Life style: Tips and Tricks

চতুর্থ শ্রেণীর ইংরেজি গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 4 english guide book pdf download

আজকে আমরা আপনাদের জন্য চতুর্থ শ্রেণীর ইংরেজি গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 4 english guide book pdf download লিংক নিয়ে এসেছি।

বইঃ- চতুর্থ শ্রেণীর ইংরেজি গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 4 english guide book pdf download

Type: Text book

Size:- 4 MB

ক্যাটাগরি: বই রিভিউ
বইয়ের নাম: সাতকাহন (অখন্ড)
বইয়ের ধরন: উপন্যাস
লেখক: সমরেশ মজুমদার
প্রকাশকাল: ১লা বৈশাখ ১৩৯৭ বঙ্গাব্দ
প্রকাশনি: আনন্দ পাবলিশার্স লিমিটেড
প্রধান চরিত্র: দীপাবলি
মডেলিং: বোন(অর্পিতা)

বই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ আত্বীয়,যার সাথে কোনো দিন ঝগড়া হয় না। কোনো দিন মনমালিন্য হয় না। বইয়ের মরাট দেখে যেমন বইয়ের ভিতর টা বুঝা যায় না ঠিক তেমনি মানুষকে দেখে ও মানুষের ভিতর টা চেনা যায় না। তবে বই পড়ে বই কে চেনা যায়,কিন্তু মানুষকে পাঠ করা যেমন কঠিন কাজ তেমনি চেনা টা ও দুষ্কর।এই বই মেলায় দুই শ্রেণির লোক বেশি থাকে। এক শ্রেণির লোক খুব অসহায়,যার খুদা জালার পিপাসা অনেক,জ্ঞান আহরণের খুদা অনেক।আর এক শ্রেণির লোক থাকে যারা নিজের ভাবনা কল্পনা প্রতিবাদ ইত্যাদি মিলিয়ে একটা বইয়ের রূপ দেয়।

  সমরেশ মজুমদার হলেন একজন বিখ্যাত ভারতীয় উপন্যাসিক। যিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪২ সালের ১০ই মার্চ । বিখ্যাত এই উপন্যাসিক তাঁর লিখনীর মাধ্যমে লাভ করেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরষ্কার। "অন্যমাত্রা" ছিল তাঁর লেখা প্রথম গল্প।মূলত এখান থেকেই তাঁর লেখকজীবনের সূচনা হয়। বিখ্যাত এই লেখক একাধারে উপন্যাস সহ ছোটগল্প, ভ্রমনকাহিনী ইত্যাদি লিখেন।তাঁর লেখা বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাস হল __ স্বপ্নের বাজার, সাতকাহন, আট কুঠুরি নয় দরজা ইত্যাদি। তন্মধ্যে "সাতকাহন (অখন্ড)" উপন্যাসটি সর্বেশ্রেষ্ঠ।আমরা সাধারণত জানি যে, সাতকাহন একটি বাগধারা। যার শাব্দিক অর্থ প্রচুর পরিমান এবং ভাবগত অর্থ হল কোনো বিষয়ে বিশেষ ভাবে আলোচনা করা, বিশ্লেষণ করা বা ওই বিষয়টির শুরু থেকে শেষ  অন্য কাউকে জানানো। এক্ষেত্রে লেখক উপন্যাসটিতে দীপাবলি নামের একটি চরিত্রকে বিশ্লেষণ করেছেন,তাঁর চিন্তা-চেতনা নিখুঁত ভাবে তুলে ধরেছেন এবং তা অন্যকে জানানোর চেষ্টা করেছেন। আর তাই উপন্যাসটির নাম দেওয়া হয়েছে "সাতকাহন"।

" সাতকাহন(অখন্ড)" সমরেশ মজুমদারের একটি কালজয়ী উপন্যাস। যেখানে তিনি তুলে ধরেছেন জীবনযুদ্ধে হার না মানা এক কিশোরীর কথা। তুলে ধরেছেন একটি সাধারণ কিশোরী মেয়ে থেকে অসামান্য নারী হয়ে উঠার গল্প। এই কিশোরীটির নাম "দীপাবলি বন্দোপাধ্যায়"। সাতকাহন উপন্যাসটির প্রধান ও কেন্দ্রীয় চরিত্র দীপাবলি। দীপাবলি চরিত্রটিতে পাওয়া যায় একাধারে জীবনসংগ্রামের হাতিয়ার, বেঁচে থাকার তীব্র লড়াই,অন্যায় ও কুসংস্কার এর বিরুদ্ধে মাথা উঠাবার শক্তি ও সাহস। দীপাবলি বেড়ে উঠে আংড়াভাসা নদীর তীরে চা-বাগানে। যেখানে মিশে আছে তার শৈশবের স্মৃতি। বাবা অমরনাথ, মা অঞ্জলী,ঠাকুরমা মনোরমা এবং দুই ভাই নিয়ে স্নেহ ভালোবাসার সংসারে বেড়ে উঠে দীপাবলি। কিন্তু তা বেশি দিনের জন্য নয়।প্রায় ১০/১১ বছর বয়সেই তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় এক অসুস্থ ছেলের সাথে। মূলত এখান থেকেই দীপাবলির জীবনের মোড় ঘুরে যায় এবং সে মুখোমুখি হয় কঠিন সত্যের। বিয়ের সময়ই জানতে পারে সে যাদের মা বাবা ডেকে আসছে তারা আসলে তার মাসি এবং মেসো।এরই উপর বিয়ের ৭২ ঘন্টার মাথায় বিধবা হয়ে যায় শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা রাখা দূরন্ত মেয়েটি।

 তখন থেকেই আসতে থাকে দীপাবলির জীবনে একের পর এক ঝড়, বাধা বিপত্তি। সবকিছু সে সামলিয়ে উঠছিল বাবা অমরনাথ এবং শিক্ষক সত্যসাধন এর অনুপ্রেরণায়। খুব সূক্ষ্মভাবে লক্ষ করলে বুঝা যায় যে, এই দুই জন ব্যাক্তিই দীপাবলির জীবনে বিরাট বড় ভূমিকা পালন করেন। তারাই দীপাবলি কে শিখিয়েছিলেন জীবনযুদ্ধ মানেই হেরে যাওয়া নয় বরং তা সাদরে গ্রহণ করে মুখোমুখি দাড়ানো। ছোট্ট গ্রামে বেড়ে উঠা দূরন্ত মেয়ে দীপাবলি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখিয়ে গেছে তার সফলতা। ভাগ্যের কাছে বারবার হেরে গেলেও ভেঙ্গে পড়েনি সে। বাবা এবং তার শিক্ষক মারা যাওয়ার পর অসহায় হয়ে পড়ল দীপাবলি । সময়ের সাথে পাল্টে যেতে লাগল তার জীবন। সামান্য একটি কিশোরী থেকে হয়ে উঠল সে অসামান্য নারী। ঠাকুরমা, মা অঞ্জলী এবং বাবার বন্ধু রমলা সেনের অনুপ্রেরণায় সে নতুন করে বুনতে শুরু করল তার জীবন। দেখিয়ে দিল পুরুষশাসিত সমাজে নারীরাও কোনো অংশে কম নয়। সমাজকে কুসংস্কারমুক্ত করতে উঠে পড়ে লেগে গেল সে। এক্ষেত্রে তার জীবনে যদিও অনেক কঠিন সময় এসেছে তবুও থেমে থাকেনি এই অদম্য মেয়ে। আমাদের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি সে। 

বিখ্যাত লেখক সমরেশ মজুমদার এর লেখা এই উপন্যাসটি পড়ে আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি সমাজে নারীর অবস্থান কোথায়, কিভাবে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। বইটি পড়ে আমরা যা জানতে পারব_

** পুরুষশাসিত সমাজে মাথা উচিঁয়ে কিভাবে বাঁচতে হয়, 

** জীবনের কঠিন সময় কিভাবে পার করতে হয়,

See also  চল অন্তিক মাহমুদ pdf download | chol antik mahmud pdf download

**অদম্য আত্মবিশ্বাস এবং সাধনার জোরে কিভাবে অসামান্যা হয়ে উঠা যায়,

** সমাজের কুসংস্কার দূরে সরিয়ে আলোর বার্তা কিভাবে নিয়ে আসা যায়,

** নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা কিভাবে করতে হয়।

সমরেশ মজুমদার এই উপন্যাসটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু বার্তা দিয়েছেন যা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার ভাল লাগার কয়েকটি উক্তি হল_

★ছাইটাই স্মৃতি, আগুনটা হল বর্তমান।

★ মৃত্যু কি সহজ, কি নিঃশব্দে আসে অথচ মানুষ চিরকালই জীবন নিয়ে গর্ব করে যায়।

★তুমি যদি জিততে চাও তাহলে তোমাকে নির্মম হতে হবে। অভিযানে বেরিয়ে দলের কেউ অসুস্থ হলে পড়লে অভিযান বাতিল হয়না,অসুস্থকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই উপায় না থাকলে তাকে ফেলে রেখেই এগোতে হবে।

★ নিজের বোকামি বুঝতে পারার পর কারো দুঃখ হয়, কারো হাসি পায়।

★ স্বাধীনতার জন্য যোগ্য হতে হবে তারপর বাইরের স্বাধীনতা আদায় করতে হবে।

★ চোখের এক ফোটা জল, একশ ফোটা রক্তের চেয়েও দামী।

বইটি প্রত্যেকের পড়া উচিত। বইটি পড়লে নারীরা পাবে অনুপ্রেরণা এবং পুরুষরা বুঝবে নারীদের অধিকার, বাড়বে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।তাই আমাদের প্রত্যেকেরই পড়া উচিত “সাতকাহন ” উপন্যাসটি।

চতুর্থ শ্রেণীর ইংরেজি গাইড বই ডাউনলোড PDF Download | Class 4 english guide book pdf download

Click here to download

ADR Dider

This is the best site for all types of PDF downloads. We will share Bangla pdf books, Tamil pdf books, Gujarati pdf books, Hindi pdf books, Urdu pdf books, and also English pdf downloads.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
You cannot copy content of this page