্টা না করে সব সময় মাস্তি আর আড্ডা নিয়ে পড়ে থাকে, তাহলে ওদের ঘর্ষণে, ভুল বর্ষণে, দূর দর্শনে তুমি ফরফর করে পিছিয়ে যাবে।

‘চেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম’ বই থেকে নেয়া। বইটা পাওয়া যাবে রকমারিতে এবং বইমেলার ‘আদর্শ’ স্টলে

পাত্তা না দিলে ?কিভাবে পাত্তা আদায় করে নিতে হয়
পাত্তা বা অ্যাটেনশান পেতে চাইলে তোমাকে প্রথমেই অ্যাটেনশান পাওয়ার যোগ্য হতে হবে। চিন্তা করে দেখ, তোমার সামনে যদি একশটা বিল্ডিং থাকে তুমি কি একসাথে ওই একশ বিল্ডিং এ চোখ রাখতে পারবে? না, পারবে না। বরং যে বিল্ডিংটা সবচেয়ে উঁচু বা সবচেয়ে বড়। বা যে বিল্ডিংটা সবচেয়ে স্পেশাল সেটার দিকেই তোমার চোখ যাবে। সেটাতেই তোমার অ্যাটেনশান যাবে।

এখন একটু চিন্তা করে দেখো–তোমার ফ্রেন্ড সার্কেলে, তুমি কোনো একটা অ্যাঙ্গেলে পাত্তা পাওয়ার যোগ্য হইসো কী না? এটা হতে পারে পড়ালেখার দিক দিয়ে। হতে পারে যে কোনো প্রকার স্কিলের দিক দিয়ে। অথবা হতে পারে তুমি ভালো গল্প করতে পারো। বা স্মার্টলি কথা বলতে পারো। এরকম কোনো একটা অ্যাঙ্গেল ট্যাঙ্গেল আছে কিনা? যেটা দিয়ে তুমি পাত্তা পাওয়ার যোগ্য হতে পারো? যদি থাকে তাহলে অন্যরা তোমাকে পাত্তা দিবে। নচেৎ পাত্তা দিবে না।

ধরো, তোমার কাছে স্পেশাল কিছু নাই। তাহলে কি করবে?

.

লুক আউটসাইড
আশেপাশে তাকিয়ে দেখো। কাকে অন্যরা সবাই পাত্তা দিচ্ছে। সে কে? তাকে কেন সবাই পাত্তা দিচ্ছে? সে কি কোন কিছু ভালো পারে? বা সে স্পেশাল কিছু করতে পারে? এইরকম আরো কয়েকজনের একটা লিস্ট বানিয়ে ফেলো। যাদেরকে তুমি নিজেও একটু আধটু পাত্তা দাও।

.

লুক ইনসাইড
এইবার নিজের দিকে তাকাও। একটু চিন্তা করে দেখো তোমার ভিতরে এমন কিছু আছে যেটা তুমি ভালো পারো। বা যেটা নিয়ে তুমি অনেক বেশি ইন্টারেস্টেড। তাহলে সেটা দিয়ে কিছু একটা করে ফেলার চেষ্টা করো। তাহলে অন্যরা তোমাকে পাত্তা দিবে। সেইরকম কিছু খুঁজে বের করতে পারলে তোমার অর্ধেক সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

আর স্পেশাল কিছু খুঁজে না পেলে, এমন একজনকে টার্গেট করো। এবং সে যা যা করতেছে সেগুলাকে তুমি হুবুহু কপি করা শুরু করে দাও।

.

টেক ইউর টাইম
হুট করে সবাই তোমাকে পাত্তা দেয়া শুরু করবে না। তবে একটা কিছু করে ফেলতে পারলে, সেটা চেইঞ্জ হয়ে যাবে। ধরো, তুমি একটা বিজনেস কম্পিটিশন জিতে গেছো বা কোন একটা বিজনেস শুরু করছো বা একটা বই লিখে ফেলছো বা পত্রিকায় তোমার লেখা ছাপা হয়। তাহলে কিন্তু লোকজন তোমাকে পাত্তা দিবে। তবে এই পাত্তা পাওয়ার আগে কিছু হোমওয়ার্ক করতে হবে। হয়তো পত্রিকায় লেখা ছাপা হওয়ার আগে বেশ কয়েকবার লেখা পাঠাতে হবে। বিভিন্ন মানুষের কাছে ধর্ণা দিতে হবে। অনেক ঘুরাবে। তারপর লেগে থাকলে একদিন হয়ে যাবে।

.

হাটি হাটি পাত্তা
তুমি ছোট। তাই তুমি যদি কোন একটা ইভেন্টে যাও। কেউই তোমাকে পাত্তা দিবে না। তো, সেখানে পাত্তা পাওয়ার জন্য ঐখানে কিছু কাজ করা শুরু করে দাও। হয়তো স্টেজে কয়েকজন চেয়ার আনার চেষ্টা করতেছে। তুমিও সেই কাজ করা শুরু করে দাও। অনুমতি চাওয়ার কিছু নাই। জাস্ট শুরু করে দাও। হেল্প করো। কিছুক্ষন পর ওরাই তোমার পরিচয় জানতে চাইবে। এইভাবে ঐখানে তুমি রেগুলার হেল্প করতে থাকলে তারা সবাই তোমাকে চিনতে শুরু করবে। কয়দিন পর ওদের ঐখানে কোন কমিটি হওয়ার সময়, তোমাকে কমিটিতে পজিশন দিবে। এবং তুমি পজিশন পেয়ে গেলে পজিশন বা পদবি এর জোরে নতুন পোলাপানরা অবশ্যই তোমাকে পাত্তা দেয়া শুরু করবে।

.

ওয়ার্ম ইন্ট্রোডাকশান
বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, প্রেমের প্রপোজ করার জন্য প্রেমিক প্রথমে গিয়ে কথা বলে না। অন্য আরেকজন বা তার বন্ধু গিয়ে বলে, অমুক তো হেব্বি জিনিয়াস, অনেক স্মার্ট। সবাই তার পিছনে ঘুরে। অর্থাৎ তার সম্পর্কে অনেক ভালো কথা বলে প্রেমের জন্য রাজি করানোর চেষ্টা করে। এই জিনিসটাকে বলে ওয়ার্ম ইন্ট্রোডাকশান।

এটা শুধু প্রেমের ক্ষেত্রে না, বিজনেস, নেটওয়ার্কিং বা ডিল পাওয়ার জন্যে, টিউশনি বা পার্ট-টাইম চাকরি পাওয়ার সময় অনেক বেশি ইউজ করা যায়। কিছুই না। একজনকে খুঁজে বের করবা সে গিয়ে তোমার সম্পর্কে ভালো ভালো কথা বলে মাঠ গরম করে দিবে। তারপর তুমি গিয়ে হালকা শরম শরম ভাব নিয়ে গরম গরম কাজ সেরে ফেলবা।

.

কোল্ড ইন্ট্রোডাকশান
অনেক সময় দেখা যায় যে তোমাকে ইন্ট্রোডিউস করার কেউ নেই। বা তুমি যে মহান কিছু করে ফেলছো এই কথা জানান দেওয়ার কেউ নেই। এক্ষেত্রে তোমার নিজের ঢোল নিজেকেই পেটাতে হবে। চোখ বন্ধ করে এক লাইন বা দুই লাইনে নিজের শান শওকত বলতে থাকবা। সেই রকম কিছু বলতে পারলে তোমাকে কিছুটা হলেও পাত্তা দিতে পারে।

.

তবে পাত্তা পাওয়া মেইন উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য হচ্ছে পাত্তা পাওয়ার উছিয়াল তুমি কিছু একটা জিনিস ভালোভাবে করতে শুরু করবা। নিজেকে নতুন একটা লেভেলে নিয়ে যাবা। তারপর পাত্তা পাইলে পাবা। না পাইলে নাই। শ্রোতা না পাইলে নাই। গান গাইতে থাকো। গাইতে গাইতে তোমার গানের কোয়ালিটি বাড়বে। শ্রোতাও জমবে।

চ্রেষ্টার জিমনেসিয়াম ফিউচারের ক্যালসিয়াম pdf download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button