Life style: Tips and Tricks

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা গাইড বই pdf download | Class 4 Guide pdf download

আজকে আমরা আপনাদের কে চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা গাইড বই pdf download | Class 4 Guide pdf download লিংক দিয়েছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকার হবে।

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা গাইড বই pdf download | Class 4 Guide pdf download

চতুর্থ /৪র্থ শ্রেণীর গণিত সমাধান -Class 4 Math Solution PDF

Class 4 English Guide PdF-চতুর্থ /৪র্থ শ্রেণীর ইংরেজি গাইড বই pdf

চতুর্থ /৪র্থ শ্রেণীর বাংলা গাইড -Class 4 Bangla Guide Pdf

চতুর্থ /৪র্থ শ্রেণীর বিজ্ঞান গাইড -Class 4 Science Book Guide Pdf

চতুর্থ /৪র্থ শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় গাইড PDF

চতুর্থ /৪র্থ শ্রেণীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা গাইড PDF

অনুপ্রেরনার গল্প দেওয়া হলোঃ

আমার একমাত্র মেয়ের স্বশুর বাড়িতে এলাম। কারণ আজ তাকে নিয়ে পারিবারিকভাবে বিচার বসেছে। তার স্বশুর আমাকে ফোন করে আনিয়েছে। যেহেতু মেয়ের অভিভাবক বলতে আমি ছাড়া আর কেউই নেই। তাই আমিই আসতে বাধ্য হলাম।
তারা কিছু বলার আগে, আমিই নিজ থেকে জানতে চাইলাম তার শ্বাশুড়ির কাছে,
আপা মালিহার অপরাধ কি?
তার শ্বাশুড়ি দরাজ গলায় বলতে লাগলো,
আপা,এর আগেও আপনাকে ফোন করে জানিয়েছি বারবার, তার চালচলনের কথা। কিন্তু এবার তার অপরাধের মাত্রা চরমে গিয়েছে। তাই আপনাকে হাজির করতে বাধ্য হয়েছি।
আমি নমনীয়ভাবে বললাম , আপা বলেন শুনি। আমার বাড়ি ফিরতে হবে আজই। জরুরী কাজ আছে।
শুনে মুখকালো করে সে বললো, মেয়ের মা এত ভাব দেখালে হয় আপা?
তির্যক হাসি হেসে প্রতিক্রিয়া জানালাম।
কেনো আপা? জন্মের সময় অসহনীয় প্রসব ব্যথা শুধু ছেলের মায়ের হয়? মেয়ের মায়ের হয়না? ছেলেকে বড় করতে,পড়াশোনা করাতে অর্থ থেকে শুরু করে যা যা ব্যয় হয়। মেয়ের পিছনেওতো তা হয়। নাকি মেয়েকে জ্বিন,ভুতে লালল পালন করে?
আর তার জন্য অর্থের যোগান আসে গায়েবিভাবে?
তাদের পরিবারের উপস্থিত সবাই স্তব্দ হয়ে আমার মুখের দিকে চেয়ে আছে। মনে হচ্ছে আমি কোনো এলিয়েন। তার শ্বাশুড়ির ফর্সা গাল মরিল লাল হয়ে গেলো। আমার দিকে চেয়ে বললো,
আপনি আমার বাড়িতে এসে এত উচ্চস্বরে গলা ছাড়ছেন। আপনার বাড়িতে হলে মনে হয় ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের দিতেন।
একদম না আপা। আমার বাড়ি আর ঘর হলেও সেইম কথাগুলোই বলতাম। উচিত কথা যেকোন স্থানে বা যে কারো স্থানেই বলা যায়।
পাশ থেকে তার ননদ বললো, আন্টি শুনেন, ভাবি মায়ের মুখে মুখে তর্ক করেছে কাল। প্রায়ই এমন করে। মা, ভাবির কোন ভুল ধরে শুধরে দিতে চাইলেই ভাবি, পাল্টা তর্ক শুরু করে মায়ের সাথে। এভাবে চলতে থাকলে কিভাবে চলবে আন্টি?
এটাই তার অপরাধ? আমি চোখ তুলে তার ননদকে জিজ্ঞেস করলাম।
পাশ থেকে তার শাশুড়ি গলায় তেজ এনে বললো,
এটা কি অপরাধ নয় আপা? পারিবারিক শিক্ষাটা হলো আসল। আপনার স্বামী বহু আগেই মারা গিয়েছে। মেয়েকে আপনিই বড় করেছেন। কিন্তু কি শিক্ষা দিলেন? আপনি ও কি আপনার শ্বাশুড়ির সাথে এমন করেছেন? যা দেখে দেখে আপনার মেয়েও এমন বেয়াদব হয়েছে? আপনার মেয়েকে বলে যান আর কখনোই যেনো আমার মুখের উপরে কোন কথা না বলে। তা না হলে আর বরদাস্ত করবোনা। এটা তার বাবার কিংবা মামার বাড়ি নয় যে খেয়ালখুশিমতো চলবে। এটা স্বামীর সংসার।
আমি ধীর গলায় বললাম। এটা অবশ্যই তার স্বামীর সংসার। মানে তার ও সংসার। এটা কয়েদিখানা নয় আপা। উপর থেকে হুকুম যখন যেভাবে পড়বে আর তা মালিহা দাসীর মতো মানতে বাধ্য হবে। এখানে তার ও অধিকার আছে। যে কোন বিষয়ে সবার সাথে সে বোঝাপড়া করেই চলবে।
সে বউ হয়েছে বলে তার কোন যুক্তি বা মতকে ভুল, তর্ক,অন্যায়,অপরাধ,
অসভ্যতামি হিসেবে দেখা আপনাদের ভুল। বউর সবকিছুই ভুল? আর স্বামীর সংসারের ছোট বড় সবাই যা বলবে তাই সঠিক?
শুনে সে রুক্ষস্বরে বললো, এবার বুঝলাম আপনার মেয়ে মুখে মুখে তর্ক করা কার কাছ থেকে শিখেছে?
আমিও দমে থাকার মানুষ নয়। উপস্থিত সবাইকে শুনিয়ে বললাম,
গ্রামের আট দশটা মায়ের মতো আমাকে ভাবলে আপনারা ভুল করবেন।
আমি একবিংশ শতাব্দীর একজন প্রগতিশীল মা। বেগম রোকেয়া আমার মুখস্থ। নিয়তির চাপে অভাবে পড়েছি। কিন্তু অশিক্ষিত মা নই আমি। জীবনের বহু বাঁকে বহু সংগ্রাম করে নিজে বেঁচে থেকেছি। আমার একমাত্র মেয়েকে বাঁচিয়ে রেখেছি। অন্যায়ের সাথে আপোষ করতে শেখাইনি।
মেয়ের নামে, স্বামীর সংসারের মানুষ অভিযোগ তুললে, তাদের পক্ষ নিয়ে মেয়েকে দশকথা শুনাবোনা। মারধর ও করবোনা। মাথা নিচু করে দুহাত জোড় করে মেয়ের হয়ে ক্ষমা ও চাইবোনা। বা এমন ও বলবোনা, এটা মেয়েদের কপাল। মেনে নিতে হয়। মানিয়ে নিতে হয়। কারণ আমি এমন মা নই।
মায়ের মতো করে সন্তানকে পৃথিবীতে দ্বিতীয় কেউই জানেনা বা চিনেওনা। আমার মেয়ে কেমন তা আমি বেশ জানি। সব শুনেছি আমি। সে অযথা তর্ক করেনি। ভুল যুক্তি খন্ডন ও করেনি। বয়সে বড় হলেই যে আমাদের মুরুব্বিদের সব কথা সঠিক বা কোন ভুল নেই। এমন বদ্ধ ধারণা থেকে মুক্ত হোন আপা ।
জেনে রাখুন,পরিবেশ পরিস্থিতি মানুষকে উচিত অনুচিত শেখায়। মরতে মরতে বাঁচতে শেখায়। আমার মেয়েকে নিজে একা হাতে মানুষ করেছি। সে কাছ থেকে দেখেছে তার মায়ের নিদারুণ লাঞ্চিত জীবন। যা আপনার মতো শ্বাশুড়ির জন্যই হয়েছে। সে পড়াশোনা করা মেয়ে। ভালোমন্দ অনুভব করার যথেষ্ট সামর্থ্য তার রয়েছে। তাই প্রতিবাদী হতে শিখেছে। যুক্তি খন্ডন করতে শিখেছে। লড়াই করতে শিখেছে।
আর আপনাদের চোখে এসবই মারাত্মক অন্যায়। আমার মেয়েকে তার পরিবেশ এটাই শিক্ষা দিয়েছে,
তুমি ভালো পরিবেশ পেলে বেশী ভালো চলবে। যাতে সবাই তোমার প্রশংসা করতে বাধ্য হয়। আর খারাপ পরিবেশ পেলে বেশী খারাপ চলবে। যাতে সবাই বুঝতে পারে,তোমাকে পুতুল হিসেবে নাচানো যাবেনা। মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে।
নিজের অবস্থান থেকে নিজের মতো করে অন্যকে বোঝার চেষ্টা করবেন না।
তার অবস্থান থেকে তাকে বোঝার ও মূল্যায়ন করার চেষ্টা করুন। হতে পারে তখন সে আপনাকে চমকে দেওয়ার মতোই চলবে আপা।
মেয়েকে ডেকে বললাম, এরপর থেকে তোর সাথে অন্যায় কিছু ঘটলে সারাজীবনের জন্য তোর মায়ের কাছে চলে আসবি। নিত্য সংঘাত আর অনাদরের জীবনের চেয়ে একা নিঃসঙ্গ জীবন শান্তির ও সম্মানের। মানুষ পৃথিবীতে শুধু ভালোবাসার জন্য বেঁচে থাকেনা, সম্মানের জন্যও বেঁচে থাকে।

See also  Panjeree guide for class 6 pdf download | পাঞ্জেরী গাইড class 6 pdf download

গল্প ২ঃ

নীল পাড়ের নতুন শাড়িটা কিনেছিলাম, কাভার পিকচার দিব বলে, মেকাপ টিউটোরিয়াল দেখে সাজতে সাজতে এখন এক্সপার্ট হয়ে গেছি, বেশি সাজলামও না, একটু ইফেক্ট দেয়াতেই ছবিটা এট্রাক্টিভ হয়ে গেল…Your photo is uploading….হ্যা, ফেসবুকে ছবিটা আপলোড হওয়ার পরই মা খেতে ডাকলো.. ওয়াশরুমে গেলাম মেকাপ তুলতে।ক্লিঞ্জারটা বিউটি স্পঞ্জে লাগানোর সময়ই মৃত্যুর ফেরেশতার সাথে আমার সাক্ষাত হয়ে গেল !সে আমাকে একটা মিনিটও টাইম দিলো না সবকিছুর জন্য তওবা করার !একটু আগে সেলফিটা আপলোড করে আসলাম না……? আল্লাহ …..!! এখন কে করবে আমার ওই ছবি গুলো ডিলেট…..?আশ্চর্য…..! আমাকে ৪ জন ফেরেশতা মারছে কেন……?আমার মুখে আঘাত করছে, পিছনেও আঘাত করছে…..!! ফেইল করলেও তো আমার বাবা-মা কোনদিন আমাকে মারে নি……?আর আমি তো ছোটবেলা থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েছিলাম, প্রেম করিনি, কই ২-১ জন ছাড়া ছেলে ফ্রেন্ডও ছিল না, ভার্সিটিতে প্রায়ই হিজাব পরে যেতাম, রমজানে রোজাও রাখতাম….! আমি একটা ভদ্র মেয়ে ছিলাম আমার ক্যাম্পাসের…..!!

ওহ মনে পড়েছে মাঝে মাঝে ঘুরত্ব গেলে একটু ছবি আপলোড করে ফলোয়ার বানিয়ে রাখা ছেলেদের চোখকে শান্তি দিতাম। এজন্য এসব হবে…..?আমাকে কেন বলছে এই ফেরেশতা….? ‘হে খবিশ দেহের মধ্যে থাকা খবিশ রুহ, বের হও, তৈরি হয়ে যাও ভয়ানক শাস্তির জন্য, উত্তপ্ত পানির জন্য, কাটাযুক্ত বিষাক্ত বস্তুর জন্য, সব ভয়ানক শাস্তির জন্য ‘আমাকে এটা কেন বলা হলো…..? আমি বলছি তো, আমাকে একটু সময় দিন, আমি ঠিক হয়ে যাব, এবার আমি প্রকৃত মুমিন বান্দার মত আচরণ করব…..!আমার আত্মাটা বের হতে চাচ্ছে না।

কারণ আমি মরতে একদমই প্রস্তুত নই, আমি ভয় পাচ্ছি.. আমার ফেরেশতারা আমার রুহটা টেনে নিচ্ছে ,প্রত্যেকটি রগে যেন আমার রুহ আটকে আছে, প্রত্যেকটি রগ, মাংস কেটে কেটে রুহটাকে বের করে ফেলছে তারা.. আমি আর সহ্য করতে পারলাম না, বাঁচতে পারলাম না।আমার পুরো অস্তিত্ব ভেঙ্গে গেল। এই কষ্ট সারা দুনিয়ার সব কষ্টের থেকে বড় ছিল, অথচ আমি ভয় পাইনি এই কষ্টকে, একে ভোগ করার আগে।আমার রুহ বের করে ফেলেছে, আমাকে নিয়ে আসমানে চলা শুরু করেছে -আসমানের দরজার ওপাশের ফেরেশতারা জিজ্ঞেস করলো – “এটা কে……?” তারা উত্তর দেয় – “এ হচ্ছে এর সন্তান”তখন আসমানের দরজা খোলা হলো না, আসমানের ফেরশতারা বললো – “এটা তো সেই খবিশ রুহ যেটা খবিশ দেহের মধ্যে ছিল।

এটা তো ওই হতভাগ্য রুহ, যেটা হতভাগ্য দেহের মধ্যে ছিল। এর জন্য আসমানের দরজা খোলা যাবে না একে ফেরত পাঠাও”আমার জন্যে আসমানের দরজা খোলা হলো না, জান্নাতের দরজা খোলা হলো না, আমাকে নিয়ে তারা এখন সেখান থেকে আল্লাহর তৈরি কারাগার ‘সিজ্জিনে’ নিয়ে আসলো…..! এখানেই আমার রুহকে বন্দী রাখা হবে যতক্ষণ না কিয়ামত কায়েম হবে আমাকে ততদিন আযাব দেয়া হবে…..!আমার কোন জ্ঞান ছিল না এই কারাগারের আযাব সম্পর্কে…..!!আমার এত সুন্দর পোজ মেরে তোলা পিক আমাকে কবরেও জাহান্নামের আগুন আর শাস্তি দিবে…..!

See also  নবম দশম শ্রেণীর গণিত সমাধান PDF Download | Class 9-10 Math solution PDF Download

কেউ যদি আমার আইডিটা নষ্ট করে দিত আল্লাহ…..!আমি তো যত গান শুনেছিলাম, তার সাক্ষীও স্ট্যাটাস দিয়ে রেখে এসেছি…! আমার শেয়ার দেখে তনু না সেদিন ওই নতুন গানটা নামালো?আমি তো সুবাহ’কে আমার মৃত্যুর ৩দিন আগেও মুভি দিয়ে এসেছিলাম, ও কি আরো অনেককে মুভিটা দিলো?আমার আযাব থামছে না কেন….?আমার তুলে দেয়া গ্রুপ পিক সবাই ফেসবুকে আপলোড করেছে, এজন্যও আমারও আযাব হবে? ইশ আমি তো পিকটায় ছিলাম ও না..শখ করে নবীনবরণ প্রোগ্রামে গান গেয়েছিলাম ওটাও তো ইউটিউবে আপলোড করেছে বড় ভাইয়ারা, সব ছেলেগুলো রেকর্ড করেছিল আমার আযাব কি থামবে না ওদের জন্য….?দোষ তো আমারই, আমিই গুনাহে জারিয়া রেখে আজ কবরে আসলাম।বেশিরভাগ ফ্রেন্ডই তো আমাকে সাহায্য করেছে আজকে সাপের কামড়গুলো খাওয়ার জন্য.. মারইয়াম ছাড়া তো কেউ বলেনি দোস্ত, ভালো করে হিজাব কর, এভাবে সেজে গুজে বেড়াস না, এই সৌন্দর্য আল্লাহর দেয়া গিফট, তোর কাছে এটা আমানত। অপাত্রে খরচ করিস না দোস্ত..আমি না বায়ো দিয়ে রেখেছিলাম- ‘আই এম প্রাউড টু বি আ মুসলিম’ আমি জানতাম না মুসলিম মানে আত্মসমর্পণকারী….!মুসলিম শব্দের অর্থ তো আমি বুঝিনি কখনোই সেই হলো মুসলিম যে তার রূপকে বেগানা ছেলেদের সামনে দেখানোর মেয়েলি স্বভাবজাত ইচ্ছাটাকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে ইসলামে প্রবেশ করেছে…..!

এখন আমার কবরে এমন সব ফেরেশতারা আমার মাথায় বাড়ি দিতে থাকবে, সারা শরীরে মারতে থাকবে যারা বধির ও অন্ধ!আমি এত চিল্লাচ্ছি, এরা কেউ আমার চিৎকার শুনছে না, কোন মানুষ ও শুনছে না, জ্বীনও শুনছে না…..!শুধু সমগ্রজগতের জীবেরা শুনবে আমার চিৎকার আর আল্লাহর আযাবের ভয়ে কাঁপতে থাকবে.. কি লাভ…..?যাদের শোনা এখন উচিত ছিল তাদের কারো কানে যাবে না এই চিৎকার, কেউই শুধরাবে না। শুধু প্ল্যান করবে আমারই মত “আমি একদিন ঠিকই ভালো হয়ে যাব”মারইয়াম যেদিন বলেছিল ফেসবুক থেকে পিকগুলো ডিলেট করতে, সত্যিই আমি ওয়াদা করেছিলাম আমি কিছুদিন পরই পর্দা করব, আমি আর কিছুদিন সময় পেলেই ভালো হয়ে যেতাম, আমি সময় পেলাম না….!সত্যিই কি সময় পাইনি…..? নাকি আল্লাহর কাছে ফিরে আসা, তওবা করাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আরো কিছুদিন পাপের মধ্যে ডুবে থাকার দুঃসাহস করেছি…..!কেন আমি সেদিন আল্লাহর অবাধ্যতা করতে করতেই আরেকটা দিন ‘বেশি’ বাঁচার মত রিস্ক নিয়েছিলাম……? কেন….??হাদিসে ছিল………,

See also  কমান্ডো রাজিব হোসেন pdf download | Commando Rajib hossain pdf download

তোমরা যদি মৃতের কবরের আযাবের চিৎকার শুনতে তোমরা কোনদিন কাউকে দাফন দিতে না লাশ ফেলে পালাতে।আফসোস আমি জানতাম নাআমি মুসলিম হয়েও কবরে শান্তি পেলাম না!আমার ছবিগুলো আমাকে শান্তি দিলো না! সত্যি আমি পাল্টাতে চেয়েছিলাম, আমি সত্যি বলছি, তোমরা থামো, আমি সত্যিই পাল্টামতাম।প্রত্যেকটা দিন তোমার জন্য নতুন একটা সুযোগ, তওবার দরজা খোলা আছে ২৪ ঘন্টা আল্লাহর ওয়াস্তে কবিরা গুনাহ গুলো ধুয়ে আসো এক মিনিটের তওবাতেপ্রতিজ্ঞা করে আসো আর বেপর্দা হবে না।

আজকে আমরা আপনাদের কে চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা গাইড বই pdf download | Class 4 Guide pdf download লিংক দিয়েছি। আশা করি আপনাদের অনেক উপকার হয়েছে।

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page